প্রকাশকাল: 22 সেপ্টেম্বর, 2019

শেরপুরের বিশিষ্ট শিল্পপতি ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুর জেলার সর্ববৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক, বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে তার কোম্পানীর অর্থ আত্মসাত করে পালিয়ে যাওয়া সাবেক ডিএমডি আব্দুল কাদের ও তার অনুসারীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে বাঁচতে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ করে আসছেন বলে ইদ্রিস এন্ড কোম্পানীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। সম্প্রতি আব্দুল কাদের জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করেন। এরই প্রতিবাদে কোম্পানীর পক্ষ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত আব্দুল কাদের গংদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানীর পক্ষ থেকে কোম্পানীর ডিএমডি মোতাসিম বিল্লাহ আরিফ বক্তব্য রাখেন। ওইসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীর উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, জামালপুর ব্রাঞ্চের ম্যানেজার রহুল আমিন ও কোম্পানীর পিএস ডিজিএম কামারুজ্জামান রিপন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলহাজ¦ মোঃ ইদ্রিস মিয়া সততার সাথে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করায় তার ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান শেরপুর জেলা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার নারী-পুরুষ কর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। শুধু তাই নয়, তিনি সরকারকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার কর ও রাজস্ব প্রদান করে আসছেন। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কর ও রাজস্ব প্রদান করায় আলহাজ¦ মোঃ ইদ্রিস মিয়া একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে পুরস্কৃত ও সম্মাননা পেয়েছেন। শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন বহু ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে তিনি সর্বদাই নানাভাবে সহায়তা প্রদান করে আসছেন। সে কারণে তিনি সর্ব মহলেই প্রশংসিত। কিন্তু নানা গুনে গুণান্বিত এ শিল্পপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় স্বার্থান্বেষী মহল তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করাসহ হয়রানী করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ করে আসছে, যা কখনো কোথাও সত্য বলে প্রমাণিত হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানীর সাবেক ডিএমডি আব্দুল কাদের ও ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমান তাদের অনুসারী কর্মকর্তাগণ কোম্পানির অর্থ আত্মসাৎ করে তা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আলহাজ¦ মোঃ ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্বে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, কোম্পানীর সাবেক ডিএমডি আব্দুল কাদেরের সাথে এক নারী কর্মকর্তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। কোম্পানীর অভ্যন্তরের নানা জায়গায় তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিওচিত্র বিভিন্নভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। পরবতীতে তাদের এহেন কর্মকান্ডের বিষয়টি কোম্পানীর মালিকসহ উর্ধ্বতন কর্মকতাদের দৃষ্টিতে আসে। কোম্পানীর অডিট বিভাগ অডিট করে বিভিন্ন শাখা থেকে আব্দুল কাদের, মোস্তাফিজুর রহমান, আরফান আলী, সুফিয়া পারভীন, আকমল হোসেন মদিন, বিল্লাল হোসেন, কুরবান আলী ও এরশাদ আলী গংদের বিরুদ্ধে একে অপরের যোগসাজসে বিভিন্ন উপায়ে কোম্পানীর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্রœসাৎ ও তছরুপ করার প্রমান পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আব্দুল কাদের কোম্পানীর অর্থ আত্মসাৎসহ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ স্বীকার করে এবং কোম্পানীর আত্মসাৎকৃত টাকা পরিশোধের জন্য সময় চেয়ে ৫০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করে। একই কারণে সুফিয়া পারভীন ও আত্মসাৎ এর কথা স্বীকার করে অর্থ প্রদানের সময় চেয়ে তার স্বামীর নামীয় ব্যাংক হিসাবের চেকসহ কয়েকটি চেক প্রদান করে। একই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরফান আলীও ৪০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করে। বর্তমানে এসব অসৎ ও চাকরি থেকে পলাতক কর্মকর্তা/ কমচারীদের নামে বিভিন্ন আদালত ও আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ছবিসহ পলাতক ও সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

error: Content is protected !!