রাত ২:৫৬ | বৃহস্পতিবার | ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের গারো পাহাড়ের ৬ হাজার একর জমিতে হবে চা আবাদ ॥ চা বোর্ডের কর্মকর্তাদের পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের ৬ হাজার একর জমিতে চা আবাদের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। জেলার ভারত সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়সহ নকলায় ওই চা আবাদ করা হবে। ওই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৮ অক্টোবর রবিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলীসহ বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ওইসময় তারা শিল্প উদ্যোক্তা আমজাদ হোসেন ফনিক্সের গড়ে তোলা গারো হিলস টি কোম্পানির পরীক্ষামূলক ক্ষুদ্র পরিসরে চা আবাদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ক্ষুদ্র চা চাষীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

img-add

মতবিনিময় সভায় ক্ষুদ্র চা চাষী, চা চাষে আগ্রহী নতুন চাষী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাগণ। ওইসময় চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কীটতত্ত্ব) ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষিতত্ত্ব) ড. মোহাম্মদ মাসুদ রানা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) নাঈম মোস্তফা আলী, সহকারী উন্নয়ন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান আকন্দসহ জেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, অনেক বছর ধরেই শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহে চা চাষের উপযুক্ততা নিয়ে কথা বলে আসছিলেন চা বিশেষজ্ঞরা। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহত্তর ময়মনসিংহের জেলাসমূহে চা চাষের সম্ভাবনা সরেজমিনে জরিপ করার জন্য বাংলাদেশ চা বোর্ড ২০০৪ সালে সরেজমিনে পরিদর্শন, মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ করে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন প্রদান করে। ওই জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, পাহাড়ি এ জনপদের মাটির গুণাগুণ ও আবহাওয়া চা চাষাবাদের অত্যন্ত উপযোগী। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে আবারও সম্ভাব্যতা যাচাই করে বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগে ১৪ হাজার একর জমি চা চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়। এর মধ্যে শেরপুরের ৩টি পাহাড়ি এলাকাসহ প্রায় ৬ হাজার একর জমিতে চা চাষের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। এ লক্ষ্যে শেরপুর জেলায় চা উৎপাদনের জন্য আঞ্চলিক কার্যালয় গড়ে তোলার ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। এতে করে ক্ষুদ্র চাষীদের প্রশিক্ষণসহ প্রণোদনার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। শেরপুরে চা শিল্প গড়ে উঠলে এসব পাহাড়ি জনপদের মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। জেলায় ৬ হাজার একরের মধ্যে শ্রীবরদীতে ১১৫০ একর, ঝিনাইগাতীতে ১৮৫৫ একর ও নালিতাবাড়ীর গারো পাহাড়ে ২৫০০ একর জমিতে চা আবাদ সম্ভব। ওই উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দিতে ইতোমধ্যেই এগিয়ে এসেছে বেসরকারি উদ্যোক্তা আমজাদ হোসেন ফনিক্সের গারো হিলস টি কোম্পানী। তারা স্থানীয়দের চা চাষে উদ্বুদ্ধকরণসহ তাদের মাঝে চায়ের চারা বিতরণ করেছে।
সভায় আরও জানানো হয়, গারো পাহাড়ের ১২৩৫ একর জমিতে চা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রায় ৭৪ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অন্ততঃ ২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সেইসাথে এ অঞ্চল থেকে বছরে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানীও করা যাবে।

এ ব্যাপারে গারো হিলস টি’র চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ফনিক্স বলেন, গারো পাহাড়ে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে চাষীদের উদ্ধুদ্ধ করে ক্ষুদ্র পরিসরে নিজ উদ্যোগে পরীক্ষামূলক চা চাষ শুরু করেছিলাম। ২৬টি চা বাগান করে সফল হওয়ার পর এখন বৃহত্তর পরিসরে শুরু করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ চা বোর্ড এখন সার্বিক সহায়তা, অফিস ও কারখানা স্থাপন করলে এখানে চা চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করছি। সেইসাথে এখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিনের ৫০তম জন্মদিন পালিত

» শ্রীবরদীতে চকলেট দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

» নালিতাবাড়ীতে শিক্ষক ও কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

» নালিতাবাড়ীতে ফাতেমা রাণীর তীর্থ উৎসব শুক্রবার

» শেরপুরে ৩ সপ্তাহেও উদঘাটন হয়নি সেনাসদস্যের স্ত্রী হত্যারহস্য

» আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ: সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা জোরদার ইরানের

» ইরফান ও তার দেহরক্ষী ৩ দিনের রিমান্ডে

» মেসির বিপক্ষে মাঠে নামা হচ্ছে না রোনালদোর

» আমরা যুদ্ধ চাই না, তবে মোকাবেলার শক্তি অর্জন করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

» বিএনপি লোক দেখাতে নির্বাচনে অংশ নেয় : কাদের

» ফের বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

» সেরা সুন্দরী হিসেবে দীপিকা পেলেন ৫৯.৯ স্কোর

» শিগগিরই ভারতে পর্যটন ভিসা চালু: হাইকমিশনার

» শ্রীবরদীতে ঘরে ঢুকে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

» বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৪৯তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ২:৫৬ | বৃহস্পতিবার | ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের গারো পাহাড়ের ৬ হাজার একর জমিতে হবে চা আবাদ ॥ চা বোর্ডের কর্মকর্তাদের পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের ৬ হাজার একর জমিতে চা আবাদের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। জেলার ভারত সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়সহ নকলায় ওই চা আবাদ করা হবে। ওই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৮ অক্টোবর রবিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলীসহ বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ওইসময় তারা শিল্প উদ্যোক্তা আমজাদ হোসেন ফনিক্সের গড়ে তোলা গারো হিলস টি কোম্পানির পরীক্ষামূলক ক্ষুদ্র পরিসরে চা আবাদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ক্ষুদ্র চা চাষীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

img-add

মতবিনিময় সভায় ক্ষুদ্র চা চাষী, চা চাষে আগ্রহী নতুন চাষী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাগণ। ওইসময় চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কীটতত্ত্ব) ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষিতত্ত্ব) ড. মোহাম্মদ মাসুদ রানা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) নাঈম মোস্তফা আলী, সহকারী উন্নয়ন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান আকন্দসহ জেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, অনেক বছর ধরেই শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহে চা চাষের উপযুক্ততা নিয়ে কথা বলে আসছিলেন চা বিশেষজ্ঞরা। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহত্তর ময়মনসিংহের জেলাসমূহে চা চাষের সম্ভাবনা সরেজমিনে জরিপ করার জন্য বাংলাদেশ চা বোর্ড ২০০৪ সালে সরেজমিনে পরিদর্শন, মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ করে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন প্রদান করে। ওই জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, পাহাড়ি এ জনপদের মাটির গুণাগুণ ও আবহাওয়া চা চাষাবাদের অত্যন্ত উপযোগী। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে আবারও সম্ভাব্যতা যাচাই করে বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগে ১৪ হাজার একর জমি চা চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়। এর মধ্যে শেরপুরের ৩টি পাহাড়ি এলাকাসহ প্রায় ৬ হাজার একর জমিতে চা চাষের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। এ লক্ষ্যে শেরপুর জেলায় চা উৎপাদনের জন্য আঞ্চলিক কার্যালয় গড়ে তোলার ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। এতে করে ক্ষুদ্র চাষীদের প্রশিক্ষণসহ প্রণোদনার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। শেরপুরে চা শিল্প গড়ে উঠলে এসব পাহাড়ি জনপদের মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। জেলায় ৬ হাজার একরের মধ্যে শ্রীবরদীতে ১১৫০ একর, ঝিনাইগাতীতে ১৮৫৫ একর ও নালিতাবাড়ীর গারো পাহাড়ে ২৫০০ একর জমিতে চা আবাদ সম্ভব। ওই উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দিতে ইতোমধ্যেই এগিয়ে এসেছে বেসরকারি উদ্যোক্তা আমজাদ হোসেন ফনিক্সের গারো হিলস টি কোম্পানী। তারা স্থানীয়দের চা চাষে উদ্বুদ্ধকরণসহ তাদের মাঝে চায়ের চারা বিতরণ করেছে।
সভায় আরও জানানো হয়, গারো পাহাড়ের ১২৩৫ একর জমিতে চা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রায় ৭৪ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অন্ততঃ ২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সেইসাথে এ অঞ্চল থেকে বছরে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানীও করা যাবে।

এ ব্যাপারে গারো হিলস টি’র চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ফনিক্স বলেন, গারো পাহাড়ে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে চাষীদের উদ্ধুদ্ধ করে ক্ষুদ্র পরিসরে নিজ উদ্যোগে পরীক্ষামূলক চা চাষ শুরু করেছিলাম। ২৬টি চা বাগান করে সফল হওয়ার পর এখন বৃহত্তর পরিসরে শুরু করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ চা বোর্ড এখন সার্বিক সহায়তা, অফিস ও কারখানা স্থাপন করলে এখানে চা চাষে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করছি। সেইসাথে এখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!