রাত ২:৪৭ | বুধবার | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শক্ত লেজে ভর দিয়ে খাড়া গাছে উঠে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ভয় বা লাজুকতা যা-ই বলা হোক না কেন এটা অধিকাংশ পাখিদেরই বেশি। তবে সব পাখিদের নয়। প্রতিবেশী বুলবুলি, শালিক, দোয়েল প্রভৃতি পাখিরা সাহস দেখিয়ে আমাদের বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। মধুর ডাকে স্বার্থক করে তোলে রাঙাসকাল। কিন্তু কাঠঠোকরা (Flameback) বা কাঠকুড়ালি (Woodpecker) অর্থাৎ যারা ঠোঁট দিয়ে গাছের গায়ে আঘাত করে খাদ্য খুঁজে বেড়ায় তাদের কিছু প্রজাতি অত্যন্ত লাজুক। তার মাঝে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ অন্যতম। এরা সহজে মানুষে সামনে আসতে চায় না। পাতার আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে চলাচল করে।
অন্যপাখি যেমন উড়ে এসে সহজে ডালে বসে, কাঠ-ঠোকরা বা কাঠ-কুড়ালি তা নয় কিন্তু। ডালে বসা খুব সহজ। কিন্তু গাছের খাড়া ডালে বা কাণ্ডে উঠা-নামা বা স্থির থাকা অনেক কঠিন। এ কঠিক কাজটিই সহজভাবে করতে পারে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’।
‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ পাখির ইংরেজি নাম Rufous Woodpecker এবং বৈজ্ঞানিক নাম Micropternus brachyurus। এরা আকারে আমাদের শালিক পাখির মতো। প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার।
‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ মূলত পিঁপড়েভুক। গাছের শরীরে ঘুরে বেড়ানো নানান ধরনের পিঁপড়ে সে খেয়ে থাকে। পিঁপড়েই তার প্রধান খাবার। অন্য পোকা খুবই কম খায়। ও আবার অনেক সময় পিঁপড়ের বাসার মধ্যে নিজে বাসা তৈরি করে থাকে। সুপারি বা নারকেল গাছে একধরনের পিঁপড়ের বাসা হয়। সে রকম পিঁপড়ের বাসা খুদে (খনন করে) সে তার নিজের বাসাও করে। অন্য কাঠঠোকরাদের থেকে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’র বিশেষত্ব এটি।
এ পাখিটির সারাদেহ কালচে-বাদামি এবং চঞ্চু (ঠোঁট) ও পা ইস্পাত বর্ণ। ডানা, বগল ও লেজের মধ্যে রয়েছে সারি সারি আড়াআড়ি ডোরা। পুরুষ পাখিটির কানের ঢাকনিতে সিঁদুর রঙের পালক রয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» নালিতাবাড়ীতে ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

» নালিতাবাড়ীতে দিনব্যাপী তথ্য মেলা অনুষ্ঠিত

» প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে বৃত্তি পেয়েছে ৮২ হাজার ৪২২ জন

» মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক আর নেই

» ম্যাচ সেরা হয়েই পাকিস্তানে যাওয়ার ঘোষণা মুশফিকের

» শেরপুরে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

» ঝিনাইগাতীর ৩ ইউনিয়নে বয়স্ক, বিধবা ও অসচ্ছল ভাতাভোগী উন্মুক্ত বাছাই

» কর্মচারীদের ৩ দিনের পূর্ণ কর্মবিরতিতে কমিশনার ও কালেক্টরেট অফিস অচল

» নকলায় সুতি নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান

» পিলখানা ট্রাজেডিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

» পিলখানা হত্যাকাণ্ড দিবস আজ

» দিল্লিতে আজও সিএএবিরোধী বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ৭

» শেরপুরে ছাত্র–শিক্ষক সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত

» ইনিংস ব্যবধানে জিতল টাইগাররা

» ছেলেকে ডাবল সেঞ্চুরি উৎসর্গ করলেন মুশফিক

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ২:৪৭ | বুধবার | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শক্ত লেজে ভর দিয়ে খাড়া গাছে উঠে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ভয় বা লাজুকতা যা-ই বলা হোক না কেন এটা অধিকাংশ পাখিদেরই বেশি। তবে সব পাখিদের নয়। প্রতিবেশী বুলবুলি, শালিক, দোয়েল প্রভৃতি পাখিরা সাহস দেখিয়ে আমাদের বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। মধুর ডাকে স্বার্থক করে তোলে রাঙাসকাল। কিন্তু কাঠঠোকরা (Flameback) বা কাঠকুড়ালি (Woodpecker) অর্থাৎ যারা ঠোঁট দিয়ে গাছের গায়ে আঘাত করে খাদ্য খুঁজে বেড়ায় তাদের কিছু প্রজাতি অত্যন্ত লাজুক। তার মাঝে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ অন্যতম। এরা সহজে মানুষে সামনে আসতে চায় না। পাতার আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে চলাচল করে।
অন্যপাখি যেমন উড়ে এসে সহজে ডালে বসে, কাঠ-ঠোকরা বা কাঠ-কুড়ালি তা নয় কিন্তু। ডালে বসা খুব সহজ। কিন্তু গাছের খাড়া ডালে বা কাণ্ডে উঠা-নামা বা স্থির থাকা অনেক কঠিন। এ কঠিক কাজটিই সহজভাবে করতে পারে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’।
‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ পাখির ইংরেজি নাম Rufous Woodpecker এবং বৈজ্ঞানিক নাম Micropternus brachyurus। এরা আকারে আমাদের শালিক পাখির মতো। প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার।
‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’ মূলত পিঁপড়েভুক। গাছের শরীরে ঘুরে বেড়ানো নানান ধরনের পিঁপড়ে সে খেয়ে থাকে। পিঁপড়েই তার প্রধান খাবার। অন্য পোকা খুবই কম খায়। ও আবার অনেক সময় পিঁপড়ের বাসার মধ্যে নিজে বাসা তৈরি করে থাকে। সুপারি বা নারকেল গাছে একধরনের পিঁপড়ের বাসা হয়। সে রকম পিঁপড়ের বাসা খুদে (খনন করে) সে তার নিজের বাসাও করে। অন্য কাঠঠোকরাদের থেকে ‘খয়রা-কাঠকুড়ালি’র বিশেষত্ব এটি।
এ পাখিটির সারাদেহ কালচে-বাদামি এবং চঞ্চু (ঠোঁট) ও পা ইস্পাত বর্ণ। ডানা, বগল ও লেজের মধ্যে রয়েছে সারি সারি আড়াআড়ি ডোরা। পুরুষ পাখিটির কানের ঢাকনিতে সিঁদুর রঙের পালক রয়েছে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!