রাত ২:৩১ | মঙ্গলবার | ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় দুই উপজেলার ১ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। শুকনা খাবারের জন্য পানিবন্দী মানুষের হাহাকার অবস্থা হয়ে পড়েছে। এছাড়াও দু’টি উপজেলায় ইউনিয়নগুলোর সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা, চরশৌলমারী, বন্দবেড়, যাদুরচর ও রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৬০টি গ্রামে ৭০ হাজার মানুষ ও রাজিবপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৩২টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ায় তারা রান্না করে খাবার খেতে না পাড়ায় শুকনা খাবারের জন্য হাহাকার অবস্থায় পড়েছে বন্যাকবলিত পানিবন্দী পরিবারের মানুষ।
রৌমারী উপজেলার খনজনমারা বেঁড়িবাঁধের তিনটি, ঝগড়ারচর বেঁড়িবাঁধের দুইটি, সাহেবের আলগা বেঁড়িবাঁধের দুইটি স্থানে গত বছর বন্যা ভেঙে যায় ও রাজিবপুরের কোদালকাটি নামক দু’টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এ দুই উপজেলার বাঁধের ভেতরে বসবাসকারী প্রায় ৮০ভাগ মানুষের বাড়িতে বন্যার পানি ওঠে পড়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারগুলো।

img-add

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের, ডিগ্রিরচর, ইটালুকান্দা, গাছবাড়ী, আমবাড়ী, পারেরচর, গয়টাপাড়া, কাউনিয়ার, খেতারচর, ছাটকরাইবাড়ী, হরিনধরা, ধর্মপুর, কাউয়ারচর, ঝগড়ারচর, চরশৌলমারী ইউনিয়নের, চরইটালুকান্দা, কাজাইকাটা, চরকাজাইকাটা, শান্তিরচর, ঘুঘুমারী, চরঘুঘুমারী, চরশৌলমারী, পাখিউড়া, খেদাইমারী, জামাইপাড়া, পয়েস্তিপাড়া, খাসপাড়া, বন্দবেড় ইউনিয়নের বাইটকামারী, বাগুয়ারচর, বলদমারা, ঝুনকিরচর, ভেরামারা, তিনতেলীচর, পশ্চিশ খনজনমারা, বাইশপাড়া, কুটিরচর, ফলুয়ারচর, পালেরচর, চরবাঘমারা, যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর, ধনারচর নতুন গ্রাম, তিনতেলীরচর, খেওয়ারচর, বাওয়ারগ্রাম, বকবান্ধা নামাপাড়া, লালকুড়া, লাঠিয়ালডাঙ্গা, রৌমারী ইউনিয়নের, চান্দারচর, ইছাকুড়ি, চুলিয়ারচর, বামনেরচর, চরবামুনেরচর, রতনপুর, বড়াইবাড়ী, বুন্দুরচর, রাজিবপুর উপজেলার রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের কেচোঁমারি, টাঙ্গালিয়া পাড়া, বদরপুর, মেম্বার পাড়া, মুন্সি পাড়া, আজগর দেওয়ানি পাড়া, টাঙ্গালিয়া পাড়া, কোদালকাটি ইউনিয়নের তেরো রশি পাড়, কোদালকাটি,সাজাই, চর সাজাই, মেম্বর পাড়া, মাষ্টার পাড়া, পাইকানটারি পাড়া, বাজার পাড়া, শংকর মাদবপুর, কারিগড় পাড়া, পাখিউড়ার, মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের চরনেওয়াজি, ফকির পাড়া, নয়াচর বাজার পাড়া বল্লভ পাড়া, মাষ্টার পাড়া, সবুজপাড়া, নাওশালা, কীর্তনতারি, বড়বেড় চর। বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরো নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এ ছাড়া নদী ভাঙনে রৌমারীর চরশৌলমারী, বন্দবেড় ও যাদুরচর ইউনিয়নের ৫২টি, রাজিবপুরের কোদালকাটি ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ২৮টি পরিবার বাস্তহারা হয়েছে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দিরা পরিবারগুলো সরকারি ত্রাণ সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের দু’চোখে হ্যতাশা ছাপ দেখা গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২৪.৭১ সে. মি. পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০১ সে. মি উপর প্রবাহিত হচ্ছে।
রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (রাজিবপুর অ:দা:) মো. আজিজুর রহমান বলেন, রৌমারী উপজেলায় দুই ধাপে বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ৩৬টন জিআর চাউল, ৩লক্ষ ষাট হাজার টাকার শুকনা খাবর, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুইশত প্যাকেট শুকনা খাবার ও ১৬টন জিআর চাউল, ১লক্ষ পচিশ হাজার টাকার শুকনা খাবর, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে একশত প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এইসব ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, বন্যা পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জিআর চাউল, শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ গত বছর বন্যা ভেঙ্গে যাওয়ায় বাঁধে’র ভেতর ও বাহিরে বসবাসকারী প্রায় সকলেই বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে অনলাইন নিউজপোর্টাল কালেরডাক২৪ডটকম’র উদ্বোধন করলেন হুইপ আতিক

» শেরপুরে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জেলা প্রশাসক

» নালিতাবাড়ীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

» নালিতাবাড়ীতে বজ্রপাতে কলেজছাত্রের মৃত্যু

» কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

» দোকান-শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ, ই-কমার্স সাইট ব্যবহারের আহ্বান

» দেশে করোনায় আরও ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৫৬

» করোনাকালে রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে রেকর্ড

» ঝিনাইগাতীতে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

» শেরপুরে করোনা আক্রান্ত সহকর্মীর খোঁজ নিলেন পুলিশ সুপার আজীম

» নালিতাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত : আহত ২

» ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান নাইমের পিতার ইন্তেকাল

» সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় ২০ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

» মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

» স্মৃতির পাতায় আজও বহমান তুমি ॥ মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ২:৩১ | মঙ্গলবার | ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় দুই উপজেলার ১ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। শুকনা খাবারের জন্য পানিবন্দী মানুষের হাহাকার অবস্থা হয়ে পড়েছে। এছাড়াও দু’টি উপজেলায় ইউনিয়নগুলোর সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা, চরশৌলমারী, বন্দবেড়, যাদুরচর ও রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৬০টি গ্রামে ৭০ হাজার মানুষ ও রাজিবপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৩২টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ায় তারা রান্না করে খাবার খেতে না পাড়ায় শুকনা খাবারের জন্য হাহাকার অবস্থায় পড়েছে বন্যাকবলিত পানিবন্দী পরিবারের মানুষ।
রৌমারী উপজেলার খনজনমারা বেঁড়িবাঁধের তিনটি, ঝগড়ারচর বেঁড়িবাঁধের দুইটি, সাহেবের আলগা বেঁড়িবাঁধের দুইটি স্থানে গত বছর বন্যা ভেঙে যায় ও রাজিবপুরের কোদালকাটি নামক দু’টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এ দুই উপজেলার বাঁধের ভেতরে বসবাসকারী প্রায় ৮০ভাগ মানুষের বাড়িতে বন্যার পানি ওঠে পড়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারগুলো।

img-add

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের, ডিগ্রিরচর, ইটালুকান্দা, গাছবাড়ী, আমবাড়ী, পারেরচর, গয়টাপাড়া, কাউনিয়ার, খেতারচর, ছাটকরাইবাড়ী, হরিনধরা, ধর্মপুর, কাউয়ারচর, ঝগড়ারচর, চরশৌলমারী ইউনিয়নের, চরইটালুকান্দা, কাজাইকাটা, চরকাজাইকাটা, শান্তিরচর, ঘুঘুমারী, চরঘুঘুমারী, চরশৌলমারী, পাখিউড়া, খেদাইমারী, জামাইপাড়া, পয়েস্তিপাড়া, খাসপাড়া, বন্দবেড় ইউনিয়নের বাইটকামারী, বাগুয়ারচর, বলদমারা, ঝুনকিরচর, ভেরামারা, তিনতেলীচর, পশ্চিশ খনজনমারা, বাইশপাড়া, কুটিরচর, ফলুয়ারচর, পালেরচর, চরবাঘমারা, যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর, ধনারচর নতুন গ্রাম, তিনতেলীরচর, খেওয়ারচর, বাওয়ারগ্রাম, বকবান্ধা নামাপাড়া, লালকুড়া, লাঠিয়ালডাঙ্গা, রৌমারী ইউনিয়নের, চান্দারচর, ইছাকুড়ি, চুলিয়ারচর, বামনেরচর, চরবামুনেরচর, রতনপুর, বড়াইবাড়ী, বুন্দুরচর, রাজিবপুর উপজেলার রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের কেচোঁমারি, টাঙ্গালিয়া পাড়া, বদরপুর, মেম্বার পাড়া, মুন্সি পাড়া, আজগর দেওয়ানি পাড়া, টাঙ্গালিয়া পাড়া, কোদালকাটি ইউনিয়নের তেরো রশি পাড়, কোদালকাটি,সাজাই, চর সাজাই, মেম্বর পাড়া, মাষ্টার পাড়া, পাইকানটারি পাড়া, বাজার পাড়া, শংকর মাদবপুর, কারিগড় পাড়া, পাখিউড়ার, মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের চরনেওয়াজি, ফকির পাড়া, নয়াচর বাজার পাড়া বল্লভ পাড়া, মাষ্টার পাড়া, সবুজপাড়া, নাওশালা, কীর্তনতারি, বড়বেড় চর। বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরো নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এ ছাড়া নদী ভাঙনে রৌমারীর চরশৌলমারী, বন্দবেড় ও যাদুরচর ইউনিয়নের ৫২টি, রাজিবপুরের কোদালকাটি ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ২৮টি পরিবার বাস্তহারা হয়েছে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দিরা পরিবারগুলো সরকারি ত্রাণ সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের দু’চোখে হ্যতাশা ছাপ দেখা গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২৪.৭১ সে. মি. পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০১ সে. মি উপর প্রবাহিত হচ্ছে।
রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (রাজিবপুর অ:দা:) মো. আজিজুর রহমান বলেন, রৌমারী উপজেলায় দুই ধাপে বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ৩৬টন জিআর চাউল, ৩লক্ষ ষাট হাজার টাকার শুকনা খাবর, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুইশত প্যাকেট শুকনা খাবার ও ১৬টন জিআর চাউল, ১লক্ষ পচিশ হাজার টাকার শুকনা খাবর, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে একশত প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এইসব ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, বন্যা পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জিআর চাউল, শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ গত বছর বন্যা ভেঙ্গে যাওয়ায় বাঁধে’র ভেতর ও বাহিরে বসবাসকারী প্রায় সকলেই বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!