রাত ৮:০৪ | বৃহস্পতিবার | ২৮শে মে, ২০২০ ইং | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ২

রাঙ্গামাটি : গত ৩ দিনের একটানা ভারী বর্ষণে রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাইয়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে কাপ্তাই কলাবাগান এলাকায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- সূর্য্য মল্লিক (৩) ও তাহমিনা (৩০)। খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসন উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
এদিকে, পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারী লোকজন জেলা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুরু করেছে। গত রাত থেকে টানা বর্ষণের ফলে মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আতঙ্ক। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে ২১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস ও বৃষ্টির পানির তোড়ে লংগদু-দীঘিনালা ও রাঙ্গামাটি-বান্দরবান, রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রাঙ্গামাটি শহরের পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপুর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে স্থানীয় সমাজ উন্নয়ন কর্মী ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে।
এদিকে, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কলাবাগান এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী একটি ঘরের ওপর বিকল শব্দে ভেঙে পড়ে। এ সময় দু’টি পরিবারের ২ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবি উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে হতাহাতের উদ্ধার করে।
স্থানীয় তরুণ স্বেচ্ছাসেবী মো. আবু তৈয়ব জানন, রাঙ্গামাটির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা মনোঘর, যুব উন্নয়ন এলাকা, শিমুলতলী, ভেদেভেদী, সনাতন পাড়া, লোকনাথ মন্দিরের পেছন সাইড, রূপনগর, আরশি নগর, টিভি সেন্টার, আউলিয়া নগরসহ বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে বেশ কয়েকটি মোবাইল টিম।
স্থানীয় সমাজ উন্নয়ন কমিটি পৌর কাউন্সিলারদের তত্ত্বাবধানে এলাকাগুলো থেকে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে বার বার অনুরোধ করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের দুর্যোগরে কথা মাথায় রেখে রাঙ্গামাটি শহরের ৬নং ওয়ার্ডকে বেশি দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোন আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন আসেনি।
রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তর্পণ দেওয়ান জানান, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও রাঙ্গামাটি পৌরসভার বেশ কিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত খাবারও মওজুদ রাখা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১১ জুন থেকে টানা বর্ষণের ফলে ১৩ জুন রাঙ্গামাটি জেলায় ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় ৫ জন সেনা সদস্যসহ ১২০ জন নিহত হয়। পরের বছর ২০১৮ সালের ১১ জুন নানিয়ারচর উপজেলায় পাহাড় ধসে মুত্যু হয় ১১ জনের।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» নালিতাবাড়ী সীমান্তে এবার অতিরিক্ত বালুবোঝাই ট্রাকের চাপে ভেঙ্গে দেবে গেল ব্রিজ

» স্কুলের পাশে মৃত্যুকূপ!

» নকলায় স্বেচ্ছাশ্রমে আউশ ধান রোপন করে দিল এলাকাবাসী

» করোনায় দেশে একদিনে আক্রান্ত ২ হাজার ২৯, মৃত্যু ১৫

» লকডাউন শিথিল করা মানে এই নয়, অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করবো : তথ্যমন্ত্রী

» ‘বিএনপি রাজনৈতিক আইসোলেশনে রয়েছে’

» আবারো স্পেস এক্স এর কার্যক্রম শুরু করল নাসা

» বাড়ছে না সাধারণ ছুটি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস

» নালিতাবাড়ীতে বজ্রপাতে জামাইয়ের মৃত্যু ॥ শ্বশুর আহত

» শেরপুরে প্রভাবশালীর রোষানলে দীর্ঘ ৪ মাস যাবত হাজত খাটছেন একই পরিবারের দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ ২ নারী ও ১ বৃদ্ধ

» করোনায় দেশে একদিনে ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪১

» শেরপুরে প্রেমের অভিনয়ে মোবাইল ফোনে স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ : ধর্ষকসহ গ্রেফতার ৩

» ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু

» এবার বিয়ে বিতর্কে নোবেল

» ভারত মহাসাগরের টেকটনিক প্লেট ভেঙে দু’টুকরা, ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৮:০৪ | বৃহস্পতিবার | ২৮শে মে, ২০২০ ইং | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ২

রাঙ্গামাটি : গত ৩ দিনের একটানা ভারী বর্ষণে রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাইয়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে কাপ্তাই কলাবাগান এলাকায় পাহাড় ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- সূর্য্য মল্লিক (৩) ও তাহমিনা (৩০)। খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসন উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
এদিকে, পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারী লোকজন জেলা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুরু করেছে। গত রাত থেকে টানা বর্ষণের ফলে মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আতঙ্ক। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে ২১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস ও বৃষ্টির পানির তোড়ে লংগদু-দীঘিনালা ও রাঙ্গামাটি-বান্দরবান, রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রাঙ্গামাটি শহরের পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপুর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে স্থানীয় সমাজ উন্নয়ন কর্মী ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে।
এদিকে, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কলাবাগান এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী একটি ঘরের ওপর বিকল শব্দে ভেঙে পড়ে। এ সময় দু’টি পরিবারের ২ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবি উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে হতাহাতের উদ্ধার করে।
স্থানীয় তরুণ স্বেচ্ছাসেবী মো. আবু তৈয়ব জানন, রাঙ্গামাটির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা মনোঘর, যুব উন্নয়ন এলাকা, শিমুলতলী, ভেদেভেদী, সনাতন পাড়া, লোকনাথ মন্দিরের পেছন সাইড, রূপনগর, আরশি নগর, টিভি সেন্টার, আউলিয়া নগরসহ বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে বেশ কয়েকটি মোবাইল টিম।
স্থানীয় সমাজ উন্নয়ন কমিটি পৌর কাউন্সিলারদের তত্ত্বাবধানে এলাকাগুলো থেকে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে বার বার অনুরোধ করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের দুর্যোগরে কথা মাথায় রেখে রাঙ্গামাটি শহরের ৬নং ওয়ার্ডকে বেশি দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোন আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন আসেনি।
রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তর্পণ দেওয়ান জানান, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও রাঙ্গামাটি পৌরসভার বেশ কিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত খাবারও মওজুদ রাখা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১১ জুন থেকে টানা বর্ষণের ফলে ১৩ জুন রাঙ্গামাটি জেলায় ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় ৫ জন সেনা সদস্যসহ ১২০ জন নিহত হয়। পরের বছর ২০১৮ সালের ১১ জুন নানিয়ারচর উপজেলায় পাহাড় ধসে মুত্যু হয় ১১ জনের।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!