সকাল ৬:৩৯ | বুধবার | ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড় উদ্ধার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ নগরী থেকে মানুষের মাথার ১২টি খুলিসহ দুই বস্তা হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় বাপ্পী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার বাপ্পী নগরীর কারিবাড়ী কবরস্থান এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। ১৫ নভেম্বর রবিবার ভোরে নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড় উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, মানুষের মাথার ১২টি খুলি ও দুই বস্তা হাড়সহ বাপ্পি নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

img-add

আটককৃত বাপ্পির নিকট থেকে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক নানা তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার। প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার টাকা মূল্যে পার্শ্ববর্তী হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
কঙ্কাল চুরি চক্রের সঙ্গে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কতিপয় নেশাখোর ও মাদকাসক্তদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোরস্থানের গোরখোর বা কবর খুঁড়াখুঁড়ির সাথে সংশ্লিষ্টরা জড়িত বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে গহীন অরণ্য, পাহাড়ি জনপদ ও নির্জন স্থান বেশি থাকায় এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্টরা কঙ্কাল প্রক্রিয়াকরণের নিরাপদ স্থান মনে করে অমানবিক কাজগুলো করে থাকে। চক্রের সদস্যরা সামান্য টাকায় কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে সেই নির্জন স্থানে নিয়ে কেমিক্যাল মিশিয়ে বা দ্রুত পচনশীল পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত সম্পন্ন করে কঙ্কাল পাচারকারীদের হাতে তুলে দেয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, কঙ্কাল চুরি চক্রের সদস্যরা কবর থেকে লাশ উত্তোলনের মাধ্যমে এ কঙ্কাল সংগ্রহ করে চরা মূল্যে নির্ধারিত ক্রেতাদের নিকট বিক্রি করে আসছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে নগরীর আরকে মিশন রোড এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বাপ্পিকে আটক করে। এ সময় ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড়গোড় জব্দ করে। বাসাটি ভাড়া নিয়ে কঙ্কাল সরবরাহ করতো। সেখান থেকে পাচার করা হতো বিভিন্নস্থানে।
ওসি জানান, কঙ্কাল চুরি চক্রের সদস্যরা জেলা-উপজেলার বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে রয়েছে। গোরস্থানের গোরখোর বা কবর খুঁড়াখুঁড়ির সঙ্গে জড়িতদের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির খবর চলে যায় এই পেশার সঙ্গে জড়িতদের কাছে। তারা প্রথমে কবর থেকে লাশ তুলে নির্জনস্থান, গভীর অরণ্য বা পাহাড়ি জনপদে নিয়ে কেমিক্যাল ব্যবহারের মাধ্যমে পচিয়ে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মানবদেহের পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সংগ্রহ করে। পরে তুলে দেয়া হয় বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের হাতে বা পাচারকারীর হাতে। তাদের মাধ্যমে এই কঙ্কাল চলে যায় মেডিকেল শিক্ষার্থী-শিক্ষক, চিকিৎসকসহ পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও ভারতে। তিনি জানান, কালীবাড়ি গোরস্থানের কবর খুঁড়াখুঁড়ির কাজে সংশ্লিষ্ট চান মিয়াও এই চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট সাতজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামান জানান, আটককৃত ব্যক্তির জবানবন্দি অনুযায়ী কঙ্কাল চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলা যাবে না। তবে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে কঙ্কাল চুরি বন্ধে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এই কঙ্কালের মূল্য অনেক বেশি। কবর থেকে উত্তোলন করে একজন নেশাখোর ও মাদকাসক্ত কঙ্কাল সরবরাহকারী পায় মাত্র দুই থেকে ৫ হাজার টাকা। যা বিক্রি হয় ২০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোও পৃথক পৃথক মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে।
সূত্র জানায়, গোরস্থানের গোরখোর অনেকেই কঙ্কাল চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে হালুয়াঘাট, ফুলবাড়িয়া, মুক্তাগাছা ও ভালুকা অঞ্চলে কঙ্কাল চুরির ঘটনা বেশি হয়। সেখানকার গহীন অরণ্য, পাহাড়ি জনপদ ও নির্জন স্থান বেশি থাকায় এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্টরা ওই এলাকাগুলো নিরাপদ মনে করে কঙ্কাল চুরির মতো অমানবিক কাজগুলো করে থাকে।
এরআগে জেলার মুক্তাগাছা ও ভালুকা থেকে বিপুল পরিমাণ পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল ও কঙ্কালের অংশবিশেষ উদ্ধার করে পুলিশ।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শ্রীবরদীতে বাবু হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

» শ্রীবরদীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের শীতকালীন সবজি বীজ বিতরণ

» বিজ্ঞানী হত্যা দূর-নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করে : ইরান

» গুচ্ছ পদ্ধতিতেই হবে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

» তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প অনুমোদন

» ঝিনাইগাতী থানার ওসির উদ্যোগে করোনার দ্বিতীয় ধাপে মাস্ক বিতরণ

» শেরপুরে মেয়র মনোনয়নপ্রত্যাশী আ’লীগ নেতা আধারের গণসংযোগ

» শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

» শেরপুর মুক্তিযোদ্ধা দিবস উদযাপিত : মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে কম্বল বিতরণ

» সর্বোচ্চ ছাড়ে চিকিৎসা পাবেন চলচ্চিত্র শিল্পীরা

» যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর, কিন্তু…..

» উচ্চ মাধ্যমিকেও থাকছে না কোনো বিভাগ, শিক্ষা হবে কর্মমুখী

» মোঃ রাবিউল ইসলাম’র পদ্য ‘কর্মজীবী নারী’

» নকলায় গরু বোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে হতাহত ২, মারা গেছে ১৩টি গরু

» শেরপুরে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক গণশুনানী

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  সকাল ৬:৩৯ | বুধবার | ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড় উদ্ধার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ নগরী থেকে মানুষের মাথার ১২টি খুলিসহ দুই বস্তা হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় বাপ্পী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার বাপ্পী নগরীর কারিবাড়ী কবরস্থান এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। ১৫ নভেম্বর রবিবার ভোরে নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড় উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, মানুষের মাথার ১২টি খুলি ও দুই বস্তা হাড়সহ বাপ্পি নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

img-add

আটককৃত বাপ্পির নিকট থেকে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক নানা তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার। প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার টাকা মূল্যে পার্শ্ববর্তী হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
কঙ্কাল চুরি চক্রের সঙ্গে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কতিপয় নেশাখোর ও মাদকাসক্তদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোরস্থানের গোরখোর বা কবর খুঁড়াখুঁড়ির সাথে সংশ্লিষ্টরা জড়িত বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে গহীন অরণ্য, পাহাড়ি জনপদ ও নির্জন স্থান বেশি থাকায় এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্টরা কঙ্কাল প্রক্রিয়াকরণের নিরাপদ স্থান মনে করে অমানবিক কাজগুলো করে থাকে। চক্রের সদস্যরা সামান্য টাকায় কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে সেই নির্জন স্থানে নিয়ে কেমিক্যাল মিশিয়ে বা দ্রুত পচনশীল পদার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত সম্পন্ন করে কঙ্কাল পাচারকারীদের হাতে তুলে দেয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, কঙ্কাল চুরি চক্রের সদস্যরা কবর থেকে লাশ উত্তোলনের মাধ্যমে এ কঙ্কাল সংগ্রহ করে চরা মূল্যে নির্ধারিত ক্রেতাদের নিকট বিক্রি করে আসছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে নগরীর আরকে মিশন রোড এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বাপ্পিকে আটক করে। এ সময় ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড়গোড় জব্দ করে। বাসাটি ভাড়া নিয়ে কঙ্কাল সরবরাহ করতো। সেখান থেকে পাচার করা হতো বিভিন্নস্থানে।
ওসি জানান, কঙ্কাল চুরি চক্রের সদস্যরা জেলা-উপজেলার বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে রয়েছে। গোরস্থানের গোরখোর বা কবর খুঁড়াখুঁড়ির সঙ্গে জড়িতদের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির খবর চলে যায় এই পেশার সঙ্গে জড়িতদের কাছে। তারা প্রথমে কবর থেকে লাশ তুলে নির্জনস্থান, গভীর অরণ্য বা পাহাড়ি জনপদে নিয়ে কেমিক্যাল ব্যবহারের মাধ্যমে পচিয়ে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মানবদেহের পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সংগ্রহ করে। পরে তুলে দেয়া হয় বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের হাতে বা পাচারকারীর হাতে। তাদের মাধ্যমে এই কঙ্কাল চলে যায় মেডিকেল শিক্ষার্থী-শিক্ষক, চিকিৎসকসহ পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও ভারতে। তিনি জানান, কালীবাড়ি গোরস্থানের কবর খুঁড়াখুঁড়ির কাজে সংশ্লিষ্ট চান মিয়াও এই চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট সাতজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামান জানান, আটককৃত ব্যক্তির জবানবন্দি অনুযায়ী কঙ্কাল চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলা যাবে না। তবে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে কঙ্কাল চুরি বন্ধে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এই কঙ্কালের মূল্য অনেক বেশি। কবর থেকে উত্তোলন করে একজন নেশাখোর ও মাদকাসক্ত কঙ্কাল সরবরাহকারী পায় মাত্র দুই থেকে ৫ হাজার টাকা। যা বিক্রি হয় ২০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোও পৃথক পৃথক মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে।
সূত্র জানায়, গোরস্থানের গোরখোর অনেকেই কঙ্কাল চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে হালুয়াঘাট, ফুলবাড়িয়া, মুক্তাগাছা ও ভালুকা অঞ্চলে কঙ্কাল চুরির ঘটনা বেশি হয়। সেখানকার গহীন অরণ্য, পাহাড়ি জনপদ ও নির্জন স্থান বেশি থাকায় এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্টরা ওই এলাকাগুলো নিরাপদ মনে করে কঙ্কাল চুরির মতো অমানবিক কাজগুলো করে থাকে।
এরআগে জেলার মুক্তাগাছা ও ভালুকা থেকে বিপুল পরিমাণ পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল ও কঙ্কালের অংশবিশেষ উদ্ধার করে পুলিশ।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!