রাত ৪:১০ | সোমবার | ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মিরপুর শের-ই-বাংলার সবুজ গালিচায় টস করতে নেমেছেন দুজন। সাদা পোশাকের ওপরে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যর ব্লেজার। মাথায় সেই পুরোনো টেস্ট ক্যাপ। মুমিনুল কয়েন ছুঁড়লেন। আরভিন ডাক দিলেন। জিতলেন অতিথি অধিনায়ক। টস জিতে বাংলাদেশকে পাঠালেন বোলিংয়ে। এ ম্যাচের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। গত ২২ বছরে ২ দল ৩ ফরম্যাট মিলিয়ে ৯৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। আজ (২২ ফেব্রুয়ারী) শনিবার সকালে মিরপুরে পূর্ণ হল তাদের ম্যাচের সেঞ্চুরি। ৯৯ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৫৭ ম্যাচে, জিম্বাবুয়ের জয় ৩৯, ড্র হয়েছে ৩টি ম্যাচ, ১টি ম্যাচ পরিত্যাক্ত।

img-add

বাংলাদেশ বর্তমান পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও মুখোমুখি লড়াইয়ের শুরুতে আধিপত্য দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ১৯৯৭ সালের ১১ অক্টোবর ২ দল প্রথম মুখোমুখি হয় নাইরোবিতে। ওই সময়টা ছিল জিম্বাবুয়ের স্বর্ণযুগ। ফ্লাওয়ার ব্রাদার্স তখন বোলারদের জন্য রীতিমত হুমকি, অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের দুর্দান্ত অধিনায়কত্ব আর হিথ স্ট্রিক, রেমন্ড প্রাইস, ডগলাস হোন্ডোর বোলিং আক্রমণ ছিল ভয়ঙ্কর।
মুখোমুখি লড়াইয়ের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হার ৪৮ রানে। ওই ম্যাচের পর আরও ৬ ওয়ানডেতে হার বাংলাদেশের। ২০০১ সালের ১১ এপ্রিল বুলাওয়েতে ২ দল প্রথম টেস্ট খেলে। সাদা পোশাকেও হারে শুরু বাংলাদেশের। পরপর ৪ টেস্টেও হার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম জয় পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ১৬ ম্যাচ। এর মধ্যে টেস্ট ছিল ৫টি, ওয়ানডে ১০টি। জিম্বাবুয়ের মাটিতে ২০০৪ সালের ১০ মার্চ বিজয়ের কেতন উড়ায় বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জয় পায় ৮ রানে। হাবিবুল বাশারের দল হারায় হিথ স্ট্রিক, গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার, তাতেন্ডা তাইবুদের জিম্বাবুয়েকে। আশরাফুলের ৩২ বলে ৫১ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ পেয়েছিল সেই কাঙ্খিত জয়।

এরপর ধীরে ধীরে পারফরম্যান্সের সূচক উর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে বাংলাদেশের। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জিতে টেস্ট ম্যাচও। ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারি চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে ২২৬ রানে হারায় বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে সেটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম জয়। স্পিনার এনামুল হক জুনিয়রের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশ টেস্ট জয়ের খাতা খুলে।

ওয়ানডে ও টেস্টে প্রথম মুখোমুখিতে হারলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জিতেছিল প্রথম ম্যাচ। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর খুলনায় ৪৩ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ২ দলেরই সেটি ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান শক্ত করার পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাফল্যর সূচক বাড়তে থাকে। অন্যদিকে আধিপত্য হারানোর পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের সূচক ধারাবাহিক নিচে নেমেছে। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের বিপক্ষে টানা ৯ ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। আবার ২০১৩ সালের ১২ মে থেকে ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ১৩ ম্যাচে বাংলাদেশ হারেনি। পারফরম্যান্সের এমন ধারাবাহিকতায় মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ একটা সময় টপকে যায় জিম্বাবুয়েকে। পাশাপাশি ৩ ফরম্যাটেই র‌্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ।

মুখোমুখি লড়াইয়ে ২০০৯ সালে সবথেকে ভালো সময় কাটে বাংলাদেশের। ওই বছর ১৪ ম্যাচে ১০ জয় বাংলাদেশের, ৪টি জিম্বাবুয়ের। ২০০১ সালে বাংলাদেশের সবথেকে খারাপ সময় যায়। দশ ম্যাচের ৯টিতেই হার, ড্র করে ১টিতে।

২ দল বাংলাদেশের মাটিতে ম্যাচ খেলেছে ৫৯টি। যার ৪১টিতে জয় বাংলাদেশের, হার ১৬টি ও ড্র ২টি ম্যাচ। জিম্বাবুয়েতে খেলেছে ৩৭ ম্যাচ। ১৫টি জয় বাংলাদেশের, জিম্বাবুয়ের ২১টি ও ড্র ১টি। ভারতের মাটিতে ২ দল একটি ম্যাচ খেলেছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ওই ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ। কেনিয়াতে ২টি ম্যাচের ২টিতেই জয় জিম্বাবুয়ের।

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে ২ দলই এর বাইরে আর কোনো দলের বিপক্ষে এত ম্যাচ খেলেনি। বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে ৮৭ ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে হাসপাতালের স্টাফসহ করোনা ভাইরাসের ২ রোগী শনাক্ত

» শেরপুরে ১ হাজার কর্মহীন মানুষ পেল আ’লীগ নেতা উৎপলের খাদ্য সহায়তা

» শেরপুরে বিশেষ ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি শুরু

» ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ

» ঝিনাইগাতীতে করোনা সন্দেহে এক কিশোরের নমুনা সংগ্রহ

» করোনায় ই-রাজনীতি : হোয়াটসঅ্যাপে সভা; ভিডিও বার্তায় আহ্বান

» মোদির কাছে ম্যালেরিয়ার ওষুধ চাইলেন ট্রাম্প

» ধনী মালিকদের নয়, অসহায়দের সাহায্য করতে রাজি ফুটবলাররা

» সাধারণ ছুটি বাড়ল ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

» শেরপুরে সামাজিক দূরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টাইন না মানায় ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা

» বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪ হাজার : আক্রান্ত ১২ লাখ

» কেউ চাকরি হারাবেন না : প্রধানমন্ত্রী

» ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

» ঝিনাইগাতীতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে সেনা তৎপরতা জোরদার

» গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ১৮, আরও একজনের মৃত্যু

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৪:১০ | সোমবার | ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মিরপুর শের-ই-বাংলার সবুজ গালিচায় টস করতে নেমেছেন দুজন। সাদা পোশাকের ওপরে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যর ব্লেজার। মাথায় সেই পুরোনো টেস্ট ক্যাপ। মুমিনুল কয়েন ছুঁড়লেন। আরভিন ডাক দিলেন। জিতলেন অতিথি অধিনায়ক। টস জিতে বাংলাদেশকে পাঠালেন বোলিংয়ে। এ ম্যাচের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। গত ২২ বছরে ২ দল ৩ ফরম্যাট মিলিয়ে ৯৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। আজ (২২ ফেব্রুয়ারী) শনিবার সকালে মিরপুরে পূর্ণ হল তাদের ম্যাচের সেঞ্চুরি। ৯৯ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৫৭ ম্যাচে, জিম্বাবুয়ের জয় ৩৯, ড্র হয়েছে ৩টি ম্যাচ, ১টি ম্যাচ পরিত্যাক্ত।

img-add

বাংলাদেশ বর্তমান পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও মুখোমুখি লড়াইয়ের শুরুতে আধিপত্য দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ১৯৯৭ সালের ১১ অক্টোবর ২ দল প্রথম মুখোমুখি হয় নাইরোবিতে। ওই সময়টা ছিল জিম্বাবুয়ের স্বর্ণযুগ। ফ্লাওয়ার ব্রাদার্স তখন বোলারদের জন্য রীতিমত হুমকি, অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের দুর্দান্ত অধিনায়কত্ব আর হিথ স্ট্রিক, রেমন্ড প্রাইস, ডগলাস হোন্ডোর বোলিং আক্রমণ ছিল ভয়ঙ্কর।
মুখোমুখি লড়াইয়ের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হার ৪৮ রানে। ওই ম্যাচের পর আরও ৬ ওয়ানডেতে হার বাংলাদেশের। ২০০১ সালের ১১ এপ্রিল বুলাওয়েতে ২ দল প্রথম টেস্ট খেলে। সাদা পোশাকেও হারে শুরু বাংলাদেশের। পরপর ৪ টেস্টেও হার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম জয় পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ১৬ ম্যাচ। এর মধ্যে টেস্ট ছিল ৫টি, ওয়ানডে ১০টি। জিম্বাবুয়ের মাটিতে ২০০৪ সালের ১০ মার্চ বিজয়ের কেতন উড়ায় বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জয় পায় ৮ রানে। হাবিবুল বাশারের দল হারায় হিথ স্ট্রিক, গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার, তাতেন্ডা তাইবুদের জিম্বাবুয়েকে। আশরাফুলের ৩২ বলে ৫১ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ পেয়েছিল সেই কাঙ্খিত জয়।

এরপর ধীরে ধীরে পারফরম্যান্সের সূচক উর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে বাংলাদেশের। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জিতে টেস্ট ম্যাচও। ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারি চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে ২২৬ রানে হারায় বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে সেটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম জয়। স্পিনার এনামুল হক জুনিয়রের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশ টেস্ট জয়ের খাতা খুলে।

ওয়ানডে ও টেস্টে প্রথম মুখোমুখিতে হারলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জিতেছিল প্রথম ম্যাচ। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর খুলনায় ৪৩ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ২ দলেরই সেটি ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান শক্ত করার পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাফল্যর সূচক বাড়তে থাকে। অন্যদিকে আধিপত্য হারানোর পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের সূচক ধারাবাহিক নিচে নেমেছে। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের বিপক্ষে টানা ৯ ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। আবার ২০১৩ সালের ১২ মে থেকে ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ১৩ ম্যাচে বাংলাদেশ হারেনি। পারফরম্যান্সের এমন ধারাবাহিকতায় মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ একটা সময় টপকে যায় জিম্বাবুয়েকে। পাশাপাশি ৩ ফরম্যাটেই র‌্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ।

মুখোমুখি লড়াইয়ে ২০০৯ সালে সবথেকে ভালো সময় কাটে বাংলাদেশের। ওই বছর ১৪ ম্যাচে ১০ জয় বাংলাদেশের, ৪টি জিম্বাবুয়ের। ২০০১ সালে বাংলাদেশের সবথেকে খারাপ সময় যায়। দশ ম্যাচের ৯টিতেই হার, ড্র করে ১টিতে।

২ দল বাংলাদেশের মাটিতে ম্যাচ খেলেছে ৫৯টি। যার ৪১টিতে জয় বাংলাদেশের, হার ১৬টি ও ড্র ২টি ম্যাচ। জিম্বাবুয়েতে খেলেছে ৩৭ ম্যাচ। ১৫টি জয় বাংলাদেশের, জিম্বাবুয়ের ২১টি ও ড্র ১টি। ভারতের মাটিতে ২ দল একটি ম্যাচ খেলেছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ওই ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ। কেনিয়াতে ২টি ম্যাচের ২টিতেই জয় জিম্বাবুয়ের।

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে ২ দলই এর বাইরে আর কোনো দলের বিপক্ষে এত ম্যাচ খেলেনি। বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে ৮৭ ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!