রাত ৯:৩৬ | মঙ্গলবার | ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মোঃ জামাল উদ্দিন’র ছোট গল্প ‘কৃষকের হেমন্ত’

ছোট গল্পঃ
কৃষকের হেমন্ত
*************
লেখক : মোঃ জামাল উদ্দিন

img-add

আশ্বিনের শেষে কার্তিকের সকালের সোনা রোদ একটু একটু মিষ্টি লাগতে শুরু করে।বুঝা যায় হেমন্ত প্রকৃতির দোয়ারে।সকাল সন্ধ্যায় বইতে শুরু করে উত্তরের হাওয়া। একটু একটু ঠান্ডা পরতে শুরু করে। মাঠে মাঠে তখন কাঁচা পাকা ধান। ধানের শীষ তখন বাতাসে দুল খায়। কাঁচা পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে বাতাস ভারি হয়ে উঠে।আর মাত্র ক দিন,তারপরেই সমস্ত মাঠ পাকা ধানে সোনা রূপ ধারন করবে।শুরু হবে কৃষাণ পাড়ায় ধান উঠানোর উৎসব।সোনার ধানে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা।
দুই বিঘা জমির চাষী সোনা মিয়া।অন্য সব চাষীর মতই সোনা মিয়ার জমিতেও আধা পাকা ধান।
আর মাত্র ক দিন বাদেই ধান কাটবে সোনা মিয়া।
ধান কাটার কথা মনে হলেই আনন্দে ভরে উঠে সোনা মিয়ার মন।সোনা মিয়ার বউ ধান উঠানোর জন্য বাড়ির আঙিনা পরিস্কার করে লেপ পোচ দেয়।নতুন ধান বলে কথা।
ধানের গোলা,ডুলি,খাদিতে গোবর মাটি দিয়ে লেপে রোদ্রে শুকাতে দিয়েছে সোনা মিয়ার বউ।দুপুর গড়িয়ে বিকেল,মরিচের ক্ষেতে নিড়ানি দিয়ে পালান থেকে দুধের গাভীটা নিয়ে বাড়ি ফিরে সোনা মিয়া। গাভীটারে পানি খাওয়ায়ে পুকুরে গোসল করতে যায় সোনা মিয়া।বাবার সাথে গোসল করবে বলে সোনা মিয়ার ছেলে রমিজ ও দৌড়ে য়ায় পুকুর ঘাটে। বাপ বেটা গোসল সেরে বাড়ি ফিরে দেখে রমিজের মা ভাত বেড়ে বসে আছে।ঘরের দাওয়ায় মুছলা পেতে রৌদ্রে বসে ভাত খায় বাপ বেটা।মুলার শাকের সাথে শুকনা চিংরির তরকারী দিয়ে পেট ভরে ভাত খেয়ে সুখের ঢেকুর তিলে সোনা মিয়া।
কলকিতে তামাক সাজিয়ে বউকে ডেকে বলে,শুনছো বউ আইজ থাইক্কা ধান পাহারা দিতে যাইতে অইবো।দেশের যা অবস্থা কখন যে চুরে সব ধান সাবার কইরা দিব কে জানে।গত রাইতে উত্তর পাড়ার কলিম চাচার এক বিঘা জমির ধান চুরে কাইট্টা নিয়া গেছে।তার উপরে রাক্কুয়ালদের অত্যাচার ও কম না।রাইতে নাহি গরু চাইরা দেয় ধান ক্ষেতে।আমি আর রাইতে কিছু কামুনা,পারলে কয় হান চিড়া একটু গুর দিয়া দিইও খিদা লাগলে না হয় খাইয়া লইবো।

ধীরে ধীরে সন্ধ্যা গনিয়ে আসে।ঘরের আরা থেকে বাঁশের শক্ত একখান লাটি বের করে সোনা মিয়া,খেরের টাল থেকে লম্বা করে খেরের বেণী ফাকায়,হুক্কায় নতুন করে পানি ভরে,এক পুটলা তামাক নিয়ে বৌকে চললাম বলে বেরিয়ে পড়ে সোনা মিয়া।কিসের একটা পুটলাটা নিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে আসে সোনা মিয়ার বউ,লাটির এক প্রান্তে পুটলাটা বাঁধতে বাঁধতে বৌ বলে সাবধানে থাকবেন,মাঠে ঘাটে কত কিছুই তো থাহে।তুই কোন চিন্তা করিসনা বউ বলে আল্লাহর নামে বেড়িয়ে পড়ে সোনা মিয়া।

বাড়ি থেকে কিছুটা উত্তর পাশে এলেই বড় রাস্তা,বড় রাস্তা পেরুলেই ফসলের মাঠ।যে দিগে চোখ যায় শুধু ধান আর ধান। বড় রাস্তার পাশে এসেই শিমুল গাছটা তলায় বসে পড়ে সোনা মিয়া।কলকেতে তামাক সাজিয়ে হুক্কায় টানতে টানতে আবার মাঠের উদ্দেশে বেড়িয়ে পড়ে সে।হাল্কা আলা আঁধারিতে জমির আইল ধরে হাটতে থাকে এক সময় তার নিজের জমির আইলে এসে দাঁড়ায়।
চার দিগে চোখ বুলিয়ে নেয় সে,না সব ঠিক আছে মনে হয়।

পুবের আইলের মাঝা মাঝি এসে বসে সে,এ জায়গাটা একটু প্রসস্থ বেশি। লাটিটা ক্ষেতের আইলে পুতে পেলে সোনা মিয়া।আবার কলকিতে তামাক সাজায়,হুক্কায় টানতে টানতে ক্ষেতের আইল ধরে হাটতে থাকে,ক্ষেতে চার পাশটা ভাল করে দেখে আবার লাটিটার কাছে এসে বসে।
হুক্কাটা আইলের মধ্যে হেলান দিয়ে রেখে দেয়।
তাকিয়ে থাকে ধান ক্ষেতের পানে,নিকষ অন্ধকারে ও যেন ধান গুলোকে ষ্পষ্ট দেখতে পায়,উঠে দাঁড়ায় সোনা মিয়া। অনেক কষ্টের ফসল তার।কখনো খেয়ে কখনো না খেয়ে কতই না কেটেছে দিন রাত,এইতো সেদিন বানের পানি নেমে যাওয়ার কঁচি কঁচি ধানের চারা গুলি পরম মমতায় রুপন করেছিল জমিতে।আর ক দিনেই তর তর করে বেড়ে উঠে ধান গাছ গুলি। এক সময় তৌর আসে,তৌর গুলি আজ এক একটা কাঁচা পাকা ধানের শীষ।ধানের শীষ গুলি ছোঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করে সোনা মিয়ার। নেমে পড়ে জমিতে,এক গুচা ধান বুকের সাথে জরিয়ে ধরে থাকে কিছুক্ষণ।নতুন ধানের গন্ধ শুকে,জ্বল জ্বল করে উঠে তার চোখ,অন্ধকারের মাঝেও ধান গুলি যেন সোনার মত চকচক করে উঠে।

এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক বিতরণ করছেন ছাত্রলীগ নেতা

» শেরপুরে এবার তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠির বাসা ভাড়ার টাকা দিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

» করোনা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

» করোনা পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী

» করোনায় মারা গেলেন ফেনীর সিভিল সার্জন

» এবার কোরবানির পশু পরিবহন রেল

» এবার মাশরাফির স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত

» শ্যামলবাংলা২৪ডটকমে খবর প্রকাশের পর শিকলে বন্দি সেই নারীর দায়িত্ব নিলো জেলা প্রশাসন

» ময়মনসিংহে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে শুকনো খাবার সামগ্রী পৌঁছে দিলেন আর্টডক সেনা সদস্যরা

» দেশে করোনায় আরও ৫৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০২৭

» শেরপুরে নানা আয়োজনে যুব মহিলা লীগের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

» এন্ড্রু কিশোরের বর্ণাঢ্য জীবন

» বান্দরবানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ৬

» শেরপুরে পুলিশ-স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত : মোট আক্রান্ত ২৫৪

» এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৯:৩৬ | মঙ্গলবার | ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মোঃ জামাল উদ্দিন’র ছোট গল্প ‘কৃষকের হেমন্ত’

ছোট গল্পঃ
কৃষকের হেমন্ত
*************
লেখক : মোঃ জামাল উদ্দিন

img-add

আশ্বিনের শেষে কার্তিকের সকালের সোনা রোদ একটু একটু মিষ্টি লাগতে শুরু করে।বুঝা যায় হেমন্ত প্রকৃতির দোয়ারে।সকাল সন্ধ্যায় বইতে শুরু করে উত্তরের হাওয়া। একটু একটু ঠান্ডা পরতে শুরু করে। মাঠে মাঠে তখন কাঁচা পাকা ধান। ধানের শীষ তখন বাতাসে দুল খায়। কাঁচা পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে বাতাস ভারি হয়ে উঠে।আর মাত্র ক দিন,তারপরেই সমস্ত মাঠ পাকা ধানে সোনা রূপ ধারন করবে।শুরু হবে কৃষাণ পাড়ায় ধান উঠানোর উৎসব।সোনার ধানে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা।
দুই বিঘা জমির চাষী সোনা মিয়া।অন্য সব চাষীর মতই সোনা মিয়ার জমিতেও আধা পাকা ধান।
আর মাত্র ক দিন বাদেই ধান কাটবে সোনা মিয়া।
ধান কাটার কথা মনে হলেই আনন্দে ভরে উঠে সোনা মিয়ার মন।সোনা মিয়ার বউ ধান উঠানোর জন্য বাড়ির আঙিনা পরিস্কার করে লেপ পোচ দেয়।নতুন ধান বলে কথা।
ধানের গোলা,ডুলি,খাদিতে গোবর মাটি দিয়ে লেপে রোদ্রে শুকাতে দিয়েছে সোনা মিয়ার বউ।দুপুর গড়িয়ে বিকেল,মরিচের ক্ষেতে নিড়ানি দিয়ে পালান থেকে দুধের গাভীটা নিয়ে বাড়ি ফিরে সোনা মিয়া। গাভীটারে পানি খাওয়ায়ে পুকুরে গোসল করতে যায় সোনা মিয়া।বাবার সাথে গোসল করবে বলে সোনা মিয়ার ছেলে রমিজ ও দৌড়ে য়ায় পুকুর ঘাটে। বাপ বেটা গোসল সেরে বাড়ি ফিরে দেখে রমিজের মা ভাত বেড়ে বসে আছে।ঘরের দাওয়ায় মুছলা পেতে রৌদ্রে বসে ভাত খায় বাপ বেটা।মুলার শাকের সাথে শুকনা চিংরির তরকারী দিয়ে পেট ভরে ভাত খেয়ে সুখের ঢেকুর তিলে সোনা মিয়া।
কলকিতে তামাক সাজিয়ে বউকে ডেকে বলে,শুনছো বউ আইজ থাইক্কা ধান পাহারা দিতে যাইতে অইবো।দেশের যা অবস্থা কখন যে চুরে সব ধান সাবার কইরা দিব কে জানে।গত রাইতে উত্তর পাড়ার কলিম চাচার এক বিঘা জমির ধান চুরে কাইট্টা নিয়া গেছে।তার উপরে রাক্কুয়ালদের অত্যাচার ও কম না।রাইতে নাহি গরু চাইরা দেয় ধান ক্ষেতে।আমি আর রাইতে কিছু কামুনা,পারলে কয় হান চিড়া একটু গুর দিয়া দিইও খিদা লাগলে না হয় খাইয়া লইবো।

ধীরে ধীরে সন্ধ্যা গনিয়ে আসে।ঘরের আরা থেকে বাঁশের শক্ত একখান লাটি বের করে সোনা মিয়া,খেরের টাল থেকে লম্বা করে খেরের বেণী ফাকায়,হুক্কায় নতুন করে পানি ভরে,এক পুটলা তামাক নিয়ে বৌকে চললাম বলে বেরিয়ে পড়ে সোনা মিয়া।কিসের একটা পুটলাটা নিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে আসে সোনা মিয়ার বউ,লাটির এক প্রান্তে পুটলাটা বাঁধতে বাঁধতে বৌ বলে সাবধানে থাকবেন,মাঠে ঘাটে কত কিছুই তো থাহে।তুই কোন চিন্তা করিসনা বউ বলে আল্লাহর নামে বেড়িয়ে পড়ে সোনা মিয়া।

বাড়ি থেকে কিছুটা উত্তর পাশে এলেই বড় রাস্তা,বড় রাস্তা পেরুলেই ফসলের মাঠ।যে দিগে চোখ যায় শুধু ধান আর ধান। বড় রাস্তার পাশে এসেই শিমুল গাছটা তলায় বসে পড়ে সোনা মিয়া।কলকেতে তামাক সাজিয়ে হুক্কায় টানতে টানতে আবার মাঠের উদ্দেশে বেড়িয়ে পড়ে সে।হাল্কা আলা আঁধারিতে জমির আইল ধরে হাটতে থাকে এক সময় তার নিজের জমির আইলে এসে দাঁড়ায়।
চার দিগে চোখ বুলিয়ে নেয় সে,না সব ঠিক আছে মনে হয়।

পুবের আইলের মাঝা মাঝি এসে বসে সে,এ জায়গাটা একটু প্রসস্থ বেশি। লাটিটা ক্ষেতের আইলে পুতে পেলে সোনা মিয়া।আবার কলকিতে তামাক সাজায়,হুক্কায় টানতে টানতে ক্ষেতের আইল ধরে হাটতে থাকে,ক্ষেতে চার পাশটা ভাল করে দেখে আবার লাটিটার কাছে এসে বসে।
হুক্কাটা আইলের মধ্যে হেলান দিয়ে রেখে দেয়।
তাকিয়ে থাকে ধান ক্ষেতের পানে,নিকষ অন্ধকারে ও যেন ধান গুলোকে ষ্পষ্ট দেখতে পায়,উঠে দাঁড়ায় সোনা মিয়া। অনেক কষ্টের ফসল তার।কখনো খেয়ে কখনো না খেয়ে কতই না কেটেছে দিন রাত,এইতো সেদিন বানের পানি নেমে যাওয়ার কঁচি কঁচি ধানের চারা গুলি পরম মমতায় রুপন করেছিল জমিতে।আর ক দিনেই তর তর করে বেড়ে উঠে ধান গাছ গুলি। এক সময় তৌর আসে,তৌর গুলি আজ এক একটা কাঁচা পাকা ধানের শীষ।ধানের শীষ গুলি ছোঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করে সোনা মিয়ার। নেমে পড়ে জমিতে,এক গুচা ধান বুকের সাথে জরিয়ে ধরে থাকে কিছুক্ষণ।নতুন ধানের গন্ধ শুকে,জ্বল জ্বল করে উঠে তার চোখ,অন্ধকারের মাঝেও ধান গুলি যেন সোনার মত চকচক করে উঠে।

এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!