রাত ৩:৫৮ | বুধবার | ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মালিকের ফিফটির কাছে হারল বাংলাদেশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মিডল অর্ডারের শক্তি খসে গেছে বাংলাদেশের। মুশফিক না থাকায় ব্যাটিং অর্ডারেও করতে হয়েছে কাঁটাছেড়া। যা দলের জন্য সুফল বয়ে আনেনি। পাকিস্তান আবার মিডল অর্ডারের অভিজ্ঞতা ও শক্তি বাড়াতে শোয়েব মালিকের স্মরণাপন্ন হয়। মালিক ফিফটি করে দলকে ৫ উইকেটে জিতিয়ে ফেরেন। বুঝিয়ে দেন এমন অনেক ম্যাচ জয়ের কালের সাক্ষী তিনি।

img-add

টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভালো শুরু করে। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার ১১ ওভার খেলে তোলেন ৭১ রান। ওই ‘ভালো খেলাটাই’ যেন কাল হলো দলের জন্য। টি-২০ ফরম্যাটে দুই ওপেনারই খেলেন ওয়ানডে গতিতে। অ্যাংকরিং করেন দু’জনই। কিন্তু রান বাড়াতে ব্যাট তোলেননি কেউ। বাংলাদেশের ইনিংসও তাই শেষ পর্যন্ত বড় হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।
দলের হয়ে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ৩৪ বলে খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস। বিপিএলের মতো পাকিস্তান সফরেও প্রথম ম্যাচে সফল তিনি। কিন্তু তার ওই নামমাত্র ভালো খেলা কিংবা সফলতা দলের কাজে আসলো না। অন্য ওপেনার নাঈম শেখও তামিমের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ব্যাটিং করেন। তিনি খেলেন ৪১ বলে ৪৩ রানের ইনিংস।
এরপর লিটন দাস ক্রিজে এসে ধুঁকতে থাকেন। তামিমের মতো রান আউট হয়ে ফেরেন ১৩ বলে ১২ রান করে। পরে মাহমুদুল্লাহ-আফিফদের একটা ধাক্কা দিয়ে দলের রান বড় করতে হতো। কিন্তু পাকিস্তান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তারা সেটা পারেননি
ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায়। দলের সেরা ব্যাটসম্যান এবং টি-২০ অধিনায়ক বাবর আযম গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন শফিউলের বলে। এরপর মোহাম্মদ হাফিজ ও আহসান আলী যথাক্রমে ১৭ ও ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ম্যাচ তখনও পক্ষে ছিল বাংলাদেশের। ইফতিখারকে ১৬ রানে ফিরিয়ে জয়ের আশাও জাগায় বাংলাদেশ।
কিন্তু টার্নিং পয়েন্টে শোয়েব মালিককে আউট করার পথ বের করতে পারেনি রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। তিনি ৪৫ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে জেতান। ফিফটির আগে অবশ্য মালিকের একটা ক্যাচ ফেলে দেন নাজমুল শান্ত। ক্যাচটা নিতে পারলে ম্যাচটা হয়তো আর একটু কঠিন হতো পাকিস্তানের। ম্যাচটা শেষ হতে পারতো বাংলাদেশের জয়ে। আবার পাকিস্তান তাদের জয় পাওয়া বলটায়ও ক্যাচ দেয়। মোহাম্মদ মিঠুন সেটা নিতে পারলেও হারটা ছোট হতো বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক ম্যাচে হ্যারিস রউফ ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। শাদাব খান ৪ ওভারে দেন ২৬ রান। নেন ১ উইকেট। এছাড়া দারুণ বল করা শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট।
বাংলাদেশের হয়ে শফিউল ইসলাম নেন ২ উইকেট। আল আমিন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪ ওভারে দেন ১৮ রান। উইকেট পান একটি। আমিনুল তার ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় দখল করেন একটি উইকেট। দুই দলের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে তিনি উইকেট নেন একটা। বিপিএলের শেষ দিকে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেওয়া এই পেসার আবার বিবর্ণ।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি ॥ তালাত মাহমুদ

» বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বইমেলায় সহায়তা করবে কলকাতার গিল্ড

» শাকিব-নুসরাত জুটির ‘লন্ডন লাভ’

» ‘কারখানাতেই যৌন হয়রানির শিকার ৮০ ভাগ পোশাক শ্রমিক’ : অ্যাকশন এইড

» ভারতের আহমেদাবাদে ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন করবেন ট্রাম্প

» ঝিনাইগাতীর মালিঝিকান্দা ইউনিয়নে অসচ্ছল ভাতাভোগীদের উন্মুক্ত বাছাই

» আঁখি আলমগীরের নতুন গানচিত্র ‘তোমার কারণে’

» শেরপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে নকলার ৩ ইউনিয়নে টিউবওয়েল বিতরণ

» পড়ালেখা শিখে সরকারি কর্মকর্তা হতে চায় প্রতিবন্ধী তুহিন

» মেসির মুকুটে আরও একটি পালক

» বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন শেখ হাসিনা

» ২০২৩ সাল থেকে নতুন টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে আইসিসি

» রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি বিরল সম্মান : সেনা প্রধান

» শেরপুরে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব উরস শরীফ

» ১৭ বছর পর ছেলে খুঁজে পেলেন তার মাকে

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৩:৫৮ | বুধবার | ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মালিকের ফিফটির কাছে হারল বাংলাদেশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মিডল অর্ডারের শক্তি খসে গেছে বাংলাদেশের। মুশফিক না থাকায় ব্যাটিং অর্ডারেও করতে হয়েছে কাঁটাছেড়া। যা দলের জন্য সুফল বয়ে আনেনি। পাকিস্তান আবার মিডল অর্ডারের অভিজ্ঞতা ও শক্তি বাড়াতে শোয়েব মালিকের স্মরণাপন্ন হয়। মালিক ফিফটি করে দলকে ৫ উইকেটে জিতিয়ে ফেরেন। বুঝিয়ে দেন এমন অনেক ম্যাচ জয়ের কালের সাক্ষী তিনি।

img-add

টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভালো শুরু করে। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার ১১ ওভার খেলে তোলেন ৭১ রান। ওই ‘ভালো খেলাটাই’ যেন কাল হলো দলের জন্য। টি-২০ ফরম্যাটে দুই ওপেনারই খেলেন ওয়ানডে গতিতে। অ্যাংকরিং করেন দু’জনই। কিন্তু রান বাড়াতে ব্যাট তোলেননি কেউ। বাংলাদেশের ইনিংসও তাই শেষ পর্যন্ত বড় হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।
দলের হয়ে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ৩৪ বলে খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস। বিপিএলের মতো পাকিস্তান সফরেও প্রথম ম্যাচে সফল তিনি। কিন্তু তার ওই নামমাত্র ভালো খেলা কিংবা সফলতা দলের কাজে আসলো না। অন্য ওপেনার নাঈম শেখও তামিমের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ব্যাটিং করেন। তিনি খেলেন ৪১ বলে ৪৩ রানের ইনিংস।
এরপর লিটন দাস ক্রিজে এসে ধুঁকতে থাকেন। তামিমের মতো রান আউট হয়ে ফেরেন ১৩ বলে ১২ রান করে। পরে মাহমুদুল্লাহ-আফিফদের একটা ধাক্কা দিয়ে দলের রান বড় করতে হতো। কিন্তু পাকিস্তান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তারা সেটা পারেননি
ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায়। দলের সেরা ব্যাটসম্যান এবং টি-২০ অধিনায়ক বাবর আযম গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন শফিউলের বলে। এরপর মোহাম্মদ হাফিজ ও আহসান আলী যথাক্রমে ১৭ ও ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ম্যাচ তখনও পক্ষে ছিল বাংলাদেশের। ইফতিখারকে ১৬ রানে ফিরিয়ে জয়ের আশাও জাগায় বাংলাদেশ।
কিন্তু টার্নিং পয়েন্টে শোয়েব মালিককে আউট করার পথ বের করতে পারেনি রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। তিনি ৪৫ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে জেতান। ফিফটির আগে অবশ্য মালিকের একটা ক্যাচ ফেলে দেন নাজমুল শান্ত। ক্যাচটা নিতে পারলে ম্যাচটা হয়তো আর একটু কঠিন হতো পাকিস্তানের। ম্যাচটা শেষ হতে পারতো বাংলাদেশের জয়ে। আবার পাকিস্তান তাদের জয় পাওয়া বলটায়ও ক্যাচ দেয়। মোহাম্মদ মিঠুন সেটা নিতে পারলেও হারটা ছোট হতো বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক ম্যাচে হ্যারিস রউফ ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। শাদাব খান ৪ ওভারে দেন ২৬ রান। নেন ১ উইকেট। এছাড়া দারুণ বল করা শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট।
বাংলাদেশের হয়ে শফিউল ইসলাম নেন ২ উইকেট। আল আমিন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪ ওভারে দেন ১৮ রান। উইকেট পান একটি। আমিনুল তার ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় দখল করেন একটি উইকেট। দুই দলের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে তিনি উইকেট নেন একটা। বিপিএলের শেষ দিকে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেওয়া এই পেসার আবার বিবর্ণ।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!