বিকাল ৪:১৯ | বুধবার | ৮ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জের ৫ উপজেলায় অবাধে চলছে নাম্বারবিহীন ৫ শতাধিক সিএনজি অটোরিক্সা

মো.শাহ্ আলম, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা সহ ৫টি উপজেলা শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর-টাংঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সহ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবাধে চলছে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন সি.এন.জি অটোরিক্সা অথচ প্রশাসনের নেই কার্যকরী কোন পদক্ষেপ ।তাই সড়ক দূঘর্টনা যেন প্রতিদিনের সঙ্গী ।
সিএনজি গুলোর চালক অধিকাংশ অদক্ষ যাদের নাই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রোড পারর্মিট। আর এ কারনেই প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন সি.এন.জি অটোরিক্সা গুলো দীর্ঘদিন যাবত এই সড়কে চলাচল করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় মাঝে মাঝে যেমন দূঘর্টনা অন্যদিকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় থেকে প্রতি বছর বঞ্চিত হচ্ছে। আর এই সকল সড়কে প্রতিদিন দূর্ঘটনার কবলে পড়ে মানুষের জীবন সহ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারন মানুষ। গত ৫ বৎসর পূর্বে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কে কোন সি.এন.জি ছিল না। বর্তমানে এই উপজেলা গুলোতে প্রায় ৫ শতাধিক সি.এন.জি অটোরিক্সা চলাচল করছে। ফলে অধিক রোজগারের আশায় দক্ষ ও অদক্ষ সি.এন.জি অটোরিক্সা চালকগন বেপরোয়া ভাবে চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়তই মৃত্যু সহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটেই চলচ্ছে। রাস্তায় চলাচলকারী বেশির ভাগ সি.এন.জি অটোরিক্সা রেজিষ্ট্রেশন বিহীন আর এ সকল প্রায় সব সি.এন.জি চালকই এক সময়ের ঘোড়ার গাড়ী ও রিক্সা, ভ্যান চালক ছিল। বর্তমানে তারা সি.এন.জি অটোরিক্সা চালক হওয়ায় দূর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অদক্ষ চালকদের নেই কোন রোড পার্মিট (ড্রাইভিং লাইসেন্স)। অপরদিকে এই সি.এন.জি গুলো যদি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় তাহলে সরকারের তহবিলে প্রচুর পরিমান টাকা রাজস্ব জমা হবে।
এ বিষয়ে দূর্ঘটনায় আহত চকহরিচরণ গ্রামের আইয়ূব আলী সহ একাধিক পথচারী জানান- বর্তমানে রাস্তায় অদক্ষ সি.এন.জি চালকর সংখ্যাই বেশি। এ কারনে অদক্ষ সি.এন.জি চালকগন দ্রুত গতিতে ওভার ট্রেকিং করার জন্য পথচারীকে চাপা দিতেও দ্বিধা বোধ করে না। একটু জায়গা পেলেই তারা বাস, লেগুনা, টেম্পু, রিক্সা সহ সকল যানবাহনকে ওভার ট্রেকিং করে থাকে। যার ফলে প্রতিনিয়তই সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে। সি.এন.জি চালকগন অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ হওয়ার কারনে বুঝতে পারেনা যে কোন জায়গাতে তারা ওভার ট্রেকিং করতে পারবে আর কোন জায়গাতে পারবে না। তাদের এই ওভার ট্রেকিং এর প্রবণতার ফলে সাধারন পথচারী হয় দূর্ঘটনার শিকার।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ করতে ইনচ্ছুক লোক বলেন থানা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব যানবাহন রোডে চলাচল করছে ।আর এ কারনেই একের এক দূ ঘর্টনা ঘটচ্ছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত জানান-প্রশাসনের পক্ষথেকে ইতিমধ্যেই মাইকিংয়ের মাধ্যমে চালকদের অবগতি করা হয়েছে ।যে সকল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ীর কাগজপএ নাই সে সকল গাড়ী গুলো মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আটক করে চালক ও গাড়ীর মালিকের বিরেুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে । যে সকল গাড়ীর কাগজপএ ঠিকনাই সে সকল গাড়ী রোডে চলতে দেয়া হবে না ।

এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» প্রয়োজনে সীমিত আকারে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা, সংসদে বিল পাস

» ৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগ দেবে বিআইডব্লিউটিএ

» ভাঙছে এফডিসি, প্রস্তুত কবিরপুরের ফিল্ম সিটি

» করোনা সংকটে দৃঢ় মনোবল নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে: কাদের

» দেশে করোনায় আরও ৪৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৮৯

» ইউটিউবে পছন্দের তালিকার শীর্ষে সুশান্তের ছবির ট্রেলার

» মানবপাচারের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে : শেখ হাসিনা

» বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ, মৃত্যু ছাড়াল ৫ লাখ ৪৩ হাজার

» ৪ মাস পর মাঠে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

» ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্রের দায়িত্ব পেলেন আমু

» চীনে শিক্ষার্থীবাহী বাস ডুবে ২১ জনের মৃত্যু

» শেরপুরে বৃক্ষরোপণ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করলেন হুইপ আতিক

» শেরপুরে করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক বিতরণ করছেন ছাত্রলীগ নেতা

» শেরপুরে এবার তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠির বাসা ভাড়ার টাকা দিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

» করোনা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  বিকাল ৪:১৯ | বুধবার | ৮ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৪শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জের ৫ উপজেলায় অবাধে চলছে নাম্বারবিহীন ৫ শতাধিক সিএনজি অটোরিক্সা

মো.শাহ্ আলম, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা সহ ৫টি উপজেলা শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর-টাংঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সহ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবাধে চলছে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন সি.এন.জি অটোরিক্সা অথচ প্রশাসনের নেই কার্যকরী কোন পদক্ষেপ ।তাই সড়ক দূঘর্টনা যেন প্রতিদিনের সঙ্গী ।
সিএনজি গুলোর চালক অধিকাংশ অদক্ষ যাদের নাই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রোড পারর্মিট। আর এ কারনেই প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন সি.এন.জি অটোরিক্সা গুলো দীর্ঘদিন যাবত এই সড়কে চলাচল করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় মাঝে মাঝে যেমন দূঘর্টনা অন্যদিকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় থেকে প্রতি বছর বঞ্চিত হচ্ছে। আর এই সকল সড়কে প্রতিদিন দূর্ঘটনার কবলে পড়ে মানুষের জীবন সহ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারন মানুষ। গত ৫ বৎসর পূর্বে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কে কোন সি.এন.জি ছিল না। বর্তমানে এই উপজেলা গুলোতে প্রায় ৫ শতাধিক সি.এন.জি অটোরিক্সা চলাচল করছে। ফলে অধিক রোজগারের আশায় দক্ষ ও অদক্ষ সি.এন.জি অটোরিক্সা চালকগন বেপরোয়া ভাবে চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়তই মৃত্যু সহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটেই চলচ্ছে। রাস্তায় চলাচলকারী বেশির ভাগ সি.এন.জি অটোরিক্সা রেজিষ্ট্রেশন বিহীন আর এ সকল প্রায় সব সি.এন.জি চালকই এক সময়ের ঘোড়ার গাড়ী ও রিক্সা, ভ্যান চালক ছিল। বর্তমানে তারা সি.এন.জি অটোরিক্সা চালক হওয়ায় দূর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অদক্ষ চালকদের নেই কোন রোড পার্মিট (ড্রাইভিং লাইসেন্স)। অপরদিকে এই সি.এন.জি গুলো যদি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় তাহলে সরকারের তহবিলে প্রচুর পরিমান টাকা রাজস্ব জমা হবে।
এ বিষয়ে দূর্ঘটনায় আহত চকহরিচরণ গ্রামের আইয়ূব আলী সহ একাধিক পথচারী জানান- বর্তমানে রাস্তায় অদক্ষ সি.এন.জি চালকর সংখ্যাই বেশি। এ কারনে অদক্ষ সি.এন.জি চালকগন দ্রুত গতিতে ওভার ট্রেকিং করার জন্য পথচারীকে চাপা দিতেও দ্বিধা বোধ করে না। একটু জায়গা পেলেই তারা বাস, লেগুনা, টেম্পু, রিক্সা সহ সকল যানবাহনকে ওভার ট্রেকিং করে থাকে। যার ফলে প্রতিনিয়তই সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে। সি.এন.জি চালকগন অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ হওয়ার কারনে বুঝতে পারেনা যে কোন জায়গাতে তারা ওভার ট্রেকিং করতে পারবে আর কোন জায়গাতে পারবে না। তাদের এই ওভার ট্রেকিং এর প্রবণতার ফলে সাধারন পথচারী হয় দূর্ঘটনার শিকার।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ করতে ইনচ্ছুক লোক বলেন থানা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব যানবাহন রোডে চলাচল করছে ।আর এ কারনেই একের এক দূ ঘর্টনা ঘটচ্ছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত জানান-প্রশাসনের পক্ষথেকে ইতিমধ্যেই মাইকিংয়ের মাধ্যমে চালকদের অবগতি করা হয়েছে ।যে সকল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ীর কাগজপএ নাই সে সকল গাড়ী গুলো মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আটক করে চালক ও গাড়ীর মালিকের বিরেুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে । যে সকল গাড়ীর কাগজপএ ঠিকনাই সে সকল গাড়ী রোডে চলতে দেয়া হবে না ।

এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!