রাত ১০:৪০ | রবিবার | ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজুড়ে পর্যটন ব্যবসায় ধস : ৩ হাজার কোটি ডলার লোকসানের শঙ্কা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী পর্যটনসংশ্লিষ্ট সব ধরনের ব্যবসায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। সমগ্র অর্থনীতি যেমন বাধাগ্রস্ত তেমনি বিশ্ব পর্যটন প্রায় স্থবির। করোনা মোকাবেলায় লন্ডন থেকে শুরু করে নিউইয়র্ক, প্যারিস- সবখানেই হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিমান পরিবহন অনেকটা বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক মন্দা শুরু হয়ে গেছে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় পর্যটনে ক্ষতি হয়েছিল ৭৭০ কোটি মার্কিন ডলার, অন্যদিকে ২০০২ সালে সার্স ভাইরাসের প্রভাবে পর্যটনে লোকসান হয়েছিল ৮২০ কোটি ডলার এবং ২০২০ সালে করোনাভাইরাসে পর্যটনে ৩ হাজার কোটি ডলার লোকসানের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ২০১৯ সালে ৮৪০ কোটি মানুষ বিশ্ব ভ্রমণ করেছে। স্পেনে ভ্রমণ করেছে ১ কোটি ৮০ লাখ, চীনে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ও ভারতে প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ। বিশ্বব্যাপী হোটেল, রেস্তোরাঁ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হোটেল বুকিং প্রায় শতভাগ কমেছে। কানাডাতে এ সময় হোটেল বুকিং কমেছে ৯৪ শতাংশ, ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ জার্মানিতে কমেছে ৯০ শতাংশ, আয়ারল্যান্ডে ৮৬, যুক্তরাষ্ট্রে ৮৪ এবং যুক্তরাজ্যে ৮২ শতাংশ।

img-add

ভাইরাসের আতঙ্কে মাটিতে নেমে এসেছে এয়ারলাইনস বা এভিয়েশন শিল্প খাত। কেন না, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষ ভ্রমণ স্থগিত রেখেছে। পর্যটন খাত বড় ধরনের বিপদে আছে। মানুষ সফর কম করছে বলে অনেক এয়ারলাইনস এখন আর আকাশে উড়ছে না। বিমান পরিবহনে চীন, হংকং ও তাইওয়ান সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে। আবার একই অঞ্চলের বড় অর্থনীতির দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও নাজুক। তাদের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে আছে। আবার দূরের দেশগুলোর মধ্যে কানাডা তাদের ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে ৫৮ শতাংশ এবং রাশিয়া ৬৭ শতাংশ। এক মাসে চীনের ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে ৯১ শতাংশ, তাইওয়ানের ৯০ দশমিক ৬, হংকংয়ে ৮৬ দশমিক ৪, ভিয়েতনামে ৮৫ দশমিক ৯, থাইল্যান্ডে ৭৬ দশমিক ৯, মালয়েশিয়ায় ৭৫ দশমিক ২, জাপানে ৭৪ দশমিক ৬, দক্ষিণ কোরিয়ার ৬৯ দশমিক ৩, কানাডার ৫৮ দশমিক ২ এবং কম্বোডিয়ার ফ্লাইট বন্ধ ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ। থাইল্যান্ডে মোট পর্যটকের ৩০ শতাংশ চীনা পর্যটক। থাইল্যান্ড ট্যুরিজম অথরিটি সূত্র অনুযায়ী থাইল্যান্ডে পর্যটন থেকে ৩০৫ কোটি ডলার আয় কমতে পারে।
ভিয়েতনামে ৫০৯ কোটি ডলার, ইন্দোনিশায় পর্যটন দ্বীপ বালিতে ২০ হাজার হোটেল বুকিং বাতিল করা হয়েছে বিধায় ৪০০ কোটি ডলার লোকসানের সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আইএটিএ) সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানায়, ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন কমে গেছে ২০ শতাংশের বেশি। আইএটিএ’র ধারণা ছিল এ বছরও বিমানের যাত্রী চাহিদা বাড়বে। তবে সেই বক্তব্য সংশোধন করে তারা জানিয়েছে, এক দশকের মধ্যে অর্থাৎ ২০০৮-০৯ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে প্রথমবারের মতো এ বছর যাত্রী পরিবহন কমছে। তাই খরচ কমাতে বড় উড়োজাহাজের পরিবর্তে ছোট উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রী বহন করছিল বিমান সংস্থাগুলো। কিন্তু তাতেও লোকসানের বোঝা কমাতে পারছে না। তাই ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়েছে সংস্থাগুলো। বাতিল করা হয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব প্যাকেজ ট্যুর।
আইএটিএ’র এই সতর্ক বাণীর সত্যতা এরই মধ্যে অনুভব করতে শুরু করেছে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান। অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা কান্তাস এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, করোনা সংকটে এই আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ভাগে তাদের কর-পূর্ব মুনাফা দশ কোটি মার্কিন ডলার কম হতে পারে। এছাড়া এয়ার ফ্রান্স- কেএলএম জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে ফেব্রুয়ারি
থেকে এপ্রিলের মধ্যে তাদের আয় ২১ কোটি ৬০ লাখ ডলার কমে যাবে। আইএটিএ’র মহাপরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলেকজাঁদ্র দ্য জুনিয়াক বলেন, কোভিড-১৯’র (করোনাভাইরাসে সৃষ্ট রোগ) কারণে চাহিদার তীব্র মন্দায় বিমান সংস্থাগুলোতে- বিশেষ করে চীনা বাজারের সংস্পর্শে আসাদের ওপর অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে। ২০২০ সাল এয়ারলাইনগুলোর জন্য ‘খুব কঠিন একটি বছর’ হতে চলেছে বলেও জানান তিনি।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে অনলাইন স্কুলের শুভেচ্ছা স্মারক পেলেন শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র ২ রিপোর্টার

» নেইমারের অধিনায়কত্বে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে খেলবে ব্রাজিল

» সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী

» ইউএনওর উপর হামলা : দায় স্বীকার করে রবিউলের জবানবন্দী

» শেরপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিআরটিএ’র বিশেষ সেবা সপ্তাহ শুরু

» সিনেমা হল খোলার সিদ্ধান্ত আসছে

» শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, প্রস্তুতি নিন: প্রধানমন্ত্রী

» শেরপুরে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

» নকলায় ৯৯৯-এ ফোন করে বাল্যবিবাহ বন্ধ : মেয়ের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

» করোনাকালীন মাতৃসেবায় মা-টেলিহেলথ সেন্টার

» ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

» করোনায় প্রাণ গেলো আরও ২৬ জনের

» আইপিএল: আজ মুখোমুখি দিল্লি-পাঞ্জাব

» মহেশের সিনেমায় বিদ্যা বালান

» বিএনপির গর্জন থাকলেও বর্ষণ নেই : ওবায়দুল কাদের

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১০:৪০ | রবিবার | ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজুড়ে পর্যটন ব্যবসায় ধস : ৩ হাজার কোটি ডলার লোকসানের শঙ্কা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী পর্যটনসংশ্লিষ্ট সব ধরনের ব্যবসায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। সমগ্র অর্থনীতি যেমন বাধাগ্রস্ত তেমনি বিশ্ব পর্যটন প্রায় স্থবির। করোনা মোকাবেলায় লন্ডন থেকে শুরু করে নিউইয়র্ক, প্যারিস- সবখানেই হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিমান পরিবহন অনেকটা বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক মন্দা শুরু হয়ে গেছে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় পর্যটনে ক্ষতি হয়েছিল ৭৭০ কোটি মার্কিন ডলার, অন্যদিকে ২০০২ সালে সার্স ভাইরাসের প্রভাবে পর্যটনে লোকসান হয়েছিল ৮২০ কোটি ডলার এবং ২০২০ সালে করোনাভাইরাসে পর্যটনে ৩ হাজার কোটি ডলার লোকসানের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ২০১৯ সালে ৮৪০ কোটি মানুষ বিশ্ব ভ্রমণ করেছে। স্পেনে ভ্রমণ করেছে ১ কোটি ৮০ লাখ, চীনে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ও ভারতে প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ। বিশ্বব্যাপী হোটেল, রেস্তোরাঁ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হোটেল বুকিং প্রায় শতভাগ কমেছে। কানাডাতে এ সময় হোটেল বুকিং কমেছে ৯৪ শতাংশ, ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ জার্মানিতে কমেছে ৯০ শতাংশ, আয়ারল্যান্ডে ৮৬, যুক্তরাষ্ট্রে ৮৪ এবং যুক্তরাজ্যে ৮২ শতাংশ।

img-add

ভাইরাসের আতঙ্কে মাটিতে নেমে এসেছে এয়ারলাইনস বা এভিয়েশন শিল্প খাত। কেন না, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষ ভ্রমণ স্থগিত রেখেছে। পর্যটন খাত বড় ধরনের বিপদে আছে। মানুষ সফর কম করছে বলে অনেক এয়ারলাইনস এখন আর আকাশে উড়ছে না। বিমান পরিবহনে চীন, হংকং ও তাইওয়ান সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে। আবার একই অঞ্চলের বড় অর্থনীতির দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও নাজুক। তাদের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে আছে। আবার দূরের দেশগুলোর মধ্যে কানাডা তাদের ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে ৫৮ শতাংশ এবং রাশিয়া ৬৭ শতাংশ। এক মাসে চীনের ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে ৯১ শতাংশ, তাইওয়ানের ৯০ দশমিক ৬, হংকংয়ে ৮৬ দশমিক ৪, ভিয়েতনামে ৮৫ দশমিক ৯, থাইল্যান্ডে ৭৬ দশমিক ৯, মালয়েশিয়ায় ৭৫ দশমিক ২, জাপানে ৭৪ দশমিক ৬, দক্ষিণ কোরিয়ার ৬৯ দশমিক ৩, কানাডার ৫৮ দশমিক ২ এবং কম্বোডিয়ার ফ্লাইট বন্ধ ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ। থাইল্যান্ডে মোট পর্যটকের ৩০ শতাংশ চীনা পর্যটক। থাইল্যান্ড ট্যুরিজম অথরিটি সূত্র অনুযায়ী থাইল্যান্ডে পর্যটন থেকে ৩০৫ কোটি ডলার আয় কমতে পারে।
ভিয়েতনামে ৫০৯ কোটি ডলার, ইন্দোনিশায় পর্যটন দ্বীপ বালিতে ২০ হাজার হোটেল বুকিং বাতিল করা হয়েছে বিধায় ৪০০ কোটি ডলার লোকসানের সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আইএটিএ) সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানায়, ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন কমে গেছে ২০ শতাংশের বেশি। আইএটিএ’র ধারণা ছিল এ বছরও বিমানের যাত্রী চাহিদা বাড়বে। তবে সেই বক্তব্য সংশোধন করে তারা জানিয়েছে, এক দশকের মধ্যে অর্থাৎ ২০০৮-০৯ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে প্রথমবারের মতো এ বছর যাত্রী পরিবহন কমছে। তাই খরচ কমাতে বড় উড়োজাহাজের পরিবর্তে ছোট উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রী বহন করছিল বিমান সংস্থাগুলো। কিন্তু তাতেও লোকসানের বোঝা কমাতে পারছে না। তাই ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়েছে সংস্থাগুলো। বাতিল করা হয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব প্যাকেজ ট্যুর।
আইএটিএ’র এই সতর্ক বাণীর সত্যতা এরই মধ্যে অনুভব করতে শুরু করেছে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান। অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা কান্তাস এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, করোনা সংকটে এই আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ভাগে তাদের কর-পূর্ব মুনাফা দশ কোটি মার্কিন ডলার কম হতে পারে। এছাড়া এয়ার ফ্রান্স- কেএলএম জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে ফেব্রুয়ারি
থেকে এপ্রিলের মধ্যে তাদের আয় ২১ কোটি ৬০ লাখ ডলার কমে যাবে। আইএটিএ’র মহাপরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলেকজাঁদ্র দ্য জুনিয়াক বলেন, কোভিড-১৯’র (করোনাভাইরাসে সৃষ্ট রোগ) কারণে চাহিদার তীব্র মন্দায় বিমান সংস্থাগুলোতে- বিশেষ করে চীনা বাজারের সংস্পর্শে আসাদের ওপর অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে। ২০২০ সাল এয়ারলাইনগুলোর জন্য ‘খুব কঠিন একটি বছর’ হতে চলেছে বলেও জানান তিনি।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!