প্রকাশকাল: 11 জুন, 2019

ববিতার অতিথি ৪৫ সুবিধাবঞ্চিত শিশু

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : নায়িকার বাড়ি বলে কথা! প্রধান ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চোখজুড়ানো জলাধার। লিফটে চড়ে বাড়ির ছাদে যেতেই পাখির কিচিরমিচির। আরেকটু এগোতেই বাঁশঝাড়, ঘাস, গাছ, ফুল, লতাপাতা। ইট–কাঠের এই নগরীতে একটু গ্রামীণ ছোঁয়া। বাড়িটিকে একটা ছোটখাটো গ্রামও বলা যেতে পারে।

১০ জুন সোমবার রাজধানীর গুলশানের ওই বাড়িতে নায়িকা ববিতা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ৪৫টি সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত তারা বরেণ্য এ অভিনয়শিল্পীর সান্নিধ্যে কাটায়। কয়েক বছর আগে ববিতা ডিসট্রেসড চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনালের (ডিসিআই) শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হন। ববিতার বাড়িতে আমন্ত্রিত এই শিশুদের নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। ওই শিশুদের জন্য বাড়তি পাওয়া ছিল ববিতার বড় বোন সুচন্দা ও ছোট বোন চম্পার সঙ্গে আড্ডার সুযোগ। তাদের নিয়েই একসঙ্গে দুপুরের খাবার খান তিন বোন।

ববিতার পাশাপাশি সুচন্দা ও চম্পাকে এত কাছাকাছি পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল প্রতিটি শিশু। তাদের আদর করে মজার সব খাবার খাইয়ে, গল্প করে মাতিয়ে রাখেন ববিতা। শিশুরাও নাচ–গান–আবৃত্তি করে মুগ্ধ করে সুচন্দা, ববিতা ও চম্পাকে। তাদের একজন গিটার বাজিয়ে গান শোনায় তিন নায়িকাকে। ববিতা বলেন, ‘এই নিষ্পাপ শিশুদের মাঝে আমি আনন্দ খুঁজে পাই। কয়েক বছর ধরে তারা আমার জন্মদিনেও নানা কর্মকাণ্ড করে চমকে দিচ্ছে। চোখের সামনে এই শিশুরা বেড়ে উঠছে। প্রতিটি শিশুই খুব মেধাবী, শুধু একটু সুযোগের অভাব ছিল তাদের। আমি তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরিতে কিছুটা অবদান রাখতে পারলে নিজেকে সার্থক মনে করব।’

আড়াই মাসের বেশি সময় কানাডায় ছেলের কাছে ছিলেন ববিতা। ঈদের আগে দেশে ফিরেছেন। এই ঈদে ববিতা নিজে পছন্দ করে এই শিশুদের নতুন জামা কিনে দিয়েছেন। নতুন পোশাক পরেই তারা বেড়াতে আসে ববিতার বাড়িতে। ববিতাকে উপহার হিসেবে তারা দিয়েছে হাতে তৈরি ঈদকার্ড। সুচন্দা বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কিছু করতে পারা, তাদের মুখে একটু হাসি ফোটানোর মধ্য দিয়ে সব সময়ই আনন্দ খুঁজে বেড়ায় ববিতা। এসব নিষ্পাপ শিশুকে নিয়ে তার এত সুন্দর আয়োজনে থাকতে পেরে আমিও আনন্দিত।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

error: Content is protected !!