বজ্রপাতের প্রকোপ : আমাদের করণীয়

ড. আবদুল আলীম তালুকদার

বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি বর্তমান সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আবহাওয়াবিদদের জরিপে জানা গেছে, গত তিন বছর যাবত সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশে বছরে গড়ে ৮০ থেকে ১২০ দিন বজ্রপাত হচ্ছে বলে গবেষণায় প্রকাশ। বজ্রপাতের কারণে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, তেমনি পরিবেশ দূষণের কারণেও বজ্রপাতের হার বেড়ে গেছে। আবহাওয়াবিদদের কাছে বজ্রপাতের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকলেও এর প্রতিকারে নেই তেমন কোন প্রস্তুতি। বাংলাদেশে আপাতদৃষ্টিতে (মার্চ-জুন) বজ্রপাত বেশি হয়। জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ায় বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যাও দিন দিন ক্রমশ: বাড়ছে।
লন্ডনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক নিউজ ২০০৪ সনে বজ্রপাতকে আবহাওয়া সম্পর্কিত দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করে এবং বাংলাদেশের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।
ঝড়-বৃষ্টির সময় আকাশে বিদ্যুতের ঝল্কানির সাথে সৃষ্ট প্রচ- শব্দের সাথে সাথে বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গ নির্গতই হচ্ছে বজ্রপাত। প্রাকৃতিকভাবেই বায়ুমণ্ডলে বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়ে তা মেঘে জমা হয়ে থাকে। এই বিদ্যুৎ মেঘে দুটি চার্জ ধনাত্মক ও ঋনাত্মক হিসেবে সঞ্চিত থাকে। বিপরীত দিক থেকে বিদ্যুৎ শক্তির দুটো মেঘ কাছাকাছি এলেই পারস্পরিক আকর্ষণে চার্জ বিনিময় হয়; ফলে আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়। মেঘের নীচের অংশে ঋনাত্মক চার্জ বহন করে আবার ভূপৃষ্ঠে থাকে ধনাত্মক চার্জ। দুই চার্জ মিলিত হয়ে তৈরি করে একটি ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ রেখা যা প্রচ- বেগে উপরের দিকে ধাবিত হয়। ঊর্ধ্বমুখী এই বিদ্যুৎ প্রবাহ উজ্জ্বল আলোর যে বিদ্যুৎপ্রবাহের সৃষ্টি করে তা-ই বজ্রপাত।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, চারভাবে বজ্রপাত হয়ে থাকে। প্রথমত: মেঘমালা থেকে ভূপৃষ্ঠে। দ্বিতীয়ত: মেঘমালার সঙ্গে মেঘমালা। তৃতীয়ত: একই মেঘের মধ্যে। চতুর্থত: মেঘমালা থেকে বায়ুম-লে। এর মধ্যে মেঘমালা থেকে ভূপৃষ্ঠে যে বজ্রপাত হয় সেটি সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর এবং তাতে মানুষের প্রাণহানি বেশি ঘটে। আর অনেক বজ্রপাত হয় ভূপৃষ্ঠের ওপরের বায়ুম-লে, যেটা তেমন ক্ষতিকর নয়।
বজ্রপাতে ৩০ থেকে ৬০ হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপ উৎপন্ন হয়ে থাকে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, আকাশে যে মেঘ তৈরি হয় তার ২৫ থেকে ৭৫ হাজার ফুটের মধ্যে বজ্রপাতের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। বজ্রপাতের গতি প্রতি সেকে-ে ৬০ হাজার মিটার বেগে নিচের দিকে নেমে আসে। এই বিপুল পরিমাণ তাপসহ বজ্র মানুষ তথা কোন প্রাণীর দেহের ওপর পড়ার সাথে সাথেই তার মৃত্যু ঘটে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, বজ্রপাতের স্থায়িত্বকাল মাত্র এক সেকে-ের দশ ভাগের এক ভাগ। ঠিক এই সময়ে বজ্রপাতের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠের বাতাস সূর্য পৃষ্ঠের পাঁচগুণ বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রচ- শব্দে কেঁপে ওঠে চারপাশ। শব্দের গতি আলোর গতির চেয়ে কম হওয়ায় বজ্রপাতের পরই শব্দ শোনা যায়। বজ্রপাত ভূমিকম্পের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী। একটি বারের বজ্রপাতে প্রায় ৫০ হাজার অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎশক্তি থাকে। অথচ বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ এর ব্যবহার চলে গড়ে ১৫ অ্যাম্পিয়ারে। একটি বজ্র কখনো কখনো ৩০ মিলিয়ন ভোল্ট বিদ্যুৎ নিয়েও আকাশে জ্বলে ওঠে। বাংলাদেশে বজ্রপাতে আক্রান্তের শিকার ৭৬ শতাংশ পুরুষ। কেননা কর্মঘন্টার বেশিরভাগ সময়ই পুরুষেরা সাধারণত: ঘরের বাইরে অবস্থান করে। বজ্রপাতের সময় গাছের নীচে আশ্রয় গ্রহণকারীরাই বেশি আক্রান্ত হন। দেখা যায় খেলার মাঠ, রাস্তা-ঘাট, কৃষিক্ষেত্র এবং গাছের কাছে বজ্রপাত বেশি সংঘটিত হয়।
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, বাতাসে কার্বন ও সীসার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া, জন জীবনে ধাতব পদার্থের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া, মোবাইল ফোনের টাওয়ার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, বনভূমি বা গ্রামাঞ্চলে উঁচু গাছ কমে যাওয়া, জলাভূমি ভরাট ও নদী শুকিয়ে যাওয়া বজ্রপাতের অন্যতম প্রধান কারণ। শহরাঞ্চলে বৈদ্যুতিক তারের নেটওয়ার্ক থাকার কারণে বজ্রপাতের ভয়াবহতা খুব বেশি টের পাওয়া যায় না।
তবে প্রতিনিয়তই বজ্রপাতে গ্রামাঞ্চলে প্রাণহানি ঘটছে। এদিকে বজ্রাঘাতের এই ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে করণীয় সম্পর্কে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান, এ বিষয়ে গ্রামাঞ্চলে ও শহরাঞ্চলে ভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রতি বছর মার্চ থেকে মে মাসের শেষ তথা জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। তারা জানান, জীবন যাপনে ধাতব বস্তুর ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং বজ্রপাত নিরোধক গাছের অভাবের কারণে মৃত্যুর হার দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে। তারা আরও জানান, আগে কৃষিতে ধাতব যন্ত্রপাতির ব্যবহার ছিল না বললেই চলে। কৃষকের কাছে বড়জোর কাস্তে থাকত। কিন্তু এখন ট্রাক্টরসহ নানা কৃষি যন্ত্রাংশ ও মোবাইল ফোনের মতো ধাতব যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়ে গেছে। এসব ধাতব বস্তুর ব্যবহার বজ্রপাতে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করছে।
সর্বোপরি জন সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে জরুরী কিছু করণীয় সুপ্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হলো:-
১. বজ্রপাত যেহেতু এপ্রিল-জুন মাসে বেশি হয়; তাই এই সময় আকাশে কালো মেঘ দেখা গেলে কোন অবস্থাতেই ঘরের বাইরে বের হওয়া নিরাপদ নয়।
২. বজ্রপাতের সময় যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রীটের ছাউনির নীচে আশ্রয় গ্রহণ করা উচিত।
৩. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁিড়র ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি যথাসম্ভব স্পর্শ না করা।
৪. খোলা স্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে অবস্থান গ্রহণ করা।
৫. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে অবস্থান না করে আলাদা আলাদা কক্ষে অবস্থান করা।
৬. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া। গাছের গোড়া থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরে অবস্থান করা।
৭. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নীচ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে।
৮. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে হবে।
৯. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় না থাকা এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকা।
১০. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে সতর্কতার সাথে বাইরে বের হওয়া।
১১. বজ্রপাতের লক্ষন দেখা দিলে উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
১২. বজ্রপাতের সময় জরুরী প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করা।
১৩. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে অবস্থান করা মোটেই উচিত না।
১৪. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে নিরাপদ দূরে থাকা।
১৫. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
১৬. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিঁচু করে বসে পড়ুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় পানিতে সাঁতার, নৌ-ভ্রমণ, মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নীচে আশ্রয় নিন অথবা দ্রুত পানির কাছ থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
১৮. যখন মেঘ গর্জন শুরু করে তখন দ্রুত ঘরে প্রবেশ করুন; এমনকি বৃষ্টিপাত না হলেও। সর্বশেষ বজ্রপাতের পরও ন্যূনতম ৩০ মিনিট ঘরে অবস্থান করুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় যদি কাছে কোনো নিরাপদ আশ্রয় না থাকে, অপেক্ষাকৃত নিঁচু স্থানে অবস্থান করুন এবং নেমে আসুন যে কোনো উন্মুক্ত স্থান থেকে যেমন- গাছ, বৈদ্যুতিক পোল ও টাওয়ার ইত্যাদি থেকে।
২০. বজ্রপাতের সময় তারযুক্ত ফোনালাপ বর্জন করুন এবং চার্জিং কড থেকে মোবাইল ফোন খুলে নিন। ২১. ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে বজ্রবিদ্যুতের সরাসরি প্রবেশের পথ বন্ধ করতে হবে। ২২. ঝড়ের প্রাক্কালে আউটডোর টিভি ও রেডিও এন্টেনা বন্ধ করতে ভুল করা যাবে না। ২৩. আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর সময় শাওয়ার ও গোসল বন্ধ করা ভালো। ২৪. বজ্রপাত মুহূর্তে ওয়াশিং মেশিন, ওয়াটার হিটার ও ওভেন তথা যে কোন প্রকার ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ রাখুন।
প্রাকৃতিক দুর্যোগকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না; তবে সচেতনতাসহ বেশকিছু উদ্যোগ নিয়ে তা কমানো বা সেই দুর্যোগ মোকাবেলা করার কিছুটা হলেও সুযোগ আছে। তাই মানুষ যাতে বজ্রপাতে অকাতরে মৃত্যুমুখে পতিত না হয় সে জন্য আকাশে কালো মেঘ করলে ধাতব বস্তু সঙ্গে না রাখার কোনও বিকল্প নেই। কোনও বিকল্প ছাড়া বড় বড় গাছ ধ্বংস করা বন্ধ করতে হবে। গ্রামাঞ্চলে আগে বড় বড় গাছ থাকায় সেগুলো বজ্রপাত ঠেকাত। তাই দীর্ঘ মেয়াদের কথা ভাবতে গেলে বজ্রপাত রোধে তাল বা খেজুর গাছ লাগানো যেতে পারে। এছাড়া অরক্ষিত হয়ে পড়া গ্রামাঞ্চলের মসজিদের মিনারে আর্থিং করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যেহেতু বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল, দেশের বিল অঞ্চল আর উত্তরের চাঁপাই নবাবগঞ্জ, দিনাজপুরে বজ্রাঘাতে প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটে সে কারণে এসব অঞ্চলে মোবাইল ফোনের টাওয়ার লাইটেনিং এর স্টোর লাগানোর কাজটিও করা যেতে পারে।
তবে আশার কথা হচ্ছে, কোন্ এলাকায় বিজলি চমকাবে এবং বজ্রপাত হবে তার আগাম সংকেত দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফ্তর। ঝড়-বৃষ্টির সময় কোন্ জেলায় বজ্রপাত হতে পারে তা সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারবে আবহাওয়া অফিস। এমনকি ১০ মিনিট থেকে আধা ঘন্টা আগে বজ্রপাতের সংকেত দেওয়া যাবে। এতে করে ওই এলাকার মানুষ নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার সময় পাবে। ফলে বজ্রপাতে প্রাণহানি কমে আসবে দেশে। বজ্রপাতের আগাম সংকেত জানতে এরই মধ্যে দেশের আটটি স্থানে বসানো হয়েছে লাইটেনিং ডিটেকটিভ সেন্সর। আটটি সেন্সরে পুরো দেশের চিত্র উঠে আসবে। একেকটি সেন্সরের রেঞ্জ ২৫০ কিমি। প্রতিটি সেন্সর থেকে এক হাজার কিমি পর্যন্ত মনিটরিং করা যাবে। এক মৌসুমে (এপ্্িরল থেকে জুন) দেশে কতবার বিদ্যুৎ চমকায় এবং বজ্রপাত হয় সেটিও সংরক্ষণ করা হবে। তবে এখন সব চলছে পরীক্ষামূলকভাবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হবে আশা করা যায়।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ, শেরপুর। ই-মেইল : dr.alim1978@gmail.com 

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

অবাধে মাছ নিধন অমানবিক নির্যাতনে শিশুর মৃত্যু আত্মহত্যা আহত ইয়াবা উদ্ধার উড়াল সড়ক খুন গাছে বেঁধে নির্যাতন গাছের চারা বিতরণ ঘূর্ণিঝড় 'কোমেন' চাঁদা না পেয়ে স্কুলে হামলা ছিটমহল জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জাতীয় শোক দিবস জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ ঝিনাইগাতী টেস্ট ড্র ড. গোলাম রহমান রতন পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী বন্যহাতির তান্ডব বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে নিহত বাল্যবিয়ের হার ভেঙে গেছে ব্রিজ মতিয়া চৌধুরী মাদারীপুর মির্জা ফখরুলের মেডিকেল রিপোর্ট রিমান্ডে লাশ উদ্ধার শাবলের আঘাতে শিশু খুন শাহ আলম বাবুল শিশু রাহাত হত্যা শেরপুর শেরপুরে অপহরণ শেরপুরে বন্যা শেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংঘর্ষে নিহত ৫ স্কুলছাত্র রাহাত হত্যা স্কুলছাত্রী অপহরণ হাতি বন্ধু কর্মশালা হুইপ আতিক হুমকি ২ স্কুলছাত্রী হত্যা
error: Content is protected !!