ভোর ৫:৫১ | রবিবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পর্যটকে মুখরিত সৌন্দর্য্যের লীলা ভুমি সেন্টমার্টিন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বৈরি আবহাওয়ার কারনে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নভেম্বরের শেষের দিকে থেকে মুখরিত হয়ে উঠেছে দ্বীপের বিভিন্ন দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র। টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ রুটে পহেলা নভেম্বর পর্যটক বাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় পর্যটক ব্যাবসায়ী ও দ্বীপবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। তবে জরাজীর্ণ জেটিতে ঝুকি নিয়ে উঠানামা করতে দেখা গেছে পর্যটকদের।

img-add

সেন্টমার্টি ইউনিয়ন পরিযদের চেয়ারম্যন আলহাজ্ব নুর আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিনে হাজারের বেশি পর্যটকের আগমন হয়েছে। জেটির জরাজীর্ন অবস্থা উপরের মহলকে বলা হয়েছে। নতুন জেটি নির্মান না হওয়া পর্যন্ত আমি মনে করি প্রচুর পরিমান টায়ার বেধে দিলে এবং নারিকেল গাছসহ নিম্নমান কাঠ ব্যাবহার না করে ভাল কাঠ দিয়ে জেটিতে শীঘ্রই সংস্কার দরকার। পর্যটকদের সুবিধার জন্য যা প্রয়োজন সব কিছু করা হবে।

কক্সবাজারের ট্যুর অপারেটর সমুদ্র বিলাসের গাইড মাহফুজ বলেন, আমি ২৫ জন পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে চুক্তি ভিত্তিক ঘুরাতে নিয়ে আসি।আমারসহ পাঠি মোহাম্মদ আলম, ফারুক সহ ১৫ জন ট্যুর অপারেটর পর্যটকের গ্রুপ নিয়ে সেন্টমার্টিনে সফর করি।

এমভি ফারহান ক্রজ জাহাজের মাষ্টার মোর্শদ আবু বক্কর বলেন, ৩৮২ জন যাত্রী নিয়ে সেন্টমাটিন দ্বীপে আগমন করি। তবে দ্বীপের জেটিতে ভাঙ্গনে যাত্রী উঠানামায় আমরা শংকিত। জাহাজ ভিড়তে সময়ের প্রয়োজন হয়। নষ্ট হচ্ছে জাহাজ ও জেটি। জেটিতে সংস্কার অপরিহার্য্য।

সেন্টমার্টিন পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত রেষ্টুরেন্ট হোটেল আসমার পরিচালক আবুবকর ছিদ্দিক বলেন, পর্যটকবাহী জাহাজ আসায় আমরা খুশি। প্রথম দিনে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করি। আরো আগে জাহাজ চললে আমরাই বেশি উপকৃত হতাম।

সেন্টমার্টিন হোটেল মালিক সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম জিহাদী বলেন, পর্যটককে আমরা স্বাগতম জানাই। তবে দ্বীপে রাত যাপন করার পর্যটক কম। তেমন বুকিং নেই। আশা করি পরবর্তী ছুটির দিনে পর্যটকের ঢল নামবে।

উল্লেখ্য, এর আগে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার পরের দিন এত ভ্রমন পিপাসু পর্যটক সেন্টমার্টিনে দেখা মিলেনি। কিন্তু চলতি বছর অনুমতির পাওয়ার পরই হাজার পর্যটকের দেখা মিলে সেন্টমার্টিনে। তাই দ্বীপ বাসী ও বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর গুলো আনন্দিত। পর্যটক আসায় দেখা মিলায় স্বস্তির নিশ্বাঃস ফেলেছে ব্যাবসায়ীরা। সরগরম হয়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল, রেস্তুরা, চা দোকানসহ দ্বীপের দর্শনীয় স্থানগুলো। দ্বীর্ঘদিন পর পর্যটকদের সাক্ষাত পাওয়ায় এলাকাবাসীও বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্লিত।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ঢাকার দুই সিটির ভোট পেছাল

» মুজিববর্ষ ॥ কর্মসংস্থান বাড়াতে অধিক গুরুত্বারোপ

» খুব শিগগিরই ফাইভ-জির স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে : অর্থমন্ত্রী

» নালিতাবাড়ীতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে মালিঝি নদীর খনন কাজ শুরু

» প্রথম দফায় পাকিস্তান সফরের দল ঘোষণা : ফিরলেন তামিম, নতুন মুখ হাসান মাহমুদ

» সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান মারা গেছেন

» নকলায় ৪ শতাধিক শীতার্তের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» শেরপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত

» শেরপুরে সঞ্চয় সপ্তাহ শুরু

» ৭৫ এ বিয়ে করে হাসপাতালে দীপঙ্কর দে!

» ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবারে যে উপকার হয়

» পরাজয় নিশ্চিত জেনেই ইভিএমের বিরুদ্ধে বিএনপি: কাদের

» বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শিরোপা জিতলো রাজশাহী

» ২০১৯ সালে জাপানে আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা ১৯,৯৫৯

» তুষার আল নূর’র পদ্য ‘চিঠি’

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  ভোর ৫:৫১ | রবিবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পর্যটকে মুখরিত সৌন্দর্য্যের লীলা ভুমি সেন্টমার্টিন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বৈরি আবহাওয়ার কারনে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নভেম্বরের শেষের দিকে থেকে মুখরিত হয়ে উঠেছে দ্বীপের বিভিন্ন দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র। টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ রুটে পহেলা নভেম্বর পর্যটক বাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় পর্যটক ব্যাবসায়ী ও দ্বীপবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। তবে জরাজীর্ণ জেটিতে ঝুকি নিয়ে উঠানামা করতে দেখা গেছে পর্যটকদের।

img-add

সেন্টমার্টি ইউনিয়ন পরিযদের চেয়ারম্যন আলহাজ্ব নুর আহমদ বলেন, সেন্টমার্টিনে হাজারের বেশি পর্যটকের আগমন হয়েছে। জেটির জরাজীর্ন অবস্থা উপরের মহলকে বলা হয়েছে। নতুন জেটি নির্মান না হওয়া পর্যন্ত আমি মনে করি প্রচুর পরিমান টায়ার বেধে দিলে এবং নারিকেল গাছসহ নিম্নমান কাঠ ব্যাবহার না করে ভাল কাঠ দিয়ে জেটিতে শীঘ্রই সংস্কার দরকার। পর্যটকদের সুবিধার জন্য যা প্রয়োজন সব কিছু করা হবে।

কক্সবাজারের ট্যুর অপারেটর সমুদ্র বিলাসের গাইড মাহফুজ বলেন, আমি ২৫ জন পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে চুক্তি ভিত্তিক ঘুরাতে নিয়ে আসি।আমারসহ পাঠি মোহাম্মদ আলম, ফারুক সহ ১৫ জন ট্যুর অপারেটর পর্যটকের গ্রুপ নিয়ে সেন্টমার্টিনে সফর করি।

এমভি ফারহান ক্রজ জাহাজের মাষ্টার মোর্শদ আবু বক্কর বলেন, ৩৮২ জন যাত্রী নিয়ে সেন্টমাটিন দ্বীপে আগমন করি। তবে দ্বীপের জেটিতে ভাঙ্গনে যাত্রী উঠানামায় আমরা শংকিত। জাহাজ ভিড়তে সময়ের প্রয়োজন হয়। নষ্ট হচ্ছে জাহাজ ও জেটি। জেটিতে সংস্কার অপরিহার্য্য।

সেন্টমার্টিন পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত রেষ্টুরেন্ট হোটেল আসমার পরিচালক আবুবকর ছিদ্দিক বলেন, পর্যটকবাহী জাহাজ আসায় আমরা খুশি। প্রথম দিনে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করি। আরো আগে জাহাজ চললে আমরাই বেশি উপকৃত হতাম।

সেন্টমার্টিন হোটেল মালিক সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম জিহাদী বলেন, পর্যটককে আমরা স্বাগতম জানাই। তবে দ্বীপে রাত যাপন করার পর্যটক কম। তেমন বুকিং নেই। আশা করি পরবর্তী ছুটির দিনে পর্যটকের ঢল নামবে।

উল্লেখ্য, এর আগে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ার পরের দিন এত ভ্রমন পিপাসু পর্যটক সেন্টমার্টিনে দেখা মিলেনি। কিন্তু চলতি বছর অনুমতির পাওয়ার পরই হাজার পর্যটকের দেখা মিলে সেন্টমার্টিনে। তাই দ্বীপ বাসী ও বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর গুলো আনন্দিত। পর্যটক আসায় দেখা মিলায় স্বস্তির নিশ্বাঃস ফেলেছে ব্যাবসায়ীরা। সরগরম হয়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল, রেস্তুরা, চা দোকানসহ দ্বীপের দর্শনীয় স্থানগুলো। দ্বীর্ঘদিন পর পর্যটকদের সাক্ষাত পাওয়ায় এলাকাবাসীও বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্লিত।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!