সন্ধ্যা ৭:১৩ | রবিবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পদ্মাসেতুর আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের উপর ১৭ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে ‘৪ডি’ নম্বর স্প্যানটি বসানো হয়। এতে পদ্মাসেতুর ২৫৫০ মিটার অর্থ্যাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ১৬ তম স্প্যান বাসানোর মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এই স্প্যানটি বসানো হলো।
পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির ওইসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্প্যানটি মাঝের চরে অস্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রাখা ছিল। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই-তে করে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে এরইমধ্যে ৩৩টি খুঁটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আলোচিত ৭ নম্বর খুঁটির কাজ চলতি মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ৬ ও ৩০ নম্বর খুঁটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
আর বাকি ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭ ও ২৯ নম্বর খুঁটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান আছে। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে।
এদিকে সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ এবং সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেওয়া হবে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» এবার হজ্বে যেতে বিমান ভাড়া ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা

» প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার!

» এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

» শ্রীবরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ইটভাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» নকলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস উদ্বোধন

» নকলায় এশিয়ান টিভি’র ৭ম বর্ষপূর্তি উদযাপিত

» জনগণের রায় ইভিএমে আসবে না : মির্জা ফখরুল

» শিশু ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিতে হাইকোর্টের রুল

» সৌদি থেকে একদিনেই ফিরলেন ২২৪ বাংলাদেশি

» নকলায় বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং শীর্ষক আলোচনা সভা

» আবেদ আলীর ভাগ্যে আজও জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড !

» রাখাইনে চীনের বিশাল বিনিয়োগ চুক্তি

» আবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস, আসছে শৈত্যপ্রবাহও

» ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না: শেখ হাসিনা

» টিভি-মোবাইল ফোন আসক্তিতে সন্তানের যেসব ক্ষতি

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  সন্ধ্যা ৭:১৩ | রবিবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৬ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পদ্মাসেতুর আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের উপর ১৭ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে ‘৪ডি’ নম্বর স্প্যানটি বসানো হয়। এতে পদ্মাসেতুর ২৫৫০ মিটার অর্থ্যাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ১৬ তম স্প্যান বাসানোর মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এই স্প্যানটি বসানো হলো।
পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির ওইসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্প্যানটি মাঝের চরে অস্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রাখা ছিল। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই-তে করে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে এরইমধ্যে ৩৩টি খুঁটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আলোচিত ৭ নম্বর খুঁটির কাজ চলতি মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ৬ ও ৩০ নম্বর খুঁটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
আর বাকি ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭ ও ২৯ নম্বর খুঁটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান আছে। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে।
এদিকে সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ এবং সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!