রাত ৯:৫৭ | সোমবার | ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পদ্মাসেতুর আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের উপর ১৭ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে ‘৪ডি’ নম্বর স্প্যানটি বসানো হয়। এতে পদ্মাসেতুর ২৫৫০ মিটার অর্থ্যাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ১৬ তম স্প্যান বাসানোর মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এই স্প্যানটি বসানো হলো।
পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির ওইসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্প্যানটি মাঝের চরে অস্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রাখা ছিল। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই-তে করে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে এরইমধ্যে ৩৩টি খুঁটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আলোচিত ৭ নম্বর খুঁটির কাজ চলতি মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ৬ ও ৩০ নম্বর খুঁটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
আর বাকি ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭ ও ২৯ নম্বর খুঁটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান আছে। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে।
এদিকে সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ এবং সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেওয়া হবে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শ্রীবরদী সিআইজি মৎস্যচাষীদের মাঝে জাল বিতরণ

» নকলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত

» ঝিনাইগাতীতে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

» শেরপুরে বেগম রোকেয়ার ১৩১তম জন্মদিন উপলক্ষে মহিলা পরিষদের আলোচনা সভা

» শেরপুরে বসুন্ধরা সিমেন্টের রিটেইলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

» আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ৪ বছর নিষিদ্ধ রাশিয়া

» শ্রীলংকাকে হারিয়ে স্বর্ণ জিতল বাংলাদেশ

» ‘সম্মেলনের আগে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই’

» শুধু আইন করে নারী নির্যাতন বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

» শ্রীবরদীতে পুলিশের বিশেষ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

» শ্রীবরদীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত

» শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞানার্জনে, লাশ হতে নয়: রাষ্ট্রপতি

» শেরপুরে পদ্মা ব্যাংকের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ঋণগ্রহীতাদের মানববন্ধন

» শেরপুরে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

» শেরপুরে দুর্নীতিবিরোধী দিবসে র‌্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৯:৫৭ | সোমবার | ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পদ্মাসেতুর আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের উপর ১৭ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে ‘৪ডি’ নম্বর স্প্যানটি বসানো হয়। এতে পদ্মাসেতুর ২৫৫০ মিটার অর্থ্যাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ১৬ তম স্প্যান বাসানোর মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এই স্প্যানটি বসানো হলো।
পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির ওইসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্প্যানটি মাঝের চরে অস্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রাখা ছিল। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই-তে করে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে এরইমধ্যে ৩৩টি খুঁটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আলোচিত ৭ নম্বর খুঁটির কাজ চলতি মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ৬ ও ৩০ নম্বর খুঁটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
আর বাকি ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭ ও ২৯ নম্বর খুঁটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান আছে। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে।
এদিকে সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ এবং সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!