সকাল ৭:৪৪ | মঙ্গলবার | ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নকলায় কোরবানীর গরুর হাট কাঁপাতে আসছে ‘বাংলার বাহাদুর’

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো শেরপুরের পশু খামারীরা ও শখের বশে পশু পালনকারীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের পশু বিক্রি করা নিয়ে। এবার কোরবানির পশুর হাট কাঁপাতে আসছে নকলা উপজেলার ‘বাংলার বাহাদুর’ নামে এক বিশালকার দেশী ষাঁড়।
কালচে লাল রঙের ও সুঠাম দেহের অধিকারী দেশী জাতের ষাঁড় ‘বাংলার বাহাদুর’ নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে মো. আমিনুল ইসলামের পালিত ষাঁড়ের নাম। এমন নাম রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাছুর অবস্থা থেকেই এটিকে জেলার সেরা বড় ষাঁড়ে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন আমিনুল ইসলাম। তাই এ বিশাল দেহী এ ষাঁড়টির নাম ছোট কালেই রাখা হয়েছে বাংলার বাহাদুর। তারা বলেন, শখের বশে পালিত ষাঁড়টি নিজের গাভীর ও সম্পূর্ণ দেশীয় জাতের। অতীতে দেশীয় জাতের এতবড় ষাঁড় তারা দেখেনি। তাদের দেখা দেশীয় ষাঁড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দেশী ষাঁড় এটি। বাংলার বাহাদুরের বর্তমান দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট এবং ওজন প্রায় ৩৬ মণ (সাড়ে ১৪শ’ কেজি)।

img-add

শান্ত প্রকৃতির বাংলার বাহাদুরকে দেখতে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষজন ভিড় করছেন। কেউ প্রাইভেটকার বা মোটর সাইকেল বা নিজস্ব কোন পরিবহণ দিয়ে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে গেলেই স্থানীয়রা তার বাড়িতে ভিড় করেন। তখন স্থানীয়রা মনে করেন আগতরা হয়তোবা বাংলার বাহাদুরকে কিনতে এসেছেন। তাই মুহূর্তের মধ্যে ভিড় জমিয়ে ফেলেন স্থানীয় জনগন ও দর্শনার্থীরা।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বাহাদুরকে গরু মোটাতাজাকরণের ফিড কিনে খাওয়ানোর মতো আমার সামর্থ নেই। তাই সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে বাংলার বাহাদুরকে বড় করা তুলেছি। বাহাদুরকে বর্তমান অবস্থায় আনতে সময় লেগেছে প্রায় ৫ বছর। তিনি আরও বলেন, নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, গরুর ওজন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়ালে অর্থ ও ঝুঁকি দুটোই কমবে এবং নিরাপদ মাংস উৎপাদিত হবে। তাই বাংলার বাহাদুরের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়েছে- পরিমিত পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খড়, গমের ভূষি, ভুট্টা ভাঙা, সরিষার খৈল, চিটা গুড়, মিষ্টি লাউ, গোল আলু, চালের কুড়া, লবণ ও প্রয়োজন মতো পানি।
তাছাড়া বাংলার বাহাদুরকে নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ঘরে রাখা, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত কিছু সময় হাঁটানো, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রুটিন মতো ভ্যাকসিন দেওয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানোসহ সবকিছুই করা হচ্ছে দেশীয় ব্যবস্থাপনায়। বাহাদুরকে মোটাতাজা ও আকর্ষণীয় করতে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ঔষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি বলেও জানান বাহাদুরের লালন পালনকারী আমিনুল ইসলামসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বাংলার বাহাদুরের বিক্রি দাম নিয়ে তিনি বলেন, বাজার অনুযায়ী বিক্রি করতে হবে। যেকোন পশুর দাম সাধারণত ক্রেতা ও পশু সরবরাহের উপর নির্ভর করে। তবে আমি আমার বাংলার বাহাদুরের দাম প্রথমে ২৮ লাখ টাকা চাইলেও, করোনা ভাইরাসের বিষয়টি মাথায় নিয়ে আপাতত ২৩ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি। গত বছর কোরবানী ঈদের বাজারে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে রাজধানী ঢাকার গাবতলীতে নিয়ে গেল, ন্যায্য দাম না উঠায় বিক্রি করেন নি বলে জানান ষাঁড়টির মালিক আমিনুল। তবে এবছর আগ্রহী ক্রেতার সাথে আলাপ আলোচনা করে বেচা-কেনা হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি তার লালিত প্রিয় বাংলার বাহাদুরকে শেরপুর জেলার কারো কাছে বিক্রি করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যয় ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পেলে শেরপুর জেলার কারো কাছে বিক্রি করতে পারলে আমি বরং খুশি হবো। নতুবা অবশ্যই বাইরের কোন জেলা বা বিভাগীয় শহরে বিক্রি করতে হবে। তাছাড়া ন্যায্য মূল্য পেলে ভবিষ্যতে এমন ষাঁড় লালন পালনে চেষ্টা করব। আমার দেখাদেখি এলাকার অনেক বেকার যুবক ষাঁড় লালন পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজে পাবেন।
এ ষাঁড়ের বিষয়ে নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মো. আনিসুর রহমান বলেন, আমার জানামতে এ দেশীয় জাতের ষাঁড়টি (বাংলার বাহাদুর) ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড় দেশী ষাঁড়। দেশীয় জাতের এ ষাঁড়টিকে সম্পূর্ণ দেশি খাবার খাইয়ে লালন পালন করা হয়েছে। দেশী জাতের এতবড় ষাঁড় সচরাচর নজরে পড়ে না বলে তিনি জানান।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ঝিনাইগাতীতে নির্মাণের ১৩ মাসেই ভেঙে গেল বক্স কালভার্ট

» স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব সিটি গড়তে মসিক কাজ করছে ॥ মেয়র টিটু

» বাবার সেবা করতে গিয়ে ফারুকের মেয়ে করোনায় আক্রান্ত

» জেনে নিন ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তা

» ফারিয়ার নতুন গান ‘এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে’

» ফ্রিল্যান্সাররা ‘ভার্চুয়াল আইডি কার্ড’ পাচ্ছেন বুধবার থেকে

» জাতীয় দলের নেতৃত্বকে আবারও ‘না’ মুশফিকের

» প্রাথমিকে পড়ুয়ারা পরের ক্লাসে উঠবে একই রোল নিয়ে

» শ্রীবরদীতে তুচ্ছ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলা ॥ দোকান ভাঙচুর

» এক বছর পর মাঠে নামছেন সাকিব

» ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ৭ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ৮২

» নালিতাবাড়ীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

» দেশে করোনায় ২৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪১৯

» শেরপুরে আরও এলাকায় মেয়র মনোনয়নপ্রত্যাশী আ’লীগ নেতা আধারের গণসংযোগ

» শেরপুর পৌরসভার নির্বাচন ॥ তৃণমূলে গড়ালো আ’লীগের মেয়রপ্রার্থী বাছাই

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  সকাল ৭:৪৪ | মঙ্গলবার | ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নকলায় কোরবানীর গরুর হাট কাঁপাতে আসছে ‘বাংলার বাহাদুর’

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো শেরপুরের পশু খামারীরা ও শখের বশে পশু পালনকারীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের পশু বিক্রি করা নিয়ে। এবার কোরবানির পশুর হাট কাঁপাতে আসছে নকলা উপজেলার ‘বাংলার বাহাদুর’ নামে এক বিশালকার দেশী ষাঁড়।
কালচে লাল রঙের ও সুঠাম দেহের অধিকারী দেশী জাতের ষাঁড় ‘বাংলার বাহাদুর’ নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে মো. আমিনুল ইসলামের পালিত ষাঁড়ের নাম। এমন নাম রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাছুর অবস্থা থেকেই এটিকে জেলার সেরা বড় ষাঁড়ে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন আমিনুল ইসলাম। তাই এ বিশাল দেহী এ ষাঁড়টির নাম ছোট কালেই রাখা হয়েছে বাংলার বাহাদুর। তারা বলেন, শখের বশে পালিত ষাঁড়টি নিজের গাভীর ও সম্পূর্ণ দেশীয় জাতের। অতীতে দেশীয় জাতের এতবড় ষাঁড় তারা দেখেনি। তাদের দেখা দেশীয় ষাঁড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দেশী ষাঁড় এটি। বাংলার বাহাদুরের বর্তমান দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট এবং ওজন প্রায় ৩৬ মণ (সাড়ে ১৪শ’ কেজি)।

img-add

শান্ত প্রকৃতির বাংলার বাহাদুরকে দেখতে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষজন ভিড় করছেন। কেউ প্রাইভেটকার বা মোটর সাইকেল বা নিজস্ব কোন পরিবহণ দিয়ে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে গেলেই স্থানীয়রা তার বাড়িতে ভিড় করেন। তখন স্থানীয়রা মনে করেন আগতরা হয়তোবা বাংলার বাহাদুরকে কিনতে এসেছেন। তাই মুহূর্তের মধ্যে ভিড় জমিয়ে ফেলেন স্থানীয় জনগন ও দর্শনার্থীরা।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বাহাদুরকে গরু মোটাতাজাকরণের ফিড কিনে খাওয়ানোর মতো আমার সামর্থ নেই। তাই সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে বাংলার বাহাদুরকে বড় করা তুলেছি। বাহাদুরকে বর্তমান অবস্থায় আনতে সময় লেগেছে প্রায় ৫ বছর। তিনি আরও বলেন, নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, গরুর ওজন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়ালে অর্থ ও ঝুঁকি দুটোই কমবে এবং নিরাপদ মাংস উৎপাদিত হবে। তাই বাংলার বাহাদুরের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়েছে- পরিমিত পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খড়, গমের ভূষি, ভুট্টা ভাঙা, সরিষার খৈল, চিটা গুড়, মিষ্টি লাউ, গোল আলু, চালের কুড়া, লবণ ও প্রয়োজন মতো পানি।
তাছাড়া বাংলার বাহাদুরকে নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ঘরে রাখা, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত কিছু সময় হাঁটানো, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রুটিন মতো ভ্যাকসিন দেওয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানোসহ সবকিছুই করা হচ্ছে দেশীয় ব্যবস্থাপনায়। বাহাদুরকে মোটাতাজা ও আকর্ষণীয় করতে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ঔষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি বলেও জানান বাহাদুরের লালন পালনকারী আমিনুল ইসলামসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বাংলার বাহাদুরের বিক্রি দাম নিয়ে তিনি বলেন, বাজার অনুযায়ী বিক্রি করতে হবে। যেকোন পশুর দাম সাধারণত ক্রেতা ও পশু সরবরাহের উপর নির্ভর করে। তবে আমি আমার বাংলার বাহাদুরের দাম প্রথমে ২৮ লাখ টাকা চাইলেও, করোনা ভাইরাসের বিষয়টি মাথায় নিয়ে আপাতত ২৩ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি। গত বছর কোরবানী ঈদের বাজারে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে রাজধানী ঢাকার গাবতলীতে নিয়ে গেল, ন্যায্য দাম না উঠায় বিক্রি করেন নি বলে জানান ষাঁড়টির মালিক আমিনুল। তবে এবছর আগ্রহী ক্রেতার সাথে আলাপ আলোচনা করে বেচা-কেনা হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি তার লালিত প্রিয় বাংলার বাহাদুরকে শেরপুর জেলার কারো কাছে বিক্রি করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যয় ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পেলে শেরপুর জেলার কারো কাছে বিক্রি করতে পারলে আমি বরং খুশি হবো। নতুবা অবশ্যই বাইরের কোন জেলা বা বিভাগীয় শহরে বিক্রি করতে হবে। তাছাড়া ন্যায্য মূল্য পেলে ভবিষ্যতে এমন ষাঁড় লালন পালনে চেষ্টা করব। আমার দেখাদেখি এলাকার অনেক বেকার যুবক ষাঁড় লালন পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজে পাবেন।
এ ষাঁড়ের বিষয়ে নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মো. আনিসুর রহমান বলেন, আমার জানামতে এ দেশীয় জাতের ষাঁড়টি (বাংলার বাহাদুর) ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড় দেশী ষাঁড়। দেশীয় জাতের এ ষাঁড়টিকে সম্পূর্ণ দেশি খাবার খাইয়ে লালন পালন করা হয়েছে। দেশী জাতের এতবড় ষাঁড় সচরাচর নজরে পড়ে না বলে তিনি জানান।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!