রাত ২:৪১ | বৃহস্পতিবার | ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নকলায় নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদী জমি ও ঘরবাড়ি

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নকলা উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ ও মৃগী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীব্র স্রোতে দু’পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বাছুরআলগা দক্ষিণপাড়া এবং চকবড়ইগাছি গ্রামের বেশ কিছু ঘরবাড়িসহ আবাদি জমি ও চলাচলের রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেকেই নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাড়ি-ঘর সরিয়ে নেওয়াসহ অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন।
সোমবার সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে নকলা উপজেলার চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার কালাচান, ফয়েজ উদ্দিন, আলমাছ আলী, সদর আলী, আঙ্গুর মিয়া, আজিজুল ইসলাম, কাদির মিয়া, ইউসুফ আলী, পবা মিয়াসহ কয়েকটি পরিবারের বাড়ীঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা মৃগী নদীর ভাঙনে বাছুরআলগা দক্ষিণপাড়া ও চকবড়ইগাছী গ্রামের আফাজ উদ্দিন ও আছিয়া বেগমের একমাত্র সম্বল ৫ শতাংশ জমির বসতবাড়ি নদীর গর্ভে চলে যাওয়ায়, তারা ভূমিহীন হয়ে গেছেন। এছাড়া মোসলেম উদ্দিন, সিরাজ উদ্দিন, দুলাল মিয়া, রজব আলী, হাইতুল্লাহ, লতিফ মিয়া, প্রতিবন্ধী হাফেজা ও বাদলসহ বেশি কিছু পরিবারের আবাদী জমি ও রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তারা সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙন থেকে জান-মাল রক্ষা করতে অনেকেই দূরে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।
নদীর ভাঙনে গৃহহীন ও ভুমিহীন হওয়া আছিয়া বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, দুই যুগ ধরে তিনি বিধবা হয়েছেন। ৫ শতাংশ জমির ভিটিতে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতেন তিনি। চকবড়ইগাছী গ্রামের আফাজ উদ্দিন বলেন, আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার ও ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার খরচ চালাতাম। আর নিজের বলতে ১০ শতক জমিতে তৈরী ঘরে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটাতাম। শেষ সম্বলটুকু নদী ভাঙনে চলে যাওয়ায় তিনি ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় আছেন। তারা বলেন, আমরা আজ এই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসহায় মানুষ। তাদের মাথা গুজার মত জায়গা নেই। ৩-৪ দিন যাবৎ তাদের ঘরে খাবার নেই। চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার কালাচান নিজের মত করে বলেন, আমি এখন কি করমু, তা বুঝতাছি না।
কয়েক দিন ধরে রাত জেগে থেকে তীরবর্তী এলাকার মানুষ আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে এলাকাবাসীরা জানান। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ মৃগী নদীতে বেশ কয়েকটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে এবং বর্তমানে অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নদীর উত্তরপাড়ে চকবড়ইগাছী ও বাছুর আলগা এলাকায় ওই ভাঙন শুরু হয়েছে। পাকা রাস্তার নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকিতে যাতায়াত করছেন পথচারীরা। ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতের ফলে প্রতি বছরই কোন না কান এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার প্রবল ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া গত কয়েকদিনের অতি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নকলা উপজেলার গণপদ্দী, নকলা, উরফা, বানেশ্বররদী, অষ্টধর, পাঠাকাটা ও গৌড়দ্বার ইউনিয়নে অনেক ফসলী জমি ও আমন বীজ তলা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সারোয়ার আলম তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙনরোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, নদী ভাঙনে জান-মাল রক্ষায় সতর্ক থাকার জন্য কবলিত এলাকার লোকজনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কয়েকটি বাড়ি-ঘর ইতোমধ্যে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হযেছে। সম্ভব হলে নদী তীরবর্তী বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। সেই সাথে ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় মৃগী নদীর ভাঙনরোধে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাজহারুল ইসলাম জানান, রবিবার থেকে নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ‘বাল্যবিবাহ মুক্ত ময়মনসিংহ বিভাগ’ বাস্তবায়নে র‌্যালি-মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর ও শপথ গ্রহণ

» মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে : মিলার

» ইমরুল তাণ্ডবে চট্টগ্রামের শুভ সূচনা

» ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে শেরপুরে বাল্যবিবাহ বিরোধী গণস্বাক্ষর ও মানববন্ধন

» শ্রীবরদীতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে শপথ নিলেন ১০ সহস্রাধিক মানুষ

» নকলায় বাল্যবিবাহ বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

» বসলো পদ্মা সেতুর ১৮তম স্প্যান, দৃশ্যমান ২ হাজার ৭০০ মিটার

» বঙ্গবন্ধু বিপিএল : উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম

» ইন্টারকে বিদায় করে দিল মেসিবিহীন বার্সা

» মানবতাবিরোধী অপরাধে টিপু রাজাকারের ফাঁসির রায়

» আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার শুরু

» শেরপুরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

» এস কে সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

» ৫ম স্থানে থেকে এসএ গেমস শেষ করলো বাংলাদেশ

» নীলা আলম’র পদ্য ‘ক্ষুধিত প্রাণ’

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ২:৪১ | বৃহস্পতিবার | ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নকলায় নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদী জমি ও ঘরবাড়ি

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নকলা উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ ও মৃগী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীব্র স্রোতে দু’পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বাছুরআলগা দক্ষিণপাড়া এবং চকবড়ইগাছি গ্রামের বেশ কিছু ঘরবাড়িসহ আবাদি জমি ও চলাচলের রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেকেই নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাড়ি-ঘর সরিয়ে নেওয়াসহ অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন।
সোমবার সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে নকলা উপজেলার চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার কালাচান, ফয়েজ উদ্দিন, আলমাছ আলী, সদর আলী, আঙ্গুর মিয়া, আজিজুল ইসলাম, কাদির মিয়া, ইউসুফ আলী, পবা মিয়াসহ কয়েকটি পরিবারের বাড়ীঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা মৃগী নদীর ভাঙনে বাছুরআলগা দক্ষিণপাড়া ও চকবড়ইগাছী গ্রামের আফাজ উদ্দিন ও আছিয়া বেগমের একমাত্র সম্বল ৫ শতাংশ জমির বসতবাড়ি নদীর গর্ভে চলে যাওয়ায়, তারা ভূমিহীন হয়ে গেছেন। এছাড়া মোসলেম উদ্দিন, সিরাজ উদ্দিন, দুলাল মিয়া, রজব আলী, হাইতুল্লাহ, লতিফ মিয়া, প্রতিবন্ধী হাফেজা ও বাদলসহ বেশি কিছু পরিবারের আবাদী জমি ও রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তারা সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙন থেকে জান-মাল রক্ষা করতে অনেকেই দূরে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এবং বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।
নদীর ভাঙনে গৃহহীন ও ভুমিহীন হওয়া আছিয়া বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, দুই যুগ ধরে তিনি বিধবা হয়েছেন। ৫ শতাংশ জমির ভিটিতে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতেন তিনি। চকবড়ইগাছী গ্রামের আফাজ উদ্দিন বলেন, আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার ও ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার খরচ চালাতাম। আর নিজের বলতে ১০ শতক জমিতে তৈরী ঘরে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটাতাম। শেষ সম্বলটুকু নদী ভাঙনে চলে যাওয়ায় তিনি ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় আছেন। তারা বলেন, আমরা আজ এই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসহায় মানুষ। তাদের মাথা গুজার মত জায়গা নেই। ৩-৪ দিন যাবৎ তাদের ঘরে খাবার নেই। চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার কালাচান নিজের মত করে বলেন, আমি এখন কি করমু, তা বুঝতাছি না।
কয়েক দিন ধরে রাত জেগে থেকে তীরবর্তী এলাকার মানুষ আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে এলাকাবাসীরা জানান। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ মৃগী নদীতে বেশ কয়েকটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে এবং বর্তমানে অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নদীর উত্তরপাড়ে চকবড়ইগাছী ও বাছুর আলগা এলাকায় ওই ভাঙন শুরু হয়েছে। পাকা রাস্তার নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকিতে যাতায়াত করছেন পথচারীরা। ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতের ফলে প্রতি বছরই কোন না কান এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকার প্রবল ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া গত কয়েকদিনের অতি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নকলা উপজেলার গণপদ্দী, নকলা, উরফা, বানেশ্বররদী, অষ্টধর, পাঠাকাটা ও গৌড়দ্বার ইউনিয়নে অনেক ফসলী জমি ও আমন বীজ তলা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সারোয়ার আলম তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙনরোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, নদী ভাঙনে জান-মাল রক্ষায় সতর্ক থাকার জন্য কবলিত এলাকার লোকজনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কয়েকটি বাড়ি-ঘর ইতোমধ্যে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হযেছে। সম্ভব হলে নদী তীরবর্তী বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। সেই সাথে ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় মৃগী নদীর ভাঙনরোধে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাজহারুল ইসলাম জানান, রবিবার থেকে নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!