তুমি আছো বাঙালির হৃদয় চরে

মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান

ঘাতকের বজ্র বুলেটে নিথর
তোমার ক্ষতচিহ্নে নিঃস্ব মানুষের ঘর
তুমি কি নেই?
আছো, বাঙালির হৃদয় চরে।
১৫ই আগস্ট, ১৯৭৫। পৃথিবীর ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন। বঙ্গবন্ধুর প্রিয়তমা স্ত্রী, সস্তান, পুত্রবধূ, ভাই, স্বজন কাউকেই বাঁচতে দেয়নি হায়েনারা। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে সপরিবারে শহীদ হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সঙ্গে সেদিন প্রাণ হারান তার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ৩ ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, সেনা কর্মকর্তা শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, নবপরিণীতা দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, শিশু পৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আরজু মনি, নিকট আত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুর নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল। গোটা জাতি  ওই দিনের ঘটনায় ইতিহাসের নির্মম হত্যাজজ্ঞের ঘটনায় শাহাদতবরণকারী সবাইকে গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে। সেদিন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।
জীবনকে যেমন জয় করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তেমনি মৃত্যুকেও। বন্ধুদেরকে যেমন তিনি ভালোবাসতেন, শত্রু পক্ষ দমনেও প্রতিশোধের আগুনে কখনও জ্বলে ওঠতে দেখা যায়নি। মা তাকে মহত্ত্ব দিয়েছিলো। জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের ভাষ্য ছিলো, ‘বন্ধু বন্ধুর উপকার করবে। এটা কোনো মহৎ কাজ নয়। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কেউ যদি তার শত্রুর উপকার করে সেটাই হবে মহত্ত্ব।’ শত্রুদের প্রতিও মাশীল ছিলেন বঙ্গবন্ধু। রাজনীতিতে যারা তার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, তাদের বাড়িতেও পা রেখেছেন অবলীলায়। তাদেরও খোঁজ-খবর নিতেন প্রায়শই। বঙ্গবন্ধু যেদিন সমাহিত হলেন বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সহনশীলতা, মার মতো মহৎ বিষয়গুলোও বিদায় নিয়েছিলো। বিদায় নেয় ধর্মনিরপেতা, ভেঙে পড়ে সমাজতন্ত্রের মতো রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগুলোও।
দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও বঙ্গবন্ধুর সহচর ও শুভানুধ্যায়ীরা নাকি তাকে বারবার ওই অশনি সংকেতের জন্য সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু অকুতোভয় বীর সেইসব আমলে নেননি। তিনি কোনোদিন বিশ্বাস করেননি কোনো বাঙালি তাকে হত্যা করতে পারে। পাকিস্তানি সামরিক জান্তারাও তার বিশাল ব্যক্তিত্ব ও উদারতার কাছে ছিল নতজানু। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাবেননি বাংলার আলো-বাতাসে কোনোদিন বেড়ে উঠতে পারে তার ঘাতকেরা। রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর উত্থান দীর্ঘ এক ইতিহাসের নাম। সেই স্কুল জীবনেই শিার্থীদের অধিকার রায় অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন তিনি। কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নেতৃত্বগুণ শাণিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র থাকাকালে কর্মচারীদের আন্দোলনে প্রেরণা যোগানোর অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু তিনি মাথা নত করেননি। সেই যে তার মাথা উঁচু হয়েছিলো, জীবনে আর কখনও তা নিচু হয়নি। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ। একে একে নেতৃস্থানীয় পদে আসীন হয়েছেন তিনি। জনগণকে অন্তর দিয়ে ভালোবেসেছিলেন। জনগণও প্রতিদান দিতে ভুল করেনি। ‘ছয় দফা’ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে তাকে। পাকিস্তানি শাসকেরা তার বিরুদ্ধে দায়ের করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিণেও তিনি ছিলেন অবিচল। প্রেরণার বাতিঘর হয়েছিলেন বেগম মুজিব। শেষ পর্যন্ত জয় তাকে পরম মমতায় আবিষ্ট করেছিলো। বীরদর্পে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। লাখো জনতার সমাবেশে জনতার প থেকে তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে দেন বঙ্গবন্ধু উপাধি। স্বাধিকার আন্দোলন থেকে জাতিকে স্বাধীনতার আন্দোলনের দিকে ধাবিত করার প্রস্তুতিও চলতে থাকে। অবর্ণনীয় কারানির্যাতন সইতে হয় তাকে। ৭০’র নির্বাচনে জনগণ নিরঙ্কুশভাবে ভোট দেয় তাকে। এতে জয়ী হয় তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা শুরু করে নানা ষড়যন্ত্র। ঘনিয়ে আসতে থাকে চূড়ান্ত সময়। ৭ই মার্চ ১৯৭১। অতঃপর রেসকোর্সে দেখা মিলে রাজনৈতিক মহাকবির। দৃঢ়, দীপ্ত আর বজ্রকণ্ঠে তিনি ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন তিনি। এরই আগ মুহূর্তে তিনি ডাক দিয়ে যান স্বাধীনতার। শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। বাংলার কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, পুলিশ- যে যেভাবে পারেন প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অসীম ত্যাগও স্বীকার করতে হয় তাদের। ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ বা তার বেশি মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে মিলে স্বাধীনতা, মিলে মুক্তি। কিন্তু অপো বঙ্গবন্ধুর জন্য। পাকিস্তানি কারাগারে কেমন আছেন তিনি- সে উৎকণ্ঠায় দিন কাটে সমগ্র জাতির। অবশেষে ফিরে এলেন তিনি। তার প্রিয় বাংলাদেশে। অশ্রু আর আনন্দে একাকার লাল-সবুজ।
সেই যে বলেছি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাথা কোনোদিন নিচু হয়নি। স্বাধীন দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন তিনি। নিশ্চিত করেন, দ্রুত যেন ভারতীয় সৈন্যরা বাংলাদেশ ত্যাগ করে। যার মাধ্যমে তিনি ইতিহাসে অনন্য নজির স্থাপন করেন। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা মোটেও বসে ছিলো না। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ভেতরে ভেতরে শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে। অতি বিপ্লবীদের হঠকারিতাও বিপাকে ফেলেছিলো বঙ্গবন্ধুকে। এরইমধ্যে ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তি চূড়ান্ত আঘাত হানে। কিছু উচ্ছৃঙ্খল সেনাসদস্য হত্যা করে জাতির পিতাকে। এ কথা সত্য, সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেদিন সঠিক পদপে নিতে পারেননি। যে কারণে গুটিকয়েক বিপথগামী সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে সেদিন প্রতিরোধ গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে পড়েছিলো।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খোন্দকার মোশ্তাকের নেতৃত্বে কুচক্রী মহলের সক্রিয় সদস্যরা গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছিলো। শুরু হয় বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতির জঘন্যতম অপচেষ্টা। চলেও দীর্ঘদিন। এ অবস্থায় দীর্ঘ আন্দোলন ও প্রতীক্ষার পর ১৯৯৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করলে দুস্কৃতিকারীদের সেই অপচেষ্টা বৃথায় পর্যবসিত হয়। শুরু হয় নতুন চক্রান্ত। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী সেই কু-চক্রী মহল ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে। ওইসময় আওয়ামী লীগের বীর সেনানী আইভী রহমানসহ ২৪টি তাজা প্রাণ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে আজকের প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করেছিলো। এছাড়াও শেখ হাসিনার জীবনাবসানে ওই অপশক্তি বার বার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামী লীগ তৃতীয় দফায় যখন সরকারে আসীন ঠিক তখনই কুচক্রীদের ক্ষমতার লুলোপ দৃষ্টি আবারও আত্মচ্ছন্ন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গী সংগঠনের নামে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অপ্রীতিকর নিন্দনীয় ঘটনার জন্ম দিয়ে চলেছে। এর মধ্যে গুলশানের হলি আর্টিজান ও দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত শোলাকিয়া হামলা পূর্বের সকল জঙ্গিপনাকে ছাপিয়ে গেছে। যে নিরস্ত্র জাতি এক মহান নেতার অঙ্গুলি হেলানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করতে পারে, সেই জাতিকে জঙ্গিবাদের ভয় দেখিয়ে দমানো যাবে না।
মহানায়কের মৃত্যু নেই- ইতিহাসের সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি ফিরে আসেন প্রবল প্রতাপে। বর্তমান আওয়ামী লীগের সুদৃঢ় নেতৃত্বগুণে সারাদেশব্যাপী মুজিব আদর্শের সৈনিকরা সজাগ হওয়ায় মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কাছে হেরে যাচ্ছে চক্রান্তকারীরা। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। ২০১০ সালের ২৮শে জানুয়ারি ৫ খুনির মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন এখনও পলাতক রয়েছেন। তবে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অনেক কিছুই আজও খোলাসা হয়নি। ইতিহাস হয়তো তা বয়ে বেড়াবে না, খোলাসা করবেই কোনো একদিন।
পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। জাতির পিতা হত্যাকান্ডের ৪১তম শোকাবহ মাস চলছে এখন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের আদর্শেই বেড়ে ওঠা তাদের সন্তানরা, দোসররা, তাদের হাতে গজানো রাজনীতিবিদরা এখনও এ দেশকে পাকিস্তান নামক ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর দুঃস্বপ্নে বিভোর। তাদের মনে রাখা দরকার, ১৯৭৫ আর ২০১৬ এর প্রক্ষাপট এক নয়।  ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদের দায় তাদেরই মাথা পেতে নিতে হবে। জাতির ওই অশুভ চক্রকে কখনওই ক্ষমা করবে না। একাত্তরের এই পরাজিত শক্তি আজ বিপুল বিত্ত-বৈভবের মালিক, এই ধন-সম্পত্তি ব্যবহৃত হচ্ছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দেশবিরোধী নানা কুটচালে।
তাই এই শোকের মাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও অসাম্প্রদায়িকতা বিশ্বাসী সকল গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বর্তমান আওয়ামী সরকারের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে নির্লোভ দায়িত্ব পালন করি। তবেই খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ পরিণত হবে একটি সুখী সমৃদ্ধ উন্নত দেশে। একইসাথে বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টিকর্ম, নীতি আদর্শ নতুন প্রজন্মের গহীনে প্রোথিত হবে। আজকের প্রজন্মের প্রতিটি প্রাণে উচ্চারিত হোকÑ
যতোদিন রবো গেয়ে যাবো তোমারই জয়গান
তুমি বর্ণমালা
বাঙালি হৃদয়ে একফালি উর্বর ভূমি
তুমি একটি পতাকা, একটি মানচিত্র
তুমি মুজিব, তুমি আমার।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, শ্যামলবাংলা২৪ডটকম ও বার্তা সম্পাদক, সাপ্তাহিক দশকাহনীয়া, শেরপুর।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

অবাধে মাছ নিধন অমানবিক নির্যাতনে শিশুর মৃত্যু আত্মহত্যা আহত ইয়াবা উদ্ধার উড়াল সড়ক খুন গাছে বেঁধে নির্যাতন গাছের চারা বিতরণ ঘূর্ণিঝড় 'কোমেন' চাঁদা না পেয়ে স্কুলে হামলা ছিটমহল জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জাতীয় শোক দিবস জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ ঝিনাইগাতী টেস্ট ড্র ড. গোলাম রহমান রতন পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী বন্যহাতির তান্ডব বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে নিহত বাল্যবিয়ের হার ভেঙে গেছে ব্রিজ মতিয়া চৌধুরী মাদারীপুর মির্জা ফখরুলের মেডিকেল রিপোর্ট রিমান্ডে লাশ উদ্ধার শাবলের আঘাতে শিশু খুন শাহ আলম বাবুল শিশু রাহাত হত্যা শেরপুর শেরপুরে অপহরণ শেরপুরে বন্যা শেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংঘর্ষে নিহত ৫ স্কুলছাত্র রাহাত হত্যা স্কুলছাত্রী অপহরণ হাতি বন্ধু কর্মশালা হুইপ আতিক হুমকি ২ স্কুলছাত্রী হত্যা
error: Content is protected !!