প্রকাশকাল: 10 জুলাই, 2019

ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ী ঢলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ॥ শতশত মানুষ পানিবন্দি

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত ৩ দিন ধরে অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানির তোড়ে মহারশী নদীর দিঘিরপাড় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ ভেঙ্গে ৩টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীর ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকদের বীজতলা। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুচনীপাড়া-বাগেরভিটা রাস্তা বিধ্বস্ত হয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, পাহাড়ী ঢলের পানিতে সুরিহারা, দিঘিরপাড়, চতল, রামনগর, কালিনগর, দরিকালিনগর, বালুরচর, দারিয়ারপাড়, দেবোত্তরপাড়া, জুলগাঁও, হাসলিগাঁও, বানিয়াপাড়া, রাঙামাটি, হাতিবান্ধা, লয়খা, কামারপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ পানি বন্দি হয়ে পরেছে। পানিতে ভেসে গেছে ওইসব গ্রামের অনেক পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে কৃষকদের বীজতলা।
বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ সদর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান মহারশী নদীর দিঘিরপাড় বিধ্বস্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ এলাকা পরিদর্শন করেন। ওইসময় নদী গর্ভে বিলীন হওয়া ৩ পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন ইউএনও রুবেল মাহমুদ।
ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলায় ৬৭০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। তন্মধ্যে ১৫ হেক্টর জমির বীজতলা পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। ঝিনাইগাতী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সিরাজুস সালেহীন জানান, পানিতে তলিয়ে কি পরিমাণ মাছের ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

error: Content is protected !!