রাত ৯:৪৪ | শনিবার | ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঘুরে আসুন সিলেটের বিছানাকান্দি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা সিলেট। সিলেটে বেড়ানোর জন্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার মতো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যারা একইসাথে ভ্রমণপিপাসু এবং প্রকৃতি প্রেমী তাদের জন্য সবচেয়ে পছন্দনীয় জায়গা হচ্ছে সিলেট। বিছানাকান্দি সিলেটের পছন্দনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো সিলেটের পাথর কোয়ারী খ্যাত বিছানাকান্দি সম্পর্কে।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বিছানাকান্দি। বিছানাকান্দিকে সিলেটের পাথর কোয়ারী বলা হয়। বিছানাকান্দি ছাড়া জাফলংকেও পাথর কোয়ারী বলা হয়। কিন্তু আজকাল অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলনের কারণে জাফলং আর আগের মতো নেই। কিন্তু বিছানাকান্দি ঠিক আগের মতোই তার সৌন্দর্য ধরে রেখেছে।
বিছানাকান্দি ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশের বর্ডারে অবস্থিত। মেঘালয়ের পাহাড় থেকে স্বচ্ছ পানি এসে ছোট বড় পাথরের উপর পড়ে সৃষ্টি করে এক মনোরম পরিবেশ। প্রকৃতি প্রেমিদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় স্থান এই বিছানাকান্দি। পর্যটকদের কাছে বিছানাকান্দির পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ পানি এবং পাহাড়ের উপর মেঘের আনাগোনাই হচ্ছে মূল আকর্ষন। পানি, পাহাড়, পাথর, বাতাস এবং আকাশ নিয়েই যেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের মায়াজালে বাধা এই বিছানাকান্দি। মনোরম পরিবেশে মনে হবে যেন গা এলিয়ে দেই প্রকৃতির বুকে। ব্যস্ততম শহরের জঞ্জালময় জীবনে নেমে আসবে প্রশান্তি। এতোটাই প্রশান্তি যে আপনাকে বারবার টেনে আনবে অনাবিল সৌন্দর্যের এই বিছানাকান্দিতে।

img-add

কখন যাবেন বিছানাকান্দি?
যে কোন সময়ই যেতে পারেন বিছানাকান্দিতে। তবে শীতকালে না যাওয়াই ভালো। এসময় পানি তুলনামুলক কম থাকে তাই বিছানাকান্দি তার রূপ হারিয়ে ফেলে। কিন্তু বর্ষাকাল হচ্ছে বিছানাকান্দিতে যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এসময় চারিদিকে পানি থাকে এবং প্রকৃতি তার অপরুপ সৌন্দর্য ফিরে পায়। তাই বর্ষাকাল বিছানাকান্দি যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

কিভাবে যাবেন?
দেশের যেকোনো জায়গা থেকে বিছানাকান্দি যেতে চাইলে প্রথমেই আপনাকে সিলেট যেতে হবে। দেশের যেকোনো স্থান থেকে বাস, ট্রেন কিংবা নিজস্ব গাড়ি ইত্যাদির মাধ্যমে আপনি যেতে পারেন বিছানাকান্দি।

ঢাকা থেকে কিভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে প্রথমে আপনাকে সিলেট যেতে হবে। সেজন্য আপনি বাস, ট্রেন কিংবা প্লেনে করেও যেতে পারেন। আর নিজস্ব গাড়ি থাকলেতো আর কথাই নেই। সিলেটে পৌঁছে প্রথমে আম্বরখানা থেকে সি এন জি কিংবা অটো দিয়ে যাবেন হাদার বাজার। হাদার বাজার থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দুরত্বেই রয়েছে বিছানাকান্দি। হাদার বাজার থেকে নৌকা ঠিক করে তাতে করেই একেবারেই পৌঁছে যাবেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বিছানাকান্দিতে।

যাতায়াত খরচ
ঢাকা থেকে ফকিরাপুর, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে এনা, এস আলম, শ্যামলী, সৌদিয়া এবং গ্রীন লাইন পরিবহনে এসি বাস দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া হবে ৭০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। নন এসি বাসে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়ায় পেয়ে যাবেন। ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়ন্তিকা, উপবন, কালোনী এবং পারাবত এক্সপ্রেস করে যেতে পারেন।
এছাড়াও ঢাকা থেকে আকাশ পথেও যেতে পারেন। খুব অল্প সময়ে পৌঁছে যাবেন আকাশপথে গেলে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রিজেন্ট, ইউনাইটেড, নভো, ইউএস বাংলা এয়ার অথবা বাংলাদেশ বিমানে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার খরচ পরতে পারে ৩০০০ থেকে ৭০০০ পর্যন্ত। ঢাকার বাহিরে যেকোনো জায়গা থেকে বাস কিংবা ট্রেনে করে যেতে পারেন সিলেট বিছানাকান্দিতে।

কোথায় থাকবেন?
বিছানাকান্দি থেকে সিলেটের দুরত্ব বেশি না। বিছানাকান্দিতে থাকার তেমন সুব্যবস্থা নেই। তাই সারাদিন ঘুরাঘুরির পর সিলেটে গিয়ে ভালো কোন হোটেল কিংবা রিসোর্টে থাকতে পারেন। সিলেটে থাকার জন্য ভালো হোটেল আছে। কম খরচে সিলেটের লালা বাজার এবং দারোগা রোডে থাকার জন্য খুব ভালো হোটেল পেয়ে যাবেন।

কি খাবেন?
বিছানাকান্দিতে খাওয়ার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। বাহির থেকে খাবার নিয়ে আসতে পারেন। হাদার বাজারে কিছু লোকাল খাবারের হোটেল আছে এসব হোটেলে গিয়ে খেতে পারেন। তাছাড়া সিলেটে ভালো রেস্টুরেন্ট আছে। আপনি চাইলে বিছানাকান্দিতে ঘুরে সিলেটে গিয়েও খেতে পারেন। শুকনা খাবার এবং পানি সাথে নিয়ে যেতে পারেন।

বিছানাকান্দিতে ভ্রমণের কিছু টিপস
নৌকা ও সি এন জি ভাড়া করার সময় ভালো করে দরদাম করুন।
পারলে দলবদ্ধ হয়ে যান তাহলে খরচ কম হবে।
স্থানিয়দের সাথে ভালো ব্যবহার করুন, তাদের সাথে বিনয়ী থাকার চেষ্টা করুন।
পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি হয় এমন কিছু করবেন না।
বিছানাকান্দিতে ভ্রমণের কিছু সতর্কতা
বিছানাকান্দিতে চারদিকে অনেক পাথর। তাই সাবধানে হাঁটা চলা করুন।
পানিতে নামার আগে খুব সাবধানতা অবলম্বন করুন।
বর্ষাকালে পানির স্রোত খুব বেশি থাকে, এসময় পানিতে নামার আগে খুব সাবধান থাকুন।
সন্ধার আগেই শহরে ফিরে আসার চেষ্টা করুন।
প্রকৃতির অপরিসীম সৌন্দর্যের খুব কাছে যেতে চাইলে অবশ্যই ঘুরে আসবেন বিছানাকান্দি। আপনার ব্যস্ততম জঞ্জালময় জীবনে নেমে আসবে প্রশান্তি। পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন পাথর, পানি এবং পাহাড়ের মায়ায় জড়ানো বিছানাকান্দিতে!

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» নালিতাবাড়ীতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে মালিঝি নদীর খনন কাজ শুরু

» প্রথম দফায় পাকিস্তান সফরের দল ঘোষণা : ফিরলেন তামিম, নতুন মুখ হাসান মাহমুদ

» সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান মারা গেছেন

» নকলায় ৪ শতাধিক শীতার্তের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» শেরপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত

» শেরপুরে সঞ্চয় সপ্তাহ শুরু

» ৭৫ এ বিয়ে করে হাসপাতালে দীপঙ্কর দে!

» ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবারে যে উপকার হয়

» পরাজয় নিশ্চিত জেনেই ইভিএমের বিরুদ্ধে বিএনপি: কাদের

» বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শিরোপা জিতলো রাজশাহী

» ২০১৯ সালে জাপানে আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা ১৯,৯৫৯

» তুষার আল নূর’র পদ্য ‘চিঠি’

» নকলায় সরকারি গুদামে চাল সংগ্রহ শুরু

» শেরপুরে এবার বিডি ক্লিনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন হলো নতুন বাস টার্মিনাল

» শেরপুরে খ্রীষ্টান পল্লীতে যাজকীয় অভিষেক অনুষ্ঠিত

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৯:৪৪ | শনিবার | ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঘুরে আসুন সিলেটের বিছানাকান্দি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা সিলেট। সিলেটে বেড়ানোর জন্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার মতো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যারা একইসাথে ভ্রমণপিপাসু এবং প্রকৃতি প্রেমী তাদের জন্য সবচেয়ে পছন্দনীয় জায়গা হচ্ছে সিলেট। বিছানাকান্দি সিলেটের পছন্দনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো সিলেটের পাথর কোয়ারী খ্যাত বিছানাকান্দি সম্পর্কে।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বিছানাকান্দি। বিছানাকান্দিকে সিলেটের পাথর কোয়ারী বলা হয়। বিছানাকান্দি ছাড়া জাফলংকেও পাথর কোয়ারী বলা হয়। কিন্তু আজকাল অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলনের কারণে জাফলং আর আগের মতো নেই। কিন্তু বিছানাকান্দি ঠিক আগের মতোই তার সৌন্দর্য ধরে রেখেছে।
বিছানাকান্দি ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশের বর্ডারে অবস্থিত। মেঘালয়ের পাহাড় থেকে স্বচ্ছ পানি এসে ছোট বড় পাথরের উপর পড়ে সৃষ্টি করে এক মনোরম পরিবেশ। প্রকৃতি প্রেমিদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় স্থান এই বিছানাকান্দি। পর্যটকদের কাছে বিছানাকান্দির পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ পানি এবং পাহাড়ের উপর মেঘের আনাগোনাই হচ্ছে মূল আকর্ষন। পানি, পাহাড়, পাথর, বাতাস এবং আকাশ নিয়েই যেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের মায়াজালে বাধা এই বিছানাকান্দি। মনোরম পরিবেশে মনে হবে যেন গা এলিয়ে দেই প্রকৃতির বুকে। ব্যস্ততম শহরের জঞ্জালময় জীবনে নেমে আসবে প্রশান্তি। এতোটাই প্রশান্তি যে আপনাকে বারবার টেনে আনবে অনাবিল সৌন্দর্যের এই বিছানাকান্দিতে।

img-add

কখন যাবেন বিছানাকান্দি?
যে কোন সময়ই যেতে পারেন বিছানাকান্দিতে। তবে শীতকালে না যাওয়াই ভালো। এসময় পানি তুলনামুলক কম থাকে তাই বিছানাকান্দি তার রূপ হারিয়ে ফেলে। কিন্তু বর্ষাকাল হচ্ছে বিছানাকান্দিতে যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এসময় চারিদিকে পানি থাকে এবং প্রকৃতি তার অপরুপ সৌন্দর্য ফিরে পায়। তাই বর্ষাকাল বিছানাকান্দি যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

কিভাবে যাবেন?
দেশের যেকোনো জায়গা থেকে বিছানাকান্দি যেতে চাইলে প্রথমেই আপনাকে সিলেট যেতে হবে। দেশের যেকোনো স্থান থেকে বাস, ট্রেন কিংবা নিজস্ব গাড়ি ইত্যাদির মাধ্যমে আপনি যেতে পারেন বিছানাকান্দি।

ঢাকা থেকে কিভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে প্রথমে আপনাকে সিলেট যেতে হবে। সেজন্য আপনি বাস, ট্রেন কিংবা প্লেনে করেও যেতে পারেন। আর নিজস্ব গাড়ি থাকলেতো আর কথাই নেই। সিলেটে পৌঁছে প্রথমে আম্বরখানা থেকে সি এন জি কিংবা অটো দিয়ে যাবেন হাদার বাজার। হাদার বাজার থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দুরত্বেই রয়েছে বিছানাকান্দি। হাদার বাজার থেকে নৌকা ঠিক করে তাতে করেই একেবারেই পৌঁছে যাবেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বিছানাকান্দিতে।

যাতায়াত খরচ
ঢাকা থেকে ফকিরাপুর, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে এনা, এস আলম, শ্যামলী, সৌদিয়া এবং গ্রীন লাইন পরিবহনে এসি বাস দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া হবে ৭০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। নন এসি বাসে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়ায় পেয়ে যাবেন। ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়ন্তিকা, উপবন, কালোনী এবং পারাবত এক্সপ্রেস করে যেতে পারেন।
এছাড়াও ঢাকা থেকে আকাশ পথেও যেতে পারেন। খুব অল্প সময়ে পৌঁছে যাবেন আকাশপথে গেলে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রিজেন্ট, ইউনাইটেড, নভো, ইউএস বাংলা এয়ার অথবা বাংলাদেশ বিমানে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার খরচ পরতে পারে ৩০০০ থেকে ৭০০০ পর্যন্ত। ঢাকার বাহিরে যেকোনো জায়গা থেকে বাস কিংবা ট্রেনে করে যেতে পারেন সিলেট বিছানাকান্দিতে।

কোথায় থাকবেন?
বিছানাকান্দি থেকে সিলেটের দুরত্ব বেশি না। বিছানাকান্দিতে থাকার তেমন সুব্যবস্থা নেই। তাই সারাদিন ঘুরাঘুরির পর সিলেটে গিয়ে ভালো কোন হোটেল কিংবা রিসোর্টে থাকতে পারেন। সিলেটে থাকার জন্য ভালো হোটেল আছে। কম খরচে সিলেটের লালা বাজার এবং দারোগা রোডে থাকার জন্য খুব ভালো হোটেল পেয়ে যাবেন।

কি খাবেন?
বিছানাকান্দিতে খাওয়ার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। বাহির থেকে খাবার নিয়ে আসতে পারেন। হাদার বাজারে কিছু লোকাল খাবারের হোটেল আছে এসব হোটেলে গিয়ে খেতে পারেন। তাছাড়া সিলেটে ভালো রেস্টুরেন্ট আছে। আপনি চাইলে বিছানাকান্দিতে ঘুরে সিলেটে গিয়েও খেতে পারেন। শুকনা খাবার এবং পানি সাথে নিয়ে যেতে পারেন।

বিছানাকান্দিতে ভ্রমণের কিছু টিপস
নৌকা ও সি এন জি ভাড়া করার সময় ভালো করে দরদাম করুন।
পারলে দলবদ্ধ হয়ে যান তাহলে খরচ কম হবে।
স্থানিয়দের সাথে ভালো ব্যবহার করুন, তাদের সাথে বিনয়ী থাকার চেষ্টা করুন।
পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি হয় এমন কিছু করবেন না।
বিছানাকান্দিতে ভ্রমণের কিছু সতর্কতা
বিছানাকান্দিতে চারদিকে অনেক পাথর। তাই সাবধানে হাঁটা চলা করুন।
পানিতে নামার আগে খুব সাবধানতা অবলম্বন করুন।
বর্ষাকালে পানির স্রোত খুব বেশি থাকে, এসময় পানিতে নামার আগে খুব সাবধান থাকুন।
সন্ধার আগেই শহরে ফিরে আসার চেষ্টা করুন।
প্রকৃতির অপরিসীম সৌন্দর্যের খুব কাছে যেতে চাইলে অবশ্যই ঘুরে আসবেন বিছানাকান্দি। আপনার ব্যস্ততম জঞ্জালময় জীবনে নেমে আসবে প্রশান্তি। পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন পাথর, পানি এবং পাহাড়ের মায়ায় জড়ানো বিছানাকান্দিতে!

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!