সকাল ৭:০৪ | সোমবার | ২৫শে মে, ২০২০ ইং | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঘুরে আসুন কালাগুল চা বাগান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ঘড়ির কাঁটায় তখনও ছয়টা হয়নি। এর মাঝেই আমাদের পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য সপ্তক ঘুম থেকে উঠেই ঘুরতে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় শুরু করল। এদিকে আমি তো আছি দিবা নিদ্রায় শায়িত। সপ্তক কানের কাছে শুরু করল ঘ্যান ঘ্যান, ওঠো ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি তা না হলে বেশি বেশি ঘুরতে পারব না। নিরুপায় হয়ে ঘুম থেকে উঠতেই হল।

img-add

এদিকে ফোন দিলাম পাইলট মহোদয়কে সময় মতো চলে আসতে। বের হতে দেরি হলে উপায় নেই। যাই হোক সময় মতোই বের হলাম আমরা গন্তব্য পথে। ও, বলা হল না, আমরা চলছি আজ স্নিগ্ধ চা বাগান কালাগুল চা বাগানের দিকে। কালাগুল চা বাগান বাংলাদেশের সিলেট জেলায় অবস্থিত একটি চা বাগান। সিলেট শহরের উত্তর প্রান্ত ঘিরে ১৫ কিলোমিটার দূরে মনোলোভা একটি চা বাগান কালাগুল চা বাগান।

কালাগুল চা বাগানে যাওয়ার আরেকটি কারণও আছে তা হল, কথিত আছে যে সনাতন ধর্মের এক দেবীর পীঠস্থান এ কালাগুল চা বাগানে। যার নাম মহালক্ষ্মী গ্রীবা পীঠ, তাই ঘুরতে যাওয়া ওই দিকে। ঘুরাও হল সঙ্গে একটি ধর্মীয় স্থান দর্শনও হল।

আমরা চলছি নগরীর কোলাহলপূর্ণ এলাকা পেরিয়ে। সূর্যদেবের প্রভা মহাসড়কের পথকে উজ্জ্বল করে তুলেছে। চৌহাট্টা, আম্বরখানা, মালিনিছরা চা বাগান পেরিয়ে চলছি এগিয়ে। নতুন মসৃণ পথে বেশ ভালোই চলছিলাম আমরা। কিন্তু ধোপাগুল পেরিয়ে সাহেববাজার অভিমুখে পা ফেলতেই কিছুটা পথ বিরক্তির কারণ হল বৈকি। যাই হোক এর পরের রাস্তা বেশ ভালো ছিল।

গ্রামীণ পিচঢালা পথে চলছি এগিয়ে। পথে দেখা পেলাম ধানক্ষেতে হংস বলাকার অবাধ বিচরণ। কোথাও আবার বক পাখির বাধাহীন ওড়াউড়ি। বেশ ভালোই লাগছিল শরতের প্রকৃতি। সাহেববাজারে এসে এবার ডানদিকে মোড় নিতে হবে আমাদের। কিন্তু মোড় নিয়েই বিপত্তিতে পড়লাম আমরা। সামনে পাড়ি দিতে হবে খাড়া ব্রিজ। নিরুপায় হয়ে গাড়ি থেকে নামতেই হল। পদব্রজে এগিয়ে চললাম চা বাগান পানে। চা গাছে নতুন কুড়ি এসেছে তাই গাছগুলো নব যৌবন পেয়েছে। রৌদ্র-ছায়ায় চমৎকার লাগছিল।

বাগানের পথ, তাই কিছুটা বেগ পেতেই হবে। ধারণা ছিল আমাদের আগের থেকে। তাই কষ্টকে তেমন একটা কষ্ট বলে মনেই হয়নি। চা বাগানের মাঝ দিয়ে মাটির রাস্তা ধরে আমরা এগিয়ে চলছি। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি ছড়া। চারপাশে সবুজের সমারোহ। নীল আকাশের নিচে যেন সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি। উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ।

শুধু সবুজ আর সবুজ। কোনো যান্ত্রিক দূষণ নেই। প্রকৃতির সব সৌন্দর্যের সম্মিলন যেন এখানে। এমন অন্তহীন সৌন্দর্যে একাকার হয়ে আছে এ চা বাগান। বাগানে প্রবেশের পরপরই মেঠো পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে শোনা যাচ্ছিল কিচিরমিচির, যেন আমাদের স্বাগত জানাতে উল্লাসে মেতেছে নানা জাতের বুনো পাখি। আমরা চা বাগানের পথে হাঁটতে হাঁটতে এসে পৌঁছলাম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীও স্থানে। শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ। আমাদের মতো বেশ ভক্তের আনাগোনা চোখে পড়ল। পুরো মন্দির আমরা ঘুরে দেখতে লাগলাম। প্রথমেই দেখা পেলাম মূল মন্দিরের।

সেখানে পূজারি ব্রাহ্মণ পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম ভৈরবের থলির (যেখানে শিবের পূজা হয়)। দেখলাম অনেকেই মনবাসনা পূরণের নিমিত্তে সুতা বাঁধছেন। কিছু দূরে দেখা পেলাম পদ্ম পুকুরের। পুকুর ভরে পদ্ম ফুল ফুটে রয়েছে। আমাদের খুদে বন্ধু এসব দেখে খুব আনন্দিত।

পুকুর পাড়ে দেখা পেলাম লজ্জাবতি গাছের। আমাদের শহুরে জীবনে লজ্জাবতি গাছের দেখা পাওয়া নিতান্ত ভাগ্যের ব্যাপার। সপ্তক তো ঘুরে ঘুরে প্রতিটি গাছে স্পর্শ করছে আর গাছের নুয়ে পড়া দেখে খুব আনন্দিত হচ্ছে।

চার পাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ যে কারোরই ভালো লাগবে। মন্দিরে পূজা দিলাম। কালাগুলে অনেক দরিদ্র পরিবারের বাস, বেশিরভাগই অনাহারে দিন কাটাতে হয়। তাই আগের থেকেই পরিকল্পনা ছিল এ অনাহারি মানুষের মুখে যদি একটি বেলা আহার তুলে দেয়া যায় তাহলে মন্দ হয় না।

সে ভাবেই আগের থেকে বলা ছিল। দুপুর হতেই ছোট ছোট বাচ্চারা হাজির হতে থাকল। সবাই সারিবদ্ধভাবে বসেও গেল। তাদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হল। সবাই খুশি মনে অন্ন গ্রহণ করল।

শহুরে জীবনধারার মতো চাকচিক্যময় নয় তাদের জীবন। নিতান্ত সাধারণভাবে তাদের চলাফেরা। দিনব্যাপী বাচ্চাদের সঙ্গে কাটিয়ে বিকাল বেলার দিকে আমরা ফিরে চললাম শহর পানে।

যাবেন কীভাবে :

ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, রাজারবাগ ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রিন লাইন, শ্যামলী, এনা, হানিফ বা বিআরটিসি বাসে অথবা ট্রেনে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকালে আন্তঃনগর পারাবাত, দুপুরে জয়ন্তিকা ও কালনী এবং রাতে উপবন সিলেটের পথে ছোটে। ভাড়া ৩২০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। সিলেট শহরের বন্দরবাজার থেকে সিএনজি নিয়ে চলে যান কালাগুল চা বাগানে। রিজার্ভ যাওয়া আসা পড়বে ৬০০ টাকা।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ পালন করুন : কাদের

» তিনটি জীবন্ত ‘করোনা ভাইরাস’ ছিল উহানের ল্যাবে!

» ঘরে বসেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

» শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ

» সাধারণ ছুটি বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

» শেরপুরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন হুইপ আতিক

» শেরপুরের ৭ গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর পালিত

» সাবেক এমপি শ্যামলী ॥ মানবতার এক অনন্য ফেরীওয়ালা

» শেরপুরে পত্রিকার হকারদের মাঝে পুলিশের ঈদ উপহার

» শেরপুরে আরও দুইজনের করোনা শনাক্ত ॥ জেলায় মোট আক্রান্ত ৭৭

» ঈদে শবনম ফারিয়ার চমক

» করোনায় একদিনে রেকর্ড ২৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৩২

» শেরপুরে ৩ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

» শেরপুরের সূর্যদীর সেই শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর পাশে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব

» শেরপুরে ৯৬ শিক্ষার্থীর ভাড়া মওকুফ করে দিলেন ছাত্রাবাসের মালিক

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  সকাল ৭:০৪ | সোমবার | ২৫শে মে, ২০২০ ইং | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঘুরে আসুন কালাগুল চা বাগান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ঘড়ির কাঁটায় তখনও ছয়টা হয়নি। এর মাঝেই আমাদের পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য সপ্তক ঘুম থেকে উঠেই ঘুরতে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় শুরু করল। এদিকে আমি তো আছি দিবা নিদ্রায় শায়িত। সপ্তক কানের কাছে শুরু করল ঘ্যান ঘ্যান, ওঠো ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি তা না হলে বেশি বেশি ঘুরতে পারব না। নিরুপায় হয়ে ঘুম থেকে উঠতেই হল।

img-add

এদিকে ফোন দিলাম পাইলট মহোদয়কে সময় মতো চলে আসতে। বের হতে দেরি হলে উপায় নেই। যাই হোক সময় মতোই বের হলাম আমরা গন্তব্য পথে। ও, বলা হল না, আমরা চলছি আজ স্নিগ্ধ চা বাগান কালাগুল চা বাগানের দিকে। কালাগুল চা বাগান বাংলাদেশের সিলেট জেলায় অবস্থিত একটি চা বাগান। সিলেট শহরের উত্তর প্রান্ত ঘিরে ১৫ কিলোমিটার দূরে মনোলোভা একটি চা বাগান কালাগুল চা বাগান।

কালাগুল চা বাগানে যাওয়ার আরেকটি কারণও আছে তা হল, কথিত আছে যে সনাতন ধর্মের এক দেবীর পীঠস্থান এ কালাগুল চা বাগানে। যার নাম মহালক্ষ্মী গ্রীবা পীঠ, তাই ঘুরতে যাওয়া ওই দিকে। ঘুরাও হল সঙ্গে একটি ধর্মীয় স্থান দর্শনও হল।

আমরা চলছি নগরীর কোলাহলপূর্ণ এলাকা পেরিয়ে। সূর্যদেবের প্রভা মহাসড়কের পথকে উজ্জ্বল করে তুলেছে। চৌহাট্টা, আম্বরখানা, মালিনিছরা চা বাগান পেরিয়ে চলছি এগিয়ে। নতুন মসৃণ পথে বেশ ভালোই চলছিলাম আমরা। কিন্তু ধোপাগুল পেরিয়ে সাহেববাজার অভিমুখে পা ফেলতেই কিছুটা পথ বিরক্তির কারণ হল বৈকি। যাই হোক এর পরের রাস্তা বেশ ভালো ছিল।

গ্রামীণ পিচঢালা পথে চলছি এগিয়ে। পথে দেখা পেলাম ধানক্ষেতে হংস বলাকার অবাধ বিচরণ। কোথাও আবার বক পাখির বাধাহীন ওড়াউড়ি। বেশ ভালোই লাগছিল শরতের প্রকৃতি। সাহেববাজারে এসে এবার ডানদিকে মোড় নিতে হবে আমাদের। কিন্তু মোড় নিয়েই বিপত্তিতে পড়লাম আমরা। সামনে পাড়ি দিতে হবে খাড়া ব্রিজ। নিরুপায় হয়ে গাড়ি থেকে নামতেই হল। পদব্রজে এগিয়ে চললাম চা বাগান পানে। চা গাছে নতুন কুড়ি এসেছে তাই গাছগুলো নব যৌবন পেয়েছে। রৌদ্র-ছায়ায় চমৎকার লাগছিল।

বাগানের পথ, তাই কিছুটা বেগ পেতেই হবে। ধারণা ছিল আমাদের আগের থেকে। তাই কষ্টকে তেমন একটা কষ্ট বলে মনেই হয়নি। চা বাগানের মাঝ দিয়ে মাটির রাস্তা ধরে আমরা এগিয়ে চলছি। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি ছড়া। চারপাশে সবুজের সমারোহ। নীল আকাশের নিচে যেন সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি। উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ।

শুধু সবুজ আর সবুজ। কোনো যান্ত্রিক দূষণ নেই। প্রকৃতির সব সৌন্দর্যের সম্মিলন যেন এখানে। এমন অন্তহীন সৌন্দর্যে একাকার হয়ে আছে এ চা বাগান। বাগানে প্রবেশের পরপরই মেঠো পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে শোনা যাচ্ছিল কিচিরমিচির, যেন আমাদের স্বাগত জানাতে উল্লাসে মেতেছে নানা জাতের বুনো পাখি। আমরা চা বাগানের পথে হাঁটতে হাঁটতে এসে পৌঁছলাম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীও স্থানে। শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ। আমাদের মতো বেশ ভক্তের আনাগোনা চোখে পড়ল। পুরো মন্দির আমরা ঘুরে দেখতে লাগলাম। প্রথমেই দেখা পেলাম মূল মন্দিরের।

সেখানে পূজারি ব্রাহ্মণ পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলাম ভৈরবের থলির (যেখানে শিবের পূজা হয়)। দেখলাম অনেকেই মনবাসনা পূরণের নিমিত্তে সুতা বাঁধছেন। কিছু দূরে দেখা পেলাম পদ্ম পুকুরের। পুকুর ভরে পদ্ম ফুল ফুটে রয়েছে। আমাদের খুদে বন্ধু এসব দেখে খুব আনন্দিত।

পুকুর পাড়ে দেখা পেলাম লজ্জাবতি গাছের। আমাদের শহুরে জীবনে লজ্জাবতি গাছের দেখা পাওয়া নিতান্ত ভাগ্যের ব্যাপার। সপ্তক তো ঘুরে ঘুরে প্রতিটি গাছে স্পর্শ করছে আর গাছের নুয়ে পড়া দেখে খুব আনন্দিত হচ্ছে।

চার পাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ যে কারোরই ভালো লাগবে। মন্দিরে পূজা দিলাম। কালাগুলে অনেক দরিদ্র পরিবারের বাস, বেশিরভাগই অনাহারে দিন কাটাতে হয়। তাই আগের থেকেই পরিকল্পনা ছিল এ অনাহারি মানুষের মুখে যদি একটি বেলা আহার তুলে দেয়া যায় তাহলে মন্দ হয় না।

সে ভাবেই আগের থেকে বলা ছিল। দুপুর হতেই ছোট ছোট বাচ্চারা হাজির হতে থাকল। সবাই সারিবদ্ধভাবে বসেও গেল। তাদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হল। সবাই খুশি মনে অন্ন গ্রহণ করল।

শহুরে জীবনধারার মতো চাকচিক্যময় নয় তাদের জীবন। নিতান্ত সাধারণভাবে তাদের চলাফেরা। দিনব্যাপী বাচ্চাদের সঙ্গে কাটিয়ে বিকাল বেলার দিকে আমরা ফিরে চললাম শহর পানে।

যাবেন কীভাবে :

ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, রাজারবাগ ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রিন লাইন, শ্যামলী, এনা, হানিফ বা বিআরটিসি বাসে অথবা ট্রেনে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকালে আন্তঃনগর পারাবাত, দুপুরে জয়ন্তিকা ও কালনী এবং রাতে উপবন সিলেটের পথে ছোটে। ভাড়া ৩২০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। সিলেট শহরের বন্দরবাজার থেকে সিএনজি নিয়ে চলে যান কালাগুল চা বাগানে। রিজার্ভ যাওয়া আসা পড়বে ৬০০ টাকা।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!