বিকাল ৪:২৬ | বুধবার | ১২ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গারো পাহাড়ে রোপন হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ এক সময় পাখি আর বন্য প্রাণীর অভয়ারন্য ছিল শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকার গারো পাহাড়ে। ছিল ঔষধি আর ফলজ বৃক্ষসহ নানা জাতের গাছ গাছালি। মাত্র দুই আড়াই যুগে হারিয়েছে সবই। ঘটছে পরিবেশ বিপর্যয়। হুমকির মুখে পড়েছে আদিবাসীরা। পরিবেশ বিপর্যয় বৃক্ষ রোপন ও প্রতি বছর পাহাড়ে আগুন দেয়া সহ নানা কারণে বিলুপ্ত পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষ। চলে গেছে পাখি আর বন্য প্রাণী। ফলে জটিল রূপে নিষ্পেষিত হচ্ছে আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ সীমান্ত এলাকার ৩০/৩৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধলাখ মানুষের জীবন জীবিকা।
এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষে বন বিভাগের অধীনে বাস্তবায়ন হচ্ছে সুফল প্রজেক্ট। রোপন করা হচ্ছে বিলুপ্ত ও বিপন্ন প্রায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ। চলছে ফলজ ও ঔষধি বাগানসহ শাল কপিচ ম্যানেজম্যান্ট কার্যক্রম। বনাঞ্চলকে সমৃদ্ধ করতে চলছে পাখি ও বন্যপ্রাণির অভয়ারন্য প্রচেষ্টা। অনেকের মতে, সুফল প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে গারো পাহাড়ের পরিবেশ। বুধবার সরেজমিনে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় বন বিভাগসহ অনেকের সাথে কথা ওঠে আসে এমন চিত্র।

img-add

জানা যায়, গারো পাহাড়ে বসবাস করে গারো, হাজং, কোচ, বানাই, বর্মন অদিবাসীরা। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা এ পাহাড়ে আদিবাসীদের বেচেঁ থাকার সংগ্রাম দীর্ঘ বেদনার ঘন অধ্যায়। পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ নিধনে ক্রমাগত ঘটেছে পরিবেশ বিপর্যয়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা শাল, গজারি ও ঔষধি গাছপালা নিশ্চিহ্ন হয়েছে। হারিয়ে গেছে প্রাণী বৈচিত্র্যের পাহাড়ি সম্পদ। নেই ফসলের বৈচিত্র্য। জলাশয়ে নানা প্রকারের মাছ আর জলজ প্রানীও হারিয়ে গেছে কালের বির্বতনে। দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। স্থানীয় পরিবেশ বিষয়ক কর্মী ব্রতিন মারাক ও প্রেমলা মারাক জানান, এখন পশুপাখি নেই। ওষুধি গাছ খুজে পাওয়া যায়না। সামান্য অসুখ হলেই যেতে হয় হাসপাতালে।
উপজেলা টাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল এম সাংমা বলেন, বালিজুরি রেঞ্জে একাশি, ইউক্যালিপটাস, মেহগনি, সেগুনসহ বিভিন্ন জাতের গাছের বাগানে বসবাসকারীরা পড়েছে হুমকির মুখে। জুম ফসল, স্থানীয় জাতের ধান, শাকপাতা ও ফলমূলসহ নানা জাতের গাছের বিলুপ্তি ঘটেছে। নেই বনের বক, কবুতর, বনমোরগ, হরিণ, শুকুর, সরগা, ঘুঘু, চিলহাসসহ নানা ধরনের বন্য প্রানী। অনেক নদ,নদী, খাল বিল ভরাটে পানির ভুর্গভস্থ স্তর গভীর থেকে গভীরতর হয়েছে। এতে পানির সংকট দেখা দিচ্ছে প্রকট ভাবে। ফলে বোরো মৌসুমে দেখা দেয় সেচের সংকট। নদীর অববাহিকা বিভাজক রেখাগুলো বারবার বালি জমে ভরাট হয়েছে। সৃষ্টি হচ্ছে বন্যার। এমনকি পাহাড় থেকে নেমে আসা বালি পড়ে ফসলী জমি হচ্ছে অনাবাদি। তবে ফলজ ও ওষধি বৃক্ষ রোপনসহ ঝর্ণা গুলো ড্রেজিং করা হলে ফিরে আসবে গারো পাহাড়ের ঐতিহ্য।
আগের বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে চলতি বছর বন বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হচ্ছে সুফল প্রজেক্ট। এতে উডলট বাগানের পরিবর্তে গড়ে উঠছে সুফল প্রজেক্টের বিলুপ্ত এবং বিপন্ন প্রায় অর্ধশত জাতের দেশীয় বৃক্ষের চারা রোপন। আছে ঔষধি বাগানসহ শাল কপিচম্যান্ট কার্যক্রম। বনাঞ্চলকে সমৃদ্ধ করতে বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য করা হচ্ছে। দ্রুত চলছে সুফল প্রজেক্টের কার্যক্রম। বালিজুরি রেঞ্জের সদর বিট অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, বালিজুরি, মালাকোচা, কর্ণঝোড়া ও ডুমুরতলা বিটে গত ২০১৮ ও ২০১৯ অর্থ বছরে ৮শ ৭৫ একর জমিতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ চারা উত্তোলন করে রোপন করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে চারা উত্তোলন ও রোপনের কার্যক্রম চলমান। এসব বৃক্ষের মধ্যে শাল, গজারি, গর্জন, চাপালিশ, নেয়র, আমলকি, হরতকি, বহেরা, তালছড়া, উছা, অর্জন, জারুল, কানাইডিঙ্গা, কুমভি, খারাজোরা, নিম, ফিতরাজ, হলুদ, মাকড়া, বাজনা, বট, সিধা, বাঁশ, বেত, পাইনাল, কদম, বেল, জলপাই, জগ ডুমুর, ছাতিয়ান, দাকরুম, ছাতিয়ানসহ প্রায় অর্ধশত জাতের বৃক্ষের চারা। বালিজুরি রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সুফল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গারো পাহাড়ের আগের সেই বৈচিত্র ফিরে আসবে। আর্থিকভাবেও লাভবান হবে এখানকার বাসিন্দারা। সচেতন মহলের ধারণা, এখনই প্রয়োজন এ ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারি ও এনজিওর উদ্যোগ নেয়া।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ১৫ দিনেও চালু হয়নি শেরপুর-জামালপুর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ॥ জনদুর্ভোগ চরমে

» মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুকসুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

» সপ্তাহে দু’দিন বুলেটিন প্রচারের অনুরোধ ওবায়দুল কাদেরের

» শেরপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে স্টেশনারী ব্যবসায়ীর মৃত্যু

» চিত্রনায়িকা পূজা চেরি আহত

» লেবুর খোসার যত উপকারিতা

» প্রথমবারের মতো ভুটানে লকডাউন

» প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক: চিকিৎসক

» শেরপুরে পুলিশ সুপারের স্ত্রী-সন্তানসহ আরও ১৫ জনের করোনা শনাক্ত ॥ জেলায় মোট আক্রান্ত ৩৫৩ জন

» শেরপুরে এবার জেলা প্রশাসনের জনসচেতনতামূলক প্রচারণা ‘মাস্ক নাই, সেবা নাই’

» বিশ্বের প্রথম করোনা টিকা নিয়ে এসেছে রাশিয়া: পুতিন

» এইচএসসি পরীক্ষা হতে পারে অক্টোবরে, বাতিল হচ্ছে জেএসসি-পিইসি

» অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধির সোপান: ওবায়দুল কাদের

» সিনহা হত্যায় পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষী গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

» শেরপুরের পুলিশ সুপারের রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  বিকাল ৪:২৬ | বুধবার | ১২ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গারো পাহাড়ে রোপন হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ এক সময় পাখি আর বন্য প্রাণীর অভয়ারন্য ছিল শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকার গারো পাহাড়ে। ছিল ঔষধি আর ফলজ বৃক্ষসহ নানা জাতের গাছ গাছালি। মাত্র দুই আড়াই যুগে হারিয়েছে সবই। ঘটছে পরিবেশ বিপর্যয়। হুমকির মুখে পড়েছে আদিবাসীরা। পরিবেশ বিপর্যয় বৃক্ষ রোপন ও প্রতি বছর পাহাড়ে আগুন দেয়া সহ নানা কারণে বিলুপ্ত পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষ। চলে গেছে পাখি আর বন্য প্রাণী। ফলে জটিল রূপে নিষ্পেষিত হচ্ছে আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ সীমান্ত এলাকার ৩০/৩৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধলাখ মানুষের জীবন জীবিকা।
এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষে বন বিভাগের অধীনে বাস্তবায়ন হচ্ছে সুফল প্রজেক্ট। রোপন করা হচ্ছে বিলুপ্ত ও বিপন্ন প্রায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ। চলছে ফলজ ও ঔষধি বাগানসহ শাল কপিচ ম্যানেজম্যান্ট কার্যক্রম। বনাঞ্চলকে সমৃদ্ধ করতে চলছে পাখি ও বন্যপ্রাণির অভয়ারন্য প্রচেষ্টা। অনেকের মতে, সুফল প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে গারো পাহাড়ের পরিবেশ। বুধবার সরেজমিনে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় বন বিভাগসহ অনেকের সাথে কথা ওঠে আসে এমন চিত্র।

img-add

জানা যায়, গারো পাহাড়ে বসবাস করে গারো, হাজং, কোচ, বানাই, বর্মন অদিবাসীরা। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা এ পাহাড়ে আদিবাসীদের বেচেঁ থাকার সংগ্রাম দীর্ঘ বেদনার ঘন অধ্যায়। পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ নিধনে ক্রমাগত ঘটেছে পরিবেশ বিপর্যয়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা শাল, গজারি ও ঔষধি গাছপালা নিশ্চিহ্ন হয়েছে। হারিয়ে গেছে প্রাণী বৈচিত্র্যের পাহাড়ি সম্পদ। নেই ফসলের বৈচিত্র্য। জলাশয়ে নানা প্রকারের মাছ আর জলজ প্রানীও হারিয়ে গেছে কালের বির্বতনে। দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। স্থানীয় পরিবেশ বিষয়ক কর্মী ব্রতিন মারাক ও প্রেমলা মারাক জানান, এখন পশুপাখি নেই। ওষুধি গাছ খুজে পাওয়া যায়না। সামান্য অসুখ হলেই যেতে হয় হাসপাতালে।
উপজেলা টাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল এম সাংমা বলেন, বালিজুরি রেঞ্জে একাশি, ইউক্যালিপটাস, মেহগনি, সেগুনসহ বিভিন্ন জাতের গাছের বাগানে বসবাসকারীরা পড়েছে হুমকির মুখে। জুম ফসল, স্থানীয় জাতের ধান, শাকপাতা ও ফলমূলসহ নানা জাতের গাছের বিলুপ্তি ঘটেছে। নেই বনের বক, কবুতর, বনমোরগ, হরিণ, শুকুর, সরগা, ঘুঘু, চিলহাসসহ নানা ধরনের বন্য প্রানী। অনেক নদ,নদী, খাল বিল ভরাটে পানির ভুর্গভস্থ স্তর গভীর থেকে গভীরতর হয়েছে। এতে পানির সংকট দেখা দিচ্ছে প্রকট ভাবে। ফলে বোরো মৌসুমে দেখা দেয় সেচের সংকট। নদীর অববাহিকা বিভাজক রেখাগুলো বারবার বালি জমে ভরাট হয়েছে। সৃষ্টি হচ্ছে বন্যার। এমনকি পাহাড় থেকে নেমে আসা বালি পড়ে ফসলী জমি হচ্ছে অনাবাদি। তবে ফলজ ও ওষধি বৃক্ষ রোপনসহ ঝর্ণা গুলো ড্রেজিং করা হলে ফিরে আসবে গারো পাহাড়ের ঐতিহ্য।
আগের বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে চলতি বছর বন বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হচ্ছে সুফল প্রজেক্ট। এতে উডলট বাগানের পরিবর্তে গড়ে উঠছে সুফল প্রজেক্টের বিলুপ্ত এবং বিপন্ন প্রায় অর্ধশত জাতের দেশীয় বৃক্ষের চারা রোপন। আছে ঔষধি বাগানসহ শাল কপিচম্যান্ট কার্যক্রম। বনাঞ্চলকে সমৃদ্ধ করতে বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য করা হচ্ছে। দ্রুত চলছে সুফল প্রজেক্টের কার্যক্রম। বালিজুরি রেঞ্জের সদর বিট অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, বালিজুরি, মালাকোচা, কর্ণঝোড়া ও ডুমুরতলা বিটে গত ২০১৮ ও ২০১৯ অর্থ বছরে ৮শ ৭৫ একর জমিতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ চারা উত্তোলন করে রোপন করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে চারা উত্তোলন ও রোপনের কার্যক্রম চলমান। এসব বৃক্ষের মধ্যে শাল, গজারি, গর্জন, চাপালিশ, নেয়র, আমলকি, হরতকি, বহেরা, তালছড়া, উছা, অর্জন, জারুল, কানাইডিঙ্গা, কুমভি, খারাজোরা, নিম, ফিতরাজ, হলুদ, মাকড়া, বাজনা, বট, সিধা, বাঁশ, বেত, পাইনাল, কদম, বেল, জলপাই, জগ ডুমুর, ছাতিয়ান, দাকরুম, ছাতিয়ানসহ প্রায় অর্ধশত জাতের বৃক্ষের চারা। বালিজুরি রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সুফল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গারো পাহাড়ের আগের সেই বৈচিত্র ফিরে আসবে। আর্থিকভাবেও লাভবান হবে এখানকার বাসিন্দারা। সচেতন মহলের ধারণা, এখনই প্রয়োজন এ ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারি ও এনজিওর উদ্যোগ নেয়া।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!