রাত ৩:৫৯ | বৃহস্পতিবার | ৬ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনা পরিস্থিতি : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ভাবনা : আবুল কালাম আজাদ

জৈব পদার্থবিদ, সংখ্যার বিশ্লেষক ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিটের করোনার বৈশ্বিক দিক নিয়ে লিখিত নিবন্ধগুলো পড়লাম । তার সাহস জাগানিয়া ও যৌক্তিক বিশ্লেষণ বলছে ‘করোনার দাপট খুব শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসতে চলেছে’। করোনার সংক্রমণ বিশ্বজুড়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ফলে এবার ধীরে ধীরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করবে।
করোনায় আক্রান্ত দেশগুলোর তথ্যের উপর দৃষ্টি দিয়ে তিনি আরো বলেছেন, করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন-এর পদক্ষেপ গোটা বিশ্বেই ‘সহায়তাকারী শট’- এর মতো কাজ করেছে । তিনি বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন খবর শুনে মানুষ বিচলিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সংক্রমণের হার অনেকটাই কমতে শুরু করেছে । যার অর্থ, করোনা মহামারি প্রায় অন্তিম স্তরে পৌঁছেছে।
আগেই বলেছি বিজ্ঞানী লেভিট একজন সংখ্যাবিশ্লেষকও । ১ ফেব্রুয়ারি থেকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার ওপর খেয়াল রাখছিলেন। চীনে প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে লক্ষ্য করেন যে, চীনের হুবেই প্রদেশে প্রতিদিন ১৮শ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংক্রমণের হার এরকমই ছিল। কিন্তু তার পরের দিন থেকেই সংক্রমণের হার কমতে শুরু করে। এক সপ্তাহ পরে মৃত্যুর হারেও একই ধরনের কমতি তার নজরে আসে।
এই হার হ্রাসের হিসেব করে তিনি বলেন, যদি মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারে এবং মানুষের গতিবিধি যথাসম্ভব কমিয়ে রাখতে পারে, সেক্ষেত্রে অধিকাংশ দেশই খুব শিগগিরই করোনার গ্রাস থেকে মুক্তি পাবে । করোনা আতঙ্কে পরিস্থিতি যতোটা খারাপ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা ততোটা নয় বলেও দাবি করেন তিনি ।
লেভিটের যুক্তি ও পরামর্শ হলো, ‘বেশিরভাগ মানুষের শরীরে কভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রাকৃতিক ব্যবস্থা রয়েছে। এখন আতঙ্ক নিয়ন্ত্রণটা জরুরি আর মহামারী নিয়ন্ত্রণে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
বরং লেভিট করোনার চেয়ে পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বেশী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কারণ করোনার বাড়াবাড়ি আমাদের অন্য সংকট বাড়াবে । মানুষ চাকরি হারাবে। হতাশায় আত্মহত্যার হার বেড়ে যেতে পারে । মন্দা দেখা দিতে পারে । এমন প্রেক্ষাপটে তিনি মানুষের জন্যে প্রচুর ইতিবাচক খবর প্রত্যাশা করেন। সবাইকে একটিই বার্তা দিতে চান, ‘করোনা জগৎ ধ্বংস করতে পারবে না।’
এই পরিস্থিতিতে আমরা বাংলাদেশের মানুষও আক্রান্ত । এখন এই মুহূর্তে আমাদের আক্রান্তের হার আর মৃত্যু কমাতে হলে আমাদের চরম লকডাউনই করতে হবে । অস্পর্শই থাকতে হবে কিছুদিন। কিন্তু হ্যা, এতেও আমাদের দেশের অনেক সমস্যা। স্বল্প আয়ের মানুষেরা খাবে কি ? কিন্তু যে করেই হোক এরও সমাধান বের করতে হবে। নিশ্চয় সমাধান আছেও এবং আমাদের তা খুঁজে বের করতেই হবে ।
এর সমাধানও সোজা। কিন্তু আমরা ঠিকভাবে জাতিকে প্রস্তুত করতে পারি নাই। আমাদের এলোমেলোর জন্যে শহরের চেয়ে গ্রামগুলোও এখন অনিরাপদ ও অনিয়ন্ত্রিত। আমরা বিচলিত। জাতিও বিচলিত। কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে, কেউ দিচ্ছে না।
এ থেকে আমাদের রক্ষা পেতে হলে যেহেতু আমাদের কিছুদিন স্পর্শের বাইরে থাকতেই হবে, সেহেতু শতভাগ লকডাউন নিশ্চিত করতেই হবে। এখন বিবেচ্য যে, এই লকডাউনে আমাদের কার কার কী কী অসুবিধা হতে পারে তা সনাক্ত করা এবং সমাধান করা। প্রধান সমস্যা হবে কিছু মানুষের খাবারের। ধারণা করি যে, আমরা প্রায় অধিকাংশই কারো সাহায্য ছাড়াই ৪ কি ৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারবো। কিন্তু এর পরের দিনগুলোতে একসাথে দেশের কোটি কোটি গরীব মানুষ খাবারের অভাবে পড়বে। তখন খাবার না পেলে লকডাউন ভেঙে পড়বে। দৌড়াদৌড়ি বাড়বে। স্বেচ্ছাসেবক নামবে। ছুঁয়াছুঁয়ি বাড়বে। আক্রান্ত বাড়বে। আমাদের মৃত্যু বাড়বে। ক্ষতি বাড়বে।
উপায়? উপায় আছে। এই মহাসংকট সারা জাতির। জাতিগতভাবেই এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে। রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, পাড়া-মহল্লার স্বচ্ছল ও ধনী মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে নিজ দায়িত্বে। দায়িত্ব নিতে হবে যার যার বাড়ির আশেপাশের গরীব মানুষদের। কিছু চাল ডাল দান বা প্রদান করে একসাথে কিছুদিন খেয়ে পড়ে বাঁচতে হবে। এটা পরীক্ষা জাতির। পরীক্ষা তাদের, সৃষ্টিকর্তা যাদের সামাজিক স্বচ্ছলতা দান করেছেন।
নচেৎ, স্বচ্ছল অস্বচ্ছল সবাইকেই বিপদে পড়তে হবে। রানী এলিজাবেথের পরিবারও যেমন বিপদে পড়েছেন। আল্লাহ সকলকে নিরাপদে রাখুন।
লেখক : শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সংগঠক, শেরপুর।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শ্রীবরদীতে আদিবাসী নারীর ওপর হামলা

» নকলায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল শিক্ষার্থী

» শেরপুরে শেখ কামালের ৭১ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» শেখ কামালের জন্মদিনে শেরপুরে ১০ অসচ্ছল ক্রীড়াবিদকে অনুদান দিলেন জেলা প্রশাসক

» সেনা ও পুলিশপ্রধানের যৌথ সংবাদ সম্মেলন : সিনহার মৃত্যু বিচ্ছিন্ন ঘটনা

» নকলায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

» নালিতাবাড়ীতে ইজিবাইক চাপায় শিশু নিহত

» নেত্রকোনায় হাওরে নৌকাডুবিতে ১৭ লাশ উদ্ধার

» শেরপুরে কিশোরকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল ॥ গ্রেফতার ৪

» নকলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জুয়ারি নিহত : গ্রেফতার ৪

» লেবাননের বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে শতাধিক, আহত ৪০০০

» ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা ও শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ৩৩

» শেখ কামালের বহুমুখী প্রতিভা বিকশিত হয়ে সব অঙ্গনে ভূমিকা রাখতে পারতো ॥ প্রধানমন্ত্রী

» জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে অস্ত্র ও মাদকসহ র‌্যাবের হাতে আটক ৩

» সাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদে শ্রীবরদী প্রেসক্লাবের নিন্দা

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৩:৫৯ | বৃহস্পতিবার | ৬ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনা পরিস্থিতি : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ভাবনা : আবুল কালাম আজাদ

জৈব পদার্থবিদ, সংখ্যার বিশ্লেষক ২০১৩ সালে রসায়নে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিটের করোনার বৈশ্বিক দিক নিয়ে লিখিত নিবন্ধগুলো পড়লাম । তার সাহস জাগানিয়া ও যৌক্তিক বিশ্লেষণ বলছে ‘করোনার দাপট খুব শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসতে চলেছে’। করোনার সংক্রমণ বিশ্বজুড়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ফলে এবার ধীরে ধীরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করবে।
করোনায় আক্রান্ত দেশগুলোর তথ্যের উপর দৃষ্টি দিয়ে তিনি আরো বলেছেন, করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন-এর পদক্ষেপ গোটা বিশ্বেই ‘সহায়তাকারী শট’- এর মতো কাজ করেছে । তিনি বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন খবর শুনে মানুষ বিচলিত হচ্ছে ঠিকই কিন্তু সংক্রমণের হার অনেকটাই কমতে শুরু করেছে । যার অর্থ, করোনা মহামারি প্রায় অন্তিম স্তরে পৌঁছেছে।
আগেই বলেছি বিজ্ঞানী লেভিট একজন সংখ্যাবিশ্লেষকও । ১ ফেব্রুয়ারি থেকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার ওপর খেয়াল রাখছিলেন। চীনে প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে লক্ষ্য করেন যে, চীনের হুবেই প্রদেশে প্রতিদিন ১৮শ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংক্রমণের হার এরকমই ছিল। কিন্তু তার পরের দিন থেকেই সংক্রমণের হার কমতে শুরু করে। এক সপ্তাহ পরে মৃত্যুর হারেও একই ধরনের কমতি তার নজরে আসে।
এই হার হ্রাসের হিসেব করে তিনি বলেন, যদি মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারে এবং মানুষের গতিবিধি যথাসম্ভব কমিয়ে রাখতে পারে, সেক্ষেত্রে অধিকাংশ দেশই খুব শিগগিরই করোনার গ্রাস থেকে মুক্তি পাবে । করোনা আতঙ্কে পরিস্থিতি যতোটা খারাপ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা ততোটা নয় বলেও দাবি করেন তিনি ।
লেভিটের যুক্তি ও পরামর্শ হলো, ‘বেশিরভাগ মানুষের শরীরে কভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রাকৃতিক ব্যবস্থা রয়েছে। এখন আতঙ্ক নিয়ন্ত্রণটা জরুরি আর মহামারী নিয়ন্ত্রণে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
বরং লেভিট করোনার চেয়ে পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বেশী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কারণ করোনার বাড়াবাড়ি আমাদের অন্য সংকট বাড়াবে । মানুষ চাকরি হারাবে। হতাশায় আত্মহত্যার হার বেড়ে যেতে পারে । মন্দা দেখা দিতে পারে । এমন প্রেক্ষাপটে তিনি মানুষের জন্যে প্রচুর ইতিবাচক খবর প্রত্যাশা করেন। সবাইকে একটিই বার্তা দিতে চান, ‘করোনা জগৎ ধ্বংস করতে পারবে না।’
এই পরিস্থিতিতে আমরা বাংলাদেশের মানুষও আক্রান্ত । এখন এই মুহূর্তে আমাদের আক্রান্তের হার আর মৃত্যু কমাতে হলে আমাদের চরম লকডাউনই করতে হবে । অস্পর্শই থাকতে হবে কিছুদিন। কিন্তু হ্যা, এতেও আমাদের দেশের অনেক সমস্যা। স্বল্প আয়ের মানুষেরা খাবে কি ? কিন্তু যে করেই হোক এরও সমাধান বের করতে হবে। নিশ্চয় সমাধান আছেও এবং আমাদের তা খুঁজে বের করতেই হবে ।
এর সমাধানও সোজা। কিন্তু আমরা ঠিকভাবে জাতিকে প্রস্তুত করতে পারি নাই। আমাদের এলোমেলোর জন্যে শহরের চেয়ে গ্রামগুলোও এখন অনিরাপদ ও অনিয়ন্ত্রিত। আমরা বিচলিত। জাতিও বিচলিত। কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে, কেউ দিচ্ছে না।
এ থেকে আমাদের রক্ষা পেতে হলে যেহেতু আমাদের কিছুদিন স্পর্শের বাইরে থাকতেই হবে, সেহেতু শতভাগ লকডাউন নিশ্চিত করতেই হবে। এখন বিবেচ্য যে, এই লকডাউনে আমাদের কার কার কী কী অসুবিধা হতে পারে তা সনাক্ত করা এবং সমাধান করা। প্রধান সমস্যা হবে কিছু মানুষের খাবারের। ধারণা করি যে, আমরা প্রায় অধিকাংশই কারো সাহায্য ছাড়াই ৪ কি ৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারবো। কিন্তু এর পরের দিনগুলোতে একসাথে দেশের কোটি কোটি গরীব মানুষ খাবারের অভাবে পড়বে। তখন খাবার না পেলে লকডাউন ভেঙে পড়বে। দৌড়াদৌড়ি বাড়বে। স্বেচ্ছাসেবক নামবে। ছুঁয়াছুঁয়ি বাড়বে। আক্রান্ত বাড়বে। আমাদের মৃত্যু বাড়বে। ক্ষতি বাড়বে।
উপায়? উপায় আছে। এই মহাসংকট সারা জাতির। জাতিগতভাবেই এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে। রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, পাড়া-মহল্লার স্বচ্ছল ও ধনী মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে নিজ দায়িত্বে। দায়িত্ব নিতে হবে যার যার বাড়ির আশেপাশের গরীব মানুষদের। কিছু চাল ডাল দান বা প্রদান করে একসাথে কিছুদিন খেয়ে পড়ে বাঁচতে হবে। এটা পরীক্ষা জাতির। পরীক্ষা তাদের, সৃষ্টিকর্তা যাদের সামাজিক স্বচ্ছলতা দান করেছেন।
নচেৎ, স্বচ্ছল অস্বচ্ছল সবাইকেই বিপদে পড়তে হবে। রানী এলিজাবেথের পরিবারও যেমন বিপদে পড়েছেন। আল্লাহ সকলকে নিরাপদে রাখুন।
লেখক : শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সংগঠক, শেরপুর।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!