রাত ১২:২৩ | বুধবার | ২৭শে মে, ২০২০ ইং | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাসের কবলে বিশ্ব : তালাত মাহমুদ

ঘাতক ব্যাধি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব। বিশ্বের ৮শ’ কোটি মানুষ আজ আতঙ্কগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ও বড় অসহায়ত্বের শিকার! ১৬ এপ্রিল ২০২০ খ্রিস্টাব্দের হিসেব মতে, সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। মারা গেছে প্রায় দেড় লাখ। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫ লক্ষাধিক মানুষ। আশঙ্কাজনক হারে সংক্রমিত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে এই ভাইরাসটি প্রথম আবিস্কৃত হয়। পৃথিবীর ২০৩টি দেশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তন্মধ্যে সবচে’ বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে চীন, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, বৃটেন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি।
ইতিহাস বলছে, প্রতি ১শ’ বছর পরপর পৃথিবীতে মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটে থাকে। আর এই ঘাতক ব্যাধির প্রাদুর্ভাবের ফলে পৃথিবীর মানচিত্রই পাল্টে গেছে। পৃথিবী সৃষ্টির পর বিশেষ করে মানববসতি গড়ে ওঠার পর থেকেই কালেকালে ভয়াবহ মহামারী মানব সভ্যতা ও অর্থনীতিকে ওলটপালট করে দিয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে এই মহামারী রেকর্ড করা হয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আগ্রাসন, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ভূমিকম্প, প্লেগ, কলেরা তথা বিভিন্ন মনুষ্য সৃষ্ট বিপর্যয়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মহামরীতে বিশ^ বারবার আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে কোটি কোটি মানুষ। ১৩২০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত; প্রতি শতাব্দীর ২০ খ্রিস্টাব্দেই নানা প্রকার ঘাতক ভাইরাসের প্রদুর্ভাব ঘটেছে বলে জানা যায়।
১৩২০ খ্রিস্টাব্দে দ্য ব্ল্যাক ডেথ অব বুবোনিক ব্যাধিতে ২শ’ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়। ১৪২০ খ্রিস্টাব্দে দ্য এওইডেমিক অব ব্ল্যাক ডেথ প্লেগ (দ্বিতীয় প্লেগ প্রলয়)। এ মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ১৪শ’ শতাব্দিতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৪৫০ মিলিয়ন থেকে ৩৭৫ মিলিয়নে নেমে এসেছিলো। ১৫২০ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বব্যাপী গুটি বসন্ত ও প্লেগ মহামারী হানা দেয়। এতে আক্রান্ত হয়ে ৫ কোটি ৬০ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করে। ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে মহামারীর প্রলয়ে গোটা বিশ^ই যেন মুর্চ্ছা যায়- রক্তিম ‘মে ফ্লাওয়ার’ ভাইরাসে। এর ফলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। ১৭২০ খ্রিস্টাব্দে ‘দ্য গ্রেট প্লেগ অব মার্শেই’ মানব জাতির উপর হামলে পড়ে। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, এই শতকে দুনিয়া জুড়ে শুধু প্লেগ রোগেই ২০ কোটি মানুষ মারা যায়। ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে কলেরা, যুক্তরাষ্ট্রে ইয়োলো ফিভার মহামারী দেখা দেয়। ভারতবর্ষ থেকে ব্যাংকক, মেনিলা, ইরান, বাগদাদ, সিরিয়া হয়ে জানজিবার পর্যন্ত, আর আফ্রিকা ইউরোপে বসন্ত রোগে মারা যায় ৬ কোটি মানুষ। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে ‘দ্য স্প্যানিশ ফ্লু’-তে পৃথিবীতে ১শ’ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে।
২০২০ খ্রিস্টাব্দে সারাবিশ্বে এ প্রতিবেদন তৈরীর মুহূর্ত পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২১ লাখ। মারা গেছে প্রায় দেড় লাখ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থাও ভালো না। বাংলাদেশে ১৬ এপ্রিল সকালে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২৩১ জন। মারা গেছে ৫০ জন। বাংলাদেশে ৩০টি জেলায় লকডাউন চলছে। এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

img-add

বিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, প্রতিটি মহামারীর সাথে পরবর্তী মহামারীর শুধু একই ধারাবাহিক সময় চক্রের নয়, মিল রয়েছে সংক্রমিত ব্যাধির ক্ষেত্রেও। যার ধারাবাহিকতায় ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের স্প্যানিশ ফ্লুর পর জ¦রগ্রস্তের মতো আরও একটি ব্যাধি কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এর মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটলো ২০২০ খ্রিস্টাব্দে। নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে বিশে^র বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পথে এগুচ্ছে। প্রায় ২০টি প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে। এ সংস্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চীনের ক্লোভার বায়োফার্মাসিউটিক্যালস, চীনা কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করছে গিলিয়াড নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রের জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানী মডার্না, যুক্তরাষ্ট্রের ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালস, জার্মান বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী কিউরব্যাক, চীনের ক্যানসিনো বায়োলজিকস, জার্মান ইমিউনোথেরাপি কোম্পানি বায়োএনটেক এবং ইসরায়েলের মিগাল গ্যালিলি রিসার্চ ইনস্টিটিউট। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন তৈরি সম্ভব হয়েছে। ২০টি ভ্যাকসিন পরীক্ষার নানা পর্যায়ে রয়েছে। কয়েকটি ভ্যাকসিন থেকে আশাজাগানিয়া ফলাফলও পাওয়া গেছে। তবে মানব দেহে উপযোগী ভ্যাকসিন তৈরিতে আরও সময়ের প্রয়োজন। তবে সেপ্টেম্বরে মানব দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রস্তুতি চলছে।
করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য এতদসংক্রান্ত কিছু নির্দেশাবলী নিম্নে তুলে ধরা হলো। ক) ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখা। খ) ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- সবুজ শাকসব্জি, লেবু, কমলা ইত্যাদি। গ) ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ। যেমনÑ দুধ, ডিম, কলিজা, সামুদ্রিক মাছের তেল ইত্যাদি। ঘ) গরম পানিতে লেবু, আদা, মধু মিশিয়ে সেবন এবং বেশি বেশি পানি পান করা। ঙ) সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ঘণ ঘণ হাত ধোয়া। চ) নিজেকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ রাখা। ছ) ঘরে বসেই নামাজ প্রার্থনা করা। জ) সহনীয় মাত্রায় শরীর চর্চা করা। ঝ) নিয়মিত রোযা রাখা, উপবাস ব্রত পালন করা। ঞ) ঠান্ডা লাগানো যাবেনা। ঠান্ডা খাবার বিশেষ করে আইসক্রিম খাওয়া যাবেনা।
করোনাভাইরাসের কাছে মানুষ কতটা অসহায় (!) কতটা আতঙ্কগ্রস্ত যে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা আর কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করতেও পিছপা হয়নি। ‘গোবর জলে স্নান/আর গোচেনা পান/তাতেই পরিত্রাণ’। ভারতের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ছোট-বড়, ধনী-গরিব, বর্ণ-অসবর্ণ নির্বিশেষে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা রীতিমত আসর জমিয়ে গোবর জলে স্নান আর গোচেনা পান করেছে। বিজ্ঞানের এই অভাবিতপূর্ব সাফল্যের যুগে এটা ভাবা যায়?
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ চৈত্র ভিডিও কনফারেন্সে দেশের সব জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, *সচেতনতার কারণে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। *দেশের সব ইন্ডাস্ট্রি চালু থাকবে। * অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেন স্থবির না হয়। *সীমিত আকারে অফিস-আদালত চলার ব্যবস্থা করতে হবে। * যথেষ্ট খাদ্য মজুদ আছে, গুজব রটালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। *ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া কেউ পিপিই পরলে তাকে হাসপাতালে পাঠাবো। *উৎপাদন বাড়ানো ও খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে। *মশার সংগীত শুনতে চাইনা, মেয়ররা ব্যবস্থা নিন। *শিক্ষার্থীদের ঘরে বসে লেখাপড়া করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী আরও একটি কথা বলেছেন- *একবিন্দু অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
দেশে ত্রাণচোরদের উপদ্রব বেড়ে গেছে। ঘুষ বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলী বাণিজ্য আর দুর্নীতি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ওইসব চোর-চোট্টাদের চৌর্যবৃত্তি যেন শরীরে অস্থিরতার সৃষ্টি করেছে। ত্রাণ সামগ্রী চুরি না করে তারা যেন স্থির থাকতে পারছে না। হিরোইনখোরদের মত ত্রাণচোররাও এ বৃত্তিতে নেশাসক্ত। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ডিলারের বাসায় বক্স খাটের ভিতরে রক্ষিত অবস্থায় বসুন্ধরা ব্যান্ডের টিসিবি পণ্য ১২৩৮ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করে। চেয়ারম্যান মেম্বাররাও ধরা পড়ছে। গ্রামাঞ্চলে না গেলে উপলব্ধি করা যাবে না মানুষ কত অসহায় হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবারে খাদ্য সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। লজ্জায় বা আত্মসম্মানবোধের কারণে কাউকে বলতেও পারছেনা। আমি যে এলাকায় বসবাস করি শেরপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পুলিশ লাইন রোডের পাশের মহল্লায় প্রায় সকলেই কর্মজীবী। আমাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ১০/১২ জন লোক প্রশ্ন রেখেছেন, ‘খাদ্যের অভাবে আমরা কি মারা যাবো’? জবাবে বলেছি- ‘আমার অবস্থাও অপনাদের মতই। বিভিন্ন অফিসে বিজ্ঞাপন বিলের চেক আটকা পড়ায় আমরাও অর্থকষ্টে আছি’।
এ কথা উল্লেখ করার কারণ হলো দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষই কষ্টে আছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে সবার দিন কাটছে। হতদরিদ্রদেও পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টিও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেশের স্বাস্থসেবার ক্ষেত্রে সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা করোনা বিরোধী যুদ্ধে ‘ফ্রন্টলাইনে’ যোদ্ধা। তাদের সুরক্ষাবিধানের ব্যবস্থা করে দেশের এ চিকিৎসা সঙ্কট দূর করতে হবে’। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, এখন পর্যন্ত অধিকাংশ হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা উপকরণের ঘাটতি রয়েছে।
উপসংহারে দেশের শিল্পপতি,ব্যবসায়ী ও ধণাঢ্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। সেইসাথে কালো টাকার মালিক যারা তারাও এগিয়ে এসে অসহায় আর্ত মানবতার সেবায় নিয়োজিত হলে অনেকাংশে পাপক্ষয় হবে। জুলুমবাজ, সুদখোর, ঘুষখোর দুর্নীতিবাজরাও পাপক্ষয়ের এই মোক্ষম সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ অমুল্য সম্পদ। কে ধনী, কে গরীব আর কে শিক্ষিত, কে অশিক্ষিত এটা বিচার করার সুযোগ নেই। করোনাভাইরাসের কাছে একবার ধরা খেলে আর রক্ষে নেই। মহান আল্লাহ পাকের নিকট আমরা আমাদের কৃত অপকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমিন।
লেখক: কবি, সিনিয়র সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট এবং কবি সংঘ বাংলাদেশ’র সভাপতি।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে প্রেমের অভিনয়ে মোবাইল ফোনে স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ : ধর্ষকসহ গ্রেফতার ৩

» ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু

» এবার বিয়ে বিতর্কে নোবেল

» ভারত মহাসাগরের টেকটনিক প্লেট ভেঙে দু’টুকরা, ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা

» সিরাজগঞ্জে নৌকাডুবি, শিশুসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৩০

» মালদ্বীপ থেকে ফিরলেন ১২০০ জন

» ঈদের দিনও বিষোদগার থেকে বেরুতে পারেনি বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

» ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ১১৬৬, মৃত্যু ২১

» করোনায় নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যু

» ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখীর ছোবলে ঘরবাড়ি ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি

» শেরপুরে করোনা পরিস্থিতে মসজিদে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়

» ভিন্ন এক আবহে অন্যরকম ঈদ উদযাপন

» সম্প্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ দেশ : রাষ্ট্রপতি

» শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ পালন করুন : কাদের

» তিনটি জীবন্ত ‘করোনা ভাইরাস’ ছিল উহানের ল্যাবে!

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১২:২৩ | বুধবার | ২৭শে মে, ২০২০ ইং | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাসের কবলে বিশ্ব : তালাত মাহমুদ

ঘাতক ব্যাধি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব। বিশ্বের ৮শ’ কোটি মানুষ আজ আতঙ্কগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ও বড় অসহায়ত্বের শিকার! ১৬ এপ্রিল ২০২০ খ্রিস্টাব্দের হিসেব মতে, সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। মারা গেছে প্রায় দেড় লাখ। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫ লক্ষাধিক মানুষ। আশঙ্কাজনক হারে সংক্রমিত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে এই ভাইরাসটি প্রথম আবিস্কৃত হয়। পৃথিবীর ২০৩টি দেশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তন্মধ্যে সবচে’ বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে চীন, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, বৃটেন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি।
ইতিহাস বলছে, প্রতি ১শ’ বছর পরপর পৃথিবীতে মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটে থাকে। আর এই ঘাতক ব্যাধির প্রাদুর্ভাবের ফলে পৃথিবীর মানচিত্রই পাল্টে গেছে। পৃথিবী সৃষ্টির পর বিশেষ করে মানববসতি গড়ে ওঠার পর থেকেই কালেকালে ভয়াবহ মহামারী মানব সভ্যতা ও অর্থনীতিকে ওলটপালট করে দিয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে এই মহামারী রেকর্ড করা হয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আগ্রাসন, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ভূমিকম্প, প্লেগ, কলেরা তথা বিভিন্ন মনুষ্য সৃষ্ট বিপর্যয়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মহামরীতে বিশ^ বারবার আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে কোটি কোটি মানুষ। ১৩২০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত; প্রতি শতাব্দীর ২০ খ্রিস্টাব্দেই নানা প্রকার ঘাতক ভাইরাসের প্রদুর্ভাব ঘটেছে বলে জানা যায়।
১৩২০ খ্রিস্টাব্দে দ্য ব্ল্যাক ডেথ অব বুবোনিক ব্যাধিতে ২শ’ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়। ১৪২০ খ্রিস্টাব্দে দ্য এওইডেমিক অব ব্ল্যাক ডেথ প্লেগ (দ্বিতীয় প্লেগ প্রলয়)। এ মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে ১৪শ’ শতাব্দিতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৪৫০ মিলিয়ন থেকে ৩৭৫ মিলিয়নে নেমে এসেছিলো। ১৫২০ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বব্যাপী গুটি বসন্ত ও প্লেগ মহামারী হানা দেয়। এতে আক্রান্ত হয়ে ৫ কোটি ৬০ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করে। ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে মহামারীর প্রলয়ে গোটা বিশ^ই যেন মুর্চ্ছা যায়- রক্তিম ‘মে ফ্লাওয়ার’ ভাইরাসে। এর ফলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। ১৭২০ খ্রিস্টাব্দে ‘দ্য গ্রেট প্লেগ অব মার্শেই’ মানব জাতির উপর হামলে পড়ে। ঐতিহাসিক তথ্যমতে, এই শতকে দুনিয়া জুড়ে শুধু প্লেগ রোগেই ২০ কোটি মানুষ মারা যায়। ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে কলেরা, যুক্তরাষ্ট্রে ইয়োলো ফিভার মহামারী দেখা দেয়। ভারতবর্ষ থেকে ব্যাংকক, মেনিলা, ইরান, বাগদাদ, সিরিয়া হয়ে জানজিবার পর্যন্ত, আর আফ্রিকা ইউরোপে বসন্ত রোগে মারা যায় ৬ কোটি মানুষ। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে ‘দ্য স্প্যানিশ ফ্লু’-তে পৃথিবীতে ১শ’ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে।
২০২০ খ্রিস্টাব্দে সারাবিশ্বে এ প্রতিবেদন তৈরীর মুহূর্ত পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২১ লাখ। মারা গেছে প্রায় দেড় লাখ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থাও ভালো না। বাংলাদেশে ১৬ এপ্রিল সকালে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২৩১ জন। মারা গেছে ৫০ জন। বাংলাদেশে ৩০টি জেলায় লকডাউন চলছে। এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

img-add

বিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, প্রতিটি মহামারীর সাথে পরবর্তী মহামারীর শুধু একই ধারাবাহিক সময় চক্রের নয়, মিল রয়েছে সংক্রমিত ব্যাধির ক্ষেত্রেও। যার ধারাবাহিকতায় ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের স্প্যানিশ ফ্লুর পর জ¦রগ্রস্তের মতো আরও একটি ব্যাধি কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এর মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটলো ২০২০ খ্রিস্টাব্দে। নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে বিশে^র বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পথে এগুচ্ছে। প্রায় ২০টি প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে। এ সংস্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চীনের ক্লোভার বায়োফার্মাসিউটিক্যালস, চীনা কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করছে গিলিয়াড নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রের জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানী মডার্না, যুক্তরাষ্ট্রের ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালস, জার্মান বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী কিউরব্যাক, চীনের ক্যানসিনো বায়োলজিকস, জার্মান ইমিউনোথেরাপি কোম্পানি বায়োএনটেক এবং ইসরায়েলের মিগাল গ্যালিলি রিসার্চ ইনস্টিটিউট। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন তৈরি সম্ভব হয়েছে। ২০টি ভ্যাকসিন পরীক্ষার নানা পর্যায়ে রয়েছে। কয়েকটি ভ্যাকসিন থেকে আশাজাগানিয়া ফলাফলও পাওয়া গেছে। তবে মানব দেহে উপযোগী ভ্যাকসিন তৈরিতে আরও সময়ের প্রয়োজন। তবে সেপ্টেম্বরে মানব দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রস্তুতি চলছে।
করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য এতদসংক্রান্ত কিছু নির্দেশাবলী নিম্নে তুলে ধরা হলো। ক) ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখা। খ) ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- সবুজ শাকসব্জি, লেবু, কমলা ইত্যাদি। গ) ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ। যেমনÑ দুধ, ডিম, কলিজা, সামুদ্রিক মাছের তেল ইত্যাদি। ঘ) গরম পানিতে লেবু, আদা, মধু মিশিয়ে সেবন এবং বেশি বেশি পানি পান করা। ঙ) সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ঘণ ঘণ হাত ধোয়া। চ) নিজেকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ রাখা। ছ) ঘরে বসেই নামাজ প্রার্থনা করা। জ) সহনীয় মাত্রায় শরীর চর্চা করা। ঝ) নিয়মিত রোযা রাখা, উপবাস ব্রত পালন করা। ঞ) ঠান্ডা লাগানো যাবেনা। ঠান্ডা খাবার বিশেষ করে আইসক্রিম খাওয়া যাবেনা।
করোনাভাইরাসের কাছে মানুষ কতটা অসহায় (!) কতটা আতঙ্কগ্রস্ত যে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা আর কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করতেও পিছপা হয়নি। ‘গোবর জলে স্নান/আর গোচেনা পান/তাতেই পরিত্রাণ’। ভারতের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ছোট-বড়, ধনী-গরিব, বর্ণ-অসবর্ণ নির্বিশেষে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা রীতিমত আসর জমিয়ে গোবর জলে স্নান আর গোচেনা পান করেছে। বিজ্ঞানের এই অভাবিতপূর্ব সাফল্যের যুগে এটা ভাবা যায়?
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ চৈত্র ভিডিও কনফারেন্সে দেশের সব জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, *সচেতনতার কারণে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। *দেশের সব ইন্ডাস্ট্রি চালু থাকবে। * অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেন স্থবির না হয়। *সীমিত আকারে অফিস-আদালত চলার ব্যবস্থা করতে হবে। * যথেষ্ট খাদ্য মজুদ আছে, গুজব রটালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। *ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া কেউ পিপিই পরলে তাকে হাসপাতালে পাঠাবো। *উৎপাদন বাড়ানো ও খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে। *মশার সংগীত শুনতে চাইনা, মেয়ররা ব্যবস্থা নিন। *শিক্ষার্থীদের ঘরে বসে লেখাপড়া করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী আরও একটি কথা বলেছেন- *একবিন্দু অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
দেশে ত্রাণচোরদের উপদ্রব বেড়ে গেছে। ঘুষ বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলী বাণিজ্য আর দুর্নীতি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ওইসব চোর-চোট্টাদের চৌর্যবৃত্তি যেন শরীরে অস্থিরতার সৃষ্টি করেছে। ত্রাণ সামগ্রী চুরি না করে তারা যেন স্থির থাকতে পারছে না। হিরোইনখোরদের মত ত্রাণচোররাও এ বৃত্তিতে নেশাসক্ত। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ডিলারের বাসায় বক্স খাটের ভিতরে রক্ষিত অবস্থায় বসুন্ধরা ব্যান্ডের টিসিবি পণ্য ১২৩৮ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করে। চেয়ারম্যান মেম্বাররাও ধরা পড়ছে। গ্রামাঞ্চলে না গেলে উপলব্ধি করা যাবে না মানুষ কত অসহায় হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবারে খাদ্য সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। লজ্জায় বা আত্মসম্মানবোধের কারণে কাউকে বলতেও পারছেনা। আমি যে এলাকায় বসবাস করি শেরপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পুলিশ লাইন রোডের পাশের মহল্লায় প্রায় সকলেই কর্মজীবী। আমাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ১০/১২ জন লোক প্রশ্ন রেখেছেন, ‘খাদ্যের অভাবে আমরা কি মারা যাবো’? জবাবে বলেছি- ‘আমার অবস্থাও অপনাদের মতই। বিভিন্ন অফিসে বিজ্ঞাপন বিলের চেক আটকা পড়ায় আমরাও অর্থকষ্টে আছি’।
এ কথা উল্লেখ করার কারণ হলো দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষই কষ্টে আছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে সবার দিন কাটছে। হতদরিদ্রদেও পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টিও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেশের স্বাস্থসেবার ক্ষেত্রে সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা করোনা বিরোধী যুদ্ধে ‘ফ্রন্টলাইনে’ যোদ্ধা। তাদের সুরক্ষাবিধানের ব্যবস্থা করে দেশের এ চিকিৎসা সঙ্কট দূর করতে হবে’। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, এখন পর্যন্ত অধিকাংশ হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা উপকরণের ঘাটতি রয়েছে।
উপসংহারে দেশের শিল্পপতি,ব্যবসায়ী ও ধণাঢ্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। সেইসাথে কালো টাকার মালিক যারা তারাও এগিয়ে এসে অসহায় আর্ত মানবতার সেবায় নিয়োজিত হলে অনেকাংশে পাপক্ষয় হবে। জুলুমবাজ, সুদখোর, ঘুষখোর দুর্নীতিবাজরাও পাপক্ষয়ের এই মোক্ষম সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ অমুল্য সম্পদ। কে ধনী, কে গরীব আর কে শিক্ষিত, কে অশিক্ষিত এটা বিচার করার সুযোগ নেই। করোনাভাইরাসের কাছে একবার ধরা খেলে আর রক্ষে নেই। মহান আল্লাহ পাকের নিকট আমরা আমাদের কৃত অপকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমিন।
লেখক: কবি, সিনিয়র সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট এবং কবি সংঘ বাংলাদেশ’র সভাপতি।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!