দুপুর ১২:৫৯ | সোমবার | ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনাকালে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য কথা : তালাত মাহমুদ

প্রত্যেক পেশাজীবী ব্যক্তি তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন। যত বিপদই আসুক না কেন তিনি তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা করতে পারেন না। পেশার ধরণ যা-ই হোক না কেন, মনে রাখতে হবে- প্রতিটি পেশাই সেবামূলক। দেশ জাতি বা সমাজে কোন বিপর্যয় দেখা দিলে সেক্ষেত্রে কারো নিস্ক্রিয় থাকা শোভনীয় নয়। করোনা মহামারীতে চিকিৎসক,স্বাস্থ্যকর্মী, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং মিডিয়াকর্মীরা যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তার তুলনা হয়না। ইতোমধ্যে অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশ কনস্টেবল, স্বেচ্ছাসেবী ও মিডিয়াকর্মী (সাংবাদিক) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং অনেকে শাহাদাত বরণও করেছেন।

img-add

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব। আটশ’ কোটি মানুষ এই মহামারী ভাইরাসের কবলে। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে এই ভাইরাসটি প্রথম আবিস্কৃত হয়। ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে করোনার প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটে চীনে। গত ৪ মাসে সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭০৮ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৮ জন। ২৪ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ আর মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৮শ’ ৩৬। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। তারপরের স্থান ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারতসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক ধণাঢ্য দেশ। অপ্রিয় হলেও সত্যটা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিস্কৃত হয়নি।

নানা ভাওতাবাজী আর চাপাবাজী করে কালক্ষেপণ করে নিরীহ ও অসহায় মানুষের জীবন বিপন্ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, আমলা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ মারা যাচ্ছে। এ মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ: উর্ধ্বমূখী। করোনাভাইরাসকে মোকাবেলা করতে গিয়ে অনেকে আক্রান্ত না হলেও অসুস্থ্য হয়ে শয্যাশায়ী রয়েছেন। আতঙ্কের মাঝে কালাতিপাত করছে তাদের পরিবার। এ খবর অনেকে রাখেন না। করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে অনেকে আত্মগোপনেও চলে গেছেন।

এই করোনাকালে স্বাস্থ্য বিভাগের উদাসীনতায় হোক আর স্বেচ্ছাচারিতায় হোক, দেশে ব্যাঙের ছাত্রা মত গজিয়ে ওঠা অগনিত হাসপাতালের মালিকপক্ষ করোনার ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে অসহায় মানুষের নিকট থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এইসব দুর্নীতিবাজ আর প্রতারকরা গোটা জাতিকে জিম্মি করে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রে জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক একজন কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করার প্রতিবাদে করোনার ভায়াবহ অবস্থার মধ্যেও লাখ লাখ বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। আর বাংলাদেশে এতকিছু ঘটে চলেছে আমাদের মাঝে যেন কোন প্রতিক্রিয়াই উৎপন্ন হচ্ছেনা। সবকিছুই যেন আমরা লজ্জাহীনের মতো স্বাভাবিক বলে মেনে নিচ্ছি। ধীক্ আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধকে।

আমি আমার কথাই বলতে চাই। আমার বর্তমান বয়েস ৬৪ বছরের কাছাকাছি। ডায়াবেটিসের উপদ্রব তো রয়েছেই। ২০ জুলাই ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো হলে ২০.৮ মাত্রার রিপোর্ট এসেছে। অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তারপরও আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে মাঠে কাজ করছি। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে ফিচার লিখছি। রিপোর্ট করছি। প্রিন্ট মিডিয়া আর অনলাইন নিউজ পোর্টালে সে সব ফিচার ও রিপোর্ট প্রকাশ করছি। এসব ফিচার বা রিপোর্ট তৈরী করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। ইতিহাসের পাতা থেকে করোনা ভাইরাসের সারমর্ম খোঁজে বের করে আনতে হয়েছে এবং তা পাঠককে জানান দিতে হয়েছে।

‘করোনাভাইরাসের কবলে বিশ্ব’ আমার প্রথম লেখা ফিচার প্রকাশিত হয় ১৬ এপ্রিল’২০। যথাক্রমেÑ শ্যামলবাংলা২৪ডটকম, শেরপুর প্রতিদিন, নতুন যুগ, শেরপুরের আলো, পল্লীকন্ঠ প্রতিদিন, জামালপুর দিনকাল, দৈনিক ঢাকা রিপোটর্, দৈনিক সবুজ এবং সর্বশেষ ‘কালের ডাক’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় লেখা ‘শেরপুরে চলছে লকডাউন: ত্রাণ তৎপরতা আশানুরূপ নয়: সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকিবীমা প্রদানের দাবি’ ফিচারটি ২১ এপ্রিল প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৩ এপ্রিল প্রকাশিত হয় আমার লেখা ফিচার ‘করোনার মাঝেও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে গেলাম’ । এসব ফিচারে করোনাকালে চলমান অবস্থার সঠিক চিত্র তুলে ধরেছি। নতুন যুগ পত্রিকার সম্পাদক ফিচারটি পোস্ট করেও পরে উর্ধতন মহলের চাপের মুখে ফিচারটি প্রত্যাহার করে নেন। তবে শেরপুর প্রতিদিন ও শেরপুরের আলো ফিচারটি প্রত্যাহার না করে বস্তুনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছে। এজন্য কর্তৃপক্ষদ্বয়কে সাধুবাদ জানাই।্

উল্লেখ্য, গত ৯ জুন বিকেলে নকলা প্রেসক্লাবে এক জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ হযরত আলী। প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরকারের উপস্থাপনায় নবাগত সদস্যদের বরণ করে নেয়া হয় এবং প্রেসক্লাবের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জরুরী সাধারণ সভায় আমাকে নানা পরামর্শও দিতে হয়েছে।

টুকড়ো সংবাদ তো প্রতিনিয়মিতই করে যাচ্ছি। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এমনকি প্রশাসনিক উদ্যোগেও স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটার রিপোর্ট করেছি। আমি যে জেলায় অবস্থান করছি সে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করে রিপোর্ট করে যাচ্ছি। শেরপুর জেলার প্রতিটি উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির উপর বিভিন্ন রিপোর্ট করেছি। জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক সাহেব শেরপুরে অবস্থান করে দু:খী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে বন্যার ভয়াবহ দুর্যোগকালে তিনি ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে চরাঞ্চলের বন্যাপীড়িত অসহায় মানুষের দুরবস্থা স্বচোখে দেখতে গেছেন এবং সাধ্যমত ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করেছেন। শেরপুর-জামালপুর রোডে দু’টি কজওয়ের উপর প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি আলাদা ব্রিজ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করতে গিয়ে নি¤œমানের ও ব্যবহার অনুপযোগী সামগ্রীর সন্ধান পান হুইপ আতিউর রহমান আতিক। তাৎক্ষণিক তিনি একটি ব্রিজের নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।

করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। এসময় শেরপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অসহায় আর্ত মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন। জে এন্ড এস গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ জয়নাল আবেদীন করবাহাদুর, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, জেলা ট্রাক মিনিট্রাক ও কভার্ডভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়ন, কাকলী বহুমুখী সমবায় সমিতি,পাকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ হায়দার আলী, কবি সংঘ বাংলাদেশ, নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থা সহ অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ত্রাণ ও নগদ অর্থ সাাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেন।

এছাড়া করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে লকডাউনকালে পুলিশ প্রশাসন আর জেলা প্রশাসনের তৎপরতার রিপোর্টও করেছি। অর্থাৎ আমরা পরস্পরের সেতুবন্ধ রচনা করে এই করোনা ও বন্যার আপদকালীন সময়কে সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করে যাচ্ছি। তবে আমি মাঝেমধ্যে অসুস্থও হয়ে পড়ছি। জেলা পুলিশ সাংবাদিকদের ঈদ উপহার ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করেছে। নকলা উপজেলা প্রশাসনও সাংবাদিকদের সম্মানে ঈদ উপহার সামগ্রী দিয়েছে । এজন্য জেলা পুলিশ ও নকলা উপজেলা প্রশাসনকে অভিনন্দন জানাই।

গরম আমি একদমই সহ্য করতে পারিনা। ডায়াবেটিসের জন্য খাদ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও তা মানা সম্ভব হয়না। কদ্দিন আগে অনেক কাঁঠাল আর আম খেয়েছিলাম। পরদিন আর বিছানা থেকে উঠতে পারছিলাম না। বিছানায় শুয়েই কাটালাম ১৫/১৬ দিন। ডায়াবেটিসের মাত্রা অনেক বেড়ে গিয়েছে। ভয় পেয়ে গেলাম আবার করোনায় ধরলো কি’না। সেদিন দু’বার বমি করেছি। তারপরও শরীর ঠিক হয়নি। দুর্বল শরীর নিয়ে বাসা থেকে আর বেরুতে পারিনি। এর মাঝে কবি জয়নাল আবেদীন তাঁর কবিতার পান্ডুলিপি দিয়ে গেছেন। পান্ডুলিপিটি দেখে দিতে হবে। সিনিয়র বলে কথা। আমি তো কাউকে না করতে পারিনা। গত বছর আমার বই বের করতে গিয়ে অন্য একজন কবির বই বের করে দিলাম। এবার যদি বই বের করতে না পারি তাহলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।

প্রিয় পাঠক, কালের ডাক কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আর নীরব থাকতে পারলাম না। বিশেষ করে সঞ্জীব চন্দ বিল্টুর মোবাইল অত্যচার আমাকে বাধ্য করেছে এ লেখাটি লিখতে। এর আগের সংখ্যার জন্যও বিল্টু আমার কাছে লেখা চেয়েছিলো। অসুস্থতার কারণে লেখা দিতে পারিনি। ডিআইইউ’র ৭ম সেমিস্টারের ছাত্রী আমার একমাত্র কন্যা তামান্না মাহমুদ মনীষার অনলাইনে রেগুলার ক্লাস চলছে। সে ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত। বিছানায় শুয়ে বসে একমাত্র ছেলে তানসেন মাহমুদ ইলহামের কম্পিউটারে লেখাটি কম্পোজ করতে হলো। কি লিখতে গিয়ে কি লিখে ফেলেছি, বলতে পারবোনা।

সবশেষে প্রিয় পাঠকবৃন্দকে আরও একটি বার্তা দিতে চাই। করোনার ভয়াবহতার কারণে যখন লকডাউন চলছিল তখন ‘কবি সংঘ বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ২১ মে সন্ধ্যায় আমরা শেরপুর পৌরসভার সবচেয়ে অবহেলিত দক্ষিণ মোবারকপুর মহল্লায় গিয়ে দারিদ্র্যপীড়িত ৩০ জন অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করি। এসময় উপস্থিত ছিলেন কবি সংঘ বাংলাদেশ’র সভাপতি (আমি) তালাত মাহমুদ, কার্যকরী সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুল আলীম তালুকদার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ডা: হাফিজুর রহমান লাভলু সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ব্যবসায়িক সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সহৃদয় পাঠক, বানের জলে ভাসছে দেশ। বানের পানিতে ডুবে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। সেইসাথে সাপের উপদ্রবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সর্প দংশনে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এব্যাপারে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। তাই যেখানেই থাকুন, যেভাবেই থাকুন, ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন সবসময়।

  1. লেখক: কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবং সভাপতি, কবি সংঘ বাংলাদেশ
Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শ্রীবরদীতে নির্যাতনে শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু ॥ গৃহকর্তাকে গ্রেফতারসহ দম্পতির ফাঁসি চান স্বজনরা

» ঝিনাইগাতীতে খেলার মাঠ দখল করে চাষাবাদ : ক্রীড়া কর্মকাণ্ড ব্যাহত

» চুলের জন্য সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন বাপ্পী

» নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানিতে ৩৬৮ জনের নিয়োগ

» সমালোচনা নিত্যসঙ্গী মাহমুদউল্লাহর

» বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ২ ম্যাচের জন্য ব্রাজিল দল ঘোষণা

» ‘খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত শেখ হাসিনার মানবিকতায়, বিএনপির আন্দোলনে নয়’

» করোনা: মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে কী করবেন

» স্পিডবোট ডুবিতে নিখোঁজ ৫ জনেরই লাশ উদ্ধার

» ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই

» শেরপুরে ডা. অমি’র জন্মদিন উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাবার বিতরণ

» শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করেছেন : কৃষিমন্ত্রী

» শ্রীবরদীতে গৃহকর্ত্রীর নির্যাতন ॥ ২৭ দিন পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো সেই শিশু গৃহকর্মী

» শেরপুরে জেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী শামছুন্নাহার কামাল করোনায় আক্রান্ত

» ঝিনাইগাতীতে কৃষকদের প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রশিক্ষণ

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  দুপুর ১২:৫৯ | সোমবার | ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনাকালে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য কথা : তালাত মাহমুদ

প্রত্যেক পেশাজীবী ব্যক্তি তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন। যত বিপদই আসুক না কেন তিনি তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা করতে পারেন না। পেশার ধরণ যা-ই হোক না কেন, মনে রাখতে হবে- প্রতিটি পেশাই সেবামূলক। দেশ জাতি বা সমাজে কোন বিপর্যয় দেখা দিলে সেক্ষেত্রে কারো নিস্ক্রিয় থাকা শোভনীয় নয়। করোনা মহামারীতে চিকিৎসক,স্বাস্থ্যকর্মী, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং মিডিয়াকর্মীরা যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তার তুলনা হয়না। ইতোমধ্যে অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশ কনস্টেবল, স্বেচ্ছাসেবী ও মিডিয়াকর্মী (সাংবাদিক) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং অনেকে শাহাদাত বরণও করেছেন।

img-add

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব। আটশ’ কোটি মানুষ এই মহামারী ভাইরাসের কবলে। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে এই ভাইরাসটি প্রথম আবিস্কৃত হয়। ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে করোনার প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটে চীনে। গত ৪ মাসে সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭০৮ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৮ জন। ২৪ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ আর মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৮শ’ ৩৬। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। তারপরের স্থান ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারতসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক ধণাঢ্য দেশ। অপ্রিয় হলেও সত্যটা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিস্কৃত হয়নি।

নানা ভাওতাবাজী আর চাপাবাজী করে কালক্ষেপণ করে নিরীহ ও অসহায় মানুষের জীবন বিপন্ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, আমলা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ মারা যাচ্ছে। এ মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ: উর্ধ্বমূখী। করোনাভাইরাসকে মোকাবেলা করতে গিয়ে অনেকে আক্রান্ত না হলেও অসুস্থ্য হয়ে শয্যাশায়ী রয়েছেন। আতঙ্কের মাঝে কালাতিপাত করছে তাদের পরিবার। এ খবর অনেকে রাখেন না। করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে অনেকে আত্মগোপনেও চলে গেছেন।

এই করোনাকালে স্বাস্থ্য বিভাগের উদাসীনতায় হোক আর স্বেচ্ছাচারিতায় হোক, দেশে ব্যাঙের ছাত্রা মত গজিয়ে ওঠা অগনিত হাসপাতালের মালিকপক্ষ করোনার ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে অসহায় মানুষের নিকট থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এইসব দুর্নীতিবাজ আর প্রতারকরা গোটা জাতিকে জিম্মি করে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রে জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক একজন কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করার প্রতিবাদে করোনার ভায়াবহ অবস্থার মধ্যেও লাখ লাখ বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। আর বাংলাদেশে এতকিছু ঘটে চলেছে আমাদের মাঝে যেন কোন প্রতিক্রিয়াই উৎপন্ন হচ্ছেনা। সবকিছুই যেন আমরা লজ্জাহীনের মতো স্বাভাবিক বলে মেনে নিচ্ছি। ধীক্ আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধকে।

আমি আমার কথাই বলতে চাই। আমার বর্তমান বয়েস ৬৪ বছরের কাছাকাছি। ডায়াবেটিসের উপদ্রব তো রয়েছেই। ২০ জুলাই ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো হলে ২০.৮ মাত্রার রিপোর্ট এসেছে। অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তারপরও আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে মাঠে কাজ করছি। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে ফিচার লিখছি। রিপোর্ট করছি। প্রিন্ট মিডিয়া আর অনলাইন নিউজ পোর্টালে সে সব ফিচার ও রিপোর্ট প্রকাশ করছি। এসব ফিচার বা রিপোর্ট তৈরী করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। ইতিহাসের পাতা থেকে করোনা ভাইরাসের সারমর্ম খোঁজে বের করে আনতে হয়েছে এবং তা পাঠককে জানান দিতে হয়েছে।

‘করোনাভাইরাসের কবলে বিশ্ব’ আমার প্রথম লেখা ফিচার প্রকাশিত হয় ১৬ এপ্রিল’২০। যথাক্রমেÑ শ্যামলবাংলা২৪ডটকম, শেরপুর প্রতিদিন, নতুন যুগ, শেরপুরের আলো, পল্লীকন্ঠ প্রতিদিন, জামালপুর দিনকাল, দৈনিক ঢাকা রিপোটর্, দৈনিক সবুজ এবং সর্বশেষ ‘কালের ডাক’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় লেখা ‘শেরপুরে চলছে লকডাউন: ত্রাণ তৎপরতা আশানুরূপ নয়: সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকিবীমা প্রদানের দাবি’ ফিচারটি ২১ এপ্রিল প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৩ এপ্রিল প্রকাশিত হয় আমার লেখা ফিচার ‘করোনার মাঝেও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে গেলাম’ । এসব ফিচারে করোনাকালে চলমান অবস্থার সঠিক চিত্র তুলে ধরেছি। নতুন যুগ পত্রিকার সম্পাদক ফিচারটি পোস্ট করেও পরে উর্ধতন মহলের চাপের মুখে ফিচারটি প্রত্যাহার করে নেন। তবে শেরপুর প্রতিদিন ও শেরপুরের আলো ফিচারটি প্রত্যাহার না করে বস্তুনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছে। এজন্য কর্তৃপক্ষদ্বয়কে সাধুবাদ জানাই।্

উল্লেখ্য, গত ৯ জুন বিকেলে নকলা প্রেসক্লাবে এক জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ হযরত আলী। প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরকারের উপস্থাপনায় নবাগত সদস্যদের বরণ করে নেয়া হয় এবং প্রেসক্লাবের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জরুরী সাধারণ সভায় আমাকে নানা পরামর্শও দিতে হয়েছে।

টুকড়ো সংবাদ তো প্রতিনিয়মিতই করে যাচ্ছি। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এমনকি প্রশাসনিক উদ্যোগেও স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটার রিপোর্ট করেছি। আমি যে জেলায় অবস্থান করছি সে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করে রিপোর্ট করে যাচ্ছি। শেরপুর জেলার প্রতিটি উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির উপর বিভিন্ন রিপোর্ট করেছি। জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক সাহেব শেরপুরে অবস্থান করে দু:খী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে বন্যার ভয়াবহ দুর্যোগকালে তিনি ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে চরাঞ্চলের বন্যাপীড়িত অসহায় মানুষের দুরবস্থা স্বচোখে দেখতে গেছেন এবং সাধ্যমত ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করেছেন। শেরপুর-জামালপুর রোডে দু’টি কজওয়ের উপর প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি আলাদা ব্রিজ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করতে গিয়ে নি¤œমানের ও ব্যবহার অনুপযোগী সামগ্রীর সন্ধান পান হুইপ আতিউর রহমান আতিক। তাৎক্ষণিক তিনি একটি ব্রিজের নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।

করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় অগনিত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। এসময় শেরপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অসহায় আর্ত মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন। জে এন্ড এস গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ জয়নাল আবেদীন করবাহাদুর, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, জেলা ট্রাক মিনিট্রাক ও কভার্ডভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়ন, কাকলী বহুমুখী সমবায় সমিতি,পাকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ হায়দার আলী, কবি সংঘ বাংলাদেশ, নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থা সহ অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ত্রাণ ও নগদ অর্থ সাাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেন।

এছাড়া করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে লকডাউনকালে পুলিশ প্রশাসন আর জেলা প্রশাসনের তৎপরতার রিপোর্টও করেছি। অর্থাৎ আমরা পরস্পরের সেতুবন্ধ রচনা করে এই করোনা ও বন্যার আপদকালীন সময়কে সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করে যাচ্ছি। তবে আমি মাঝেমধ্যে অসুস্থও হয়ে পড়ছি। জেলা পুলিশ সাংবাদিকদের ঈদ উপহার ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করেছে। নকলা উপজেলা প্রশাসনও সাংবাদিকদের সম্মানে ঈদ উপহার সামগ্রী দিয়েছে । এজন্য জেলা পুলিশ ও নকলা উপজেলা প্রশাসনকে অভিনন্দন জানাই।

গরম আমি একদমই সহ্য করতে পারিনা। ডায়াবেটিসের জন্য খাদ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও তা মানা সম্ভব হয়না। কদ্দিন আগে অনেক কাঁঠাল আর আম খেয়েছিলাম। পরদিন আর বিছানা থেকে উঠতে পারছিলাম না। বিছানায় শুয়েই কাটালাম ১৫/১৬ দিন। ডায়াবেটিসের মাত্রা অনেক বেড়ে গিয়েছে। ভয় পেয়ে গেলাম আবার করোনায় ধরলো কি’না। সেদিন দু’বার বমি করেছি। তারপরও শরীর ঠিক হয়নি। দুর্বল শরীর নিয়ে বাসা থেকে আর বেরুতে পারিনি। এর মাঝে কবি জয়নাল আবেদীন তাঁর কবিতার পান্ডুলিপি দিয়ে গেছেন। পান্ডুলিপিটি দেখে দিতে হবে। সিনিয়র বলে কথা। আমি তো কাউকে না করতে পারিনা। গত বছর আমার বই বের করতে গিয়ে অন্য একজন কবির বই বের করে দিলাম। এবার যদি বই বের করতে না পারি তাহলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।

প্রিয় পাঠক, কালের ডাক কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আর নীরব থাকতে পারলাম না। বিশেষ করে সঞ্জীব চন্দ বিল্টুর মোবাইল অত্যচার আমাকে বাধ্য করেছে এ লেখাটি লিখতে। এর আগের সংখ্যার জন্যও বিল্টু আমার কাছে লেখা চেয়েছিলো। অসুস্থতার কারণে লেখা দিতে পারিনি। ডিআইইউ’র ৭ম সেমিস্টারের ছাত্রী আমার একমাত্র কন্যা তামান্না মাহমুদ মনীষার অনলাইনে রেগুলার ক্লাস চলছে। সে ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত। বিছানায় শুয়ে বসে একমাত্র ছেলে তানসেন মাহমুদ ইলহামের কম্পিউটারে লেখাটি কম্পোজ করতে হলো। কি লিখতে গিয়ে কি লিখে ফেলেছি, বলতে পারবোনা।

সবশেষে প্রিয় পাঠকবৃন্দকে আরও একটি বার্তা দিতে চাই। করোনার ভয়াবহতার কারণে যখন লকডাউন চলছিল তখন ‘কবি সংঘ বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ২১ মে সন্ধ্যায় আমরা শেরপুর পৌরসভার সবচেয়ে অবহেলিত দক্ষিণ মোবারকপুর মহল্লায় গিয়ে দারিদ্র্যপীড়িত ৩০ জন অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করি। এসময় উপস্থিত ছিলেন কবি সংঘ বাংলাদেশ’র সভাপতি (আমি) তালাত মাহমুদ, কার্যকরী সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুল আলীম তালুকদার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ডা: হাফিজুর রহমান লাভলু সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ব্যবসায়িক সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সহৃদয় পাঠক, বানের জলে ভাসছে দেশ। বানের পানিতে ডুবে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। সেইসাথে সাপের উপদ্রবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সর্প দংশনে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এব্যাপারে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। তাই যেখানেই থাকুন, যেভাবেই থাকুন, ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন সবসময়।

  1. লেখক: কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবং সভাপতি, কবি সংঘ বাংলাদেশ
Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!