দুপুর ২:২২ | মঙ্গলবার | ২১শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৮ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এক মাসের মধ্যে দ্বিগুণ দাম : এলাচের কেজি ৬ হাজার টাকা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মসলার রানী এলাচ। মসলার বাজার গরম করেছে এ পণ্যটি। দফায় দফায় বাড়ছে দাম। এক মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ এবং বছরের ব্যবধানে চারগুণ দাম বেড়েছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে কেজিতে বেড়েছে এক হাজার টাকার ওপরে। ভালো মানের এক কেজি এলাচ কিনতে এখন ছয় হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে।
সুগন্ধিযুক্ত মসলা এলাচ খাবারে স্বাদ বাড়ায়। এ ছাড়া ওষুধ তৈরিতে এর ব্যবহার রয়েছে। এ মসলার নানা গুণ থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে এর কদর বেড়েছে। কিন্তু এখন দাম বেড়ে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ইচ্ছে থাকলেও সবাই কিনতে পারছেন না। এমনকি অনেক দোকানদার ১০ থেকে ২০ টাকায় এলাচ বিক্রি করতে চান না। খুচরা দোকানে ১২ থেকে ১৫টি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এতে একটি এলাচের দাম ২ টাকারও বেশি পড়ছে।

img-add

খুচরা বিক্রেতারা জানান, গত বছরের জানুয়ারির শুরুতে এলাচের কেজি এক হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা ছিল। পরে একই মাসের মাঝামাঝি সময়ে কেজিতে দু-তিনশ’ টাকা দাম বেড়ে এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকায় ওঠে। রমজান মাসের আগে মার্চে দাম আরও বেড়ে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা হয়। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দাম আরও বাড়তে থাকে। গত আগস্টে তিন হাজার টাকায় পৌঁছে। গত মাসে দাম বেড়ে সাড়ে চার হাজার টাকায় ওঠে। নতুন বছরের শুরু থেকে গত দু’সপ্তাহে কেজিতে দেড় হাজার টাকা বেড়েছে। এখন সাড়ে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার টাকায় মানভেদে ছোট এলাচ পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, দেশে এলাচের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। বিশ্ববাজারে এলাচের দামে অস্থিরতা চলছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও দাম অস্বাভবিক বেড়েছে। এতে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ছে। পাইকারিতে এখন এলাচের কেজি চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা। তিনি বলেন, গুয়েতেমালা ও ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি এলাচ আমদানি হয়। এই দেশ দুটি থেকে এখন নতুন করে আমদানি করা যাচ্ছে না। আগের এলসির কিছু এলাচ এখন আসছে। এ ছাড়া দুবাই ও সিঙ্গাপুর থেকে আমদানির চেষ্টা চলছে। তিন থেকে চার মাস পর ভারতের মৌসুম আসবে, তখন তুলনামূলকভাবে কম দামে আমদানির সুযোগ হতে পারে। তবে তা নিশ্চিত নয়। সবচেয়ে বেশি এলাচ উৎপাদনকারী দেশ গুয়েতেমালায় এখন মৌসুমের এলাচ ছিল। এর পরও দাম কমেনি। বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা না থাকায় দেশের বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দামি এই মসলা দেশে আবাদ করে ভালো লাভবান হয়েছেন যশোরের মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, তিন বছর আগে বাগান করেছেন। এবার প্রথম ফলন হয়েছে। এতে মৌসুমে উৎপাদিত এলাচ তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা করে বিক্রি করেছেন। যশোরের এই চাষির মতো চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এ মসলার চাষ হচ্ছে। তবে এখনও চাহিদার তুলনায় দেশে উৎপাদন খুবই কম। বেশিরভাগ চাহিদা মিটছে আমদানিতে। আর যেসব দেশ থেকে আমদানি হয়, সেসব দেশে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেষ বলের নাটকে জিতল বাংলাদেশ

» সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক আর নেই

» বিক্ষোভে শ্রাবন্তীর এ কি হাল!

» আবরার হত্যা ॥ অভিযোগ গঠন ৩০ জানুয়ারী

» কোচের ভূমিকায় শচীন টেন্ডুলকার

» চীনের রহস্যজনক ভাইরাস ঠেকাতে শাহজালালে সর্বোচ্চ সতর্কতা

» বাংলাদেশী নারীদের আয়োজনে ইতালির রোমে ‌’শীতকালীন পিঠা উৎসব’

» শেরপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৩-১৬ গ্রেডের কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন

» ঝিনাইগাতীতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

» ঝিনাইগাতীতে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

» শেরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৩ বসতঘর ভস্মিভূত

» ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে মঙ্গলবার

» শেরপুরে প্রবীণ আ’লীগ নেতা সৈয়দ এমদাদুল হকের ইন্তেকাল

» শেরপুরে ৩২ প্রহরব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন শুরু

» ইভিএমে আমরা কোন ত্রুটি দেখছিনা – মার্কিন রাষ্ট্রদূত

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  দুপুর ২:২২ | মঙ্গলবার | ২১শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং | ৮ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এক মাসের মধ্যে দ্বিগুণ দাম : এলাচের কেজি ৬ হাজার টাকা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মসলার রানী এলাচ। মসলার বাজার গরম করেছে এ পণ্যটি। দফায় দফায় বাড়ছে দাম। এক মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ এবং বছরের ব্যবধানে চারগুণ দাম বেড়েছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে কেজিতে বেড়েছে এক হাজার টাকার ওপরে। ভালো মানের এক কেজি এলাচ কিনতে এখন ছয় হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে।
সুগন্ধিযুক্ত মসলা এলাচ খাবারে স্বাদ বাড়ায়। এ ছাড়া ওষুধ তৈরিতে এর ব্যবহার রয়েছে। এ মসলার নানা গুণ থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে এর কদর বেড়েছে। কিন্তু এখন দাম বেড়ে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ইচ্ছে থাকলেও সবাই কিনতে পারছেন না। এমনকি অনেক দোকানদার ১০ থেকে ২০ টাকায় এলাচ বিক্রি করতে চান না। খুচরা দোকানে ১২ থেকে ১৫টি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এতে একটি এলাচের দাম ২ টাকারও বেশি পড়ছে।

img-add

খুচরা বিক্রেতারা জানান, গত বছরের জানুয়ারির শুরুতে এলাচের কেজি এক হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা ছিল। পরে একই মাসের মাঝামাঝি সময়ে কেজিতে দু-তিনশ’ টাকা দাম বেড়ে এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকায় ওঠে। রমজান মাসের আগে মার্চে দাম আরও বেড়ে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা হয়। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দাম আরও বাড়তে থাকে। গত আগস্টে তিন হাজার টাকায় পৌঁছে। গত মাসে দাম বেড়ে সাড়ে চার হাজার টাকায় ওঠে। নতুন বছরের শুরু থেকে গত দু’সপ্তাহে কেজিতে দেড় হাজার টাকা বেড়েছে। এখন সাড়ে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার টাকায় মানভেদে ছোট এলাচ পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, দেশে এলাচের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। বিশ্ববাজারে এলাচের দামে অস্থিরতা চলছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও দাম অস্বাভবিক বেড়েছে। এতে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ছে। পাইকারিতে এখন এলাচের কেজি চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা। তিনি বলেন, গুয়েতেমালা ও ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি এলাচ আমদানি হয়। এই দেশ দুটি থেকে এখন নতুন করে আমদানি করা যাচ্ছে না। আগের এলসির কিছু এলাচ এখন আসছে। এ ছাড়া দুবাই ও সিঙ্গাপুর থেকে আমদানির চেষ্টা চলছে। তিন থেকে চার মাস পর ভারতের মৌসুম আসবে, তখন তুলনামূলকভাবে কম দামে আমদানির সুযোগ হতে পারে। তবে তা নিশ্চিত নয়। সবচেয়ে বেশি এলাচ উৎপাদনকারী দেশ গুয়েতেমালায় এখন মৌসুমের এলাচ ছিল। এর পরও দাম কমেনি। বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা না থাকায় দেশের বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দামি এই মসলা দেশে আবাদ করে ভালো লাভবান হয়েছেন যশোরের মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, তিন বছর আগে বাগান করেছেন। এবার প্রথম ফলন হয়েছে। এতে মৌসুমে উৎপাদিত এলাচ তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা করে বিক্রি করেছেন। যশোরের এই চাষির মতো চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এ মসলার চাষ হচ্ছে। তবে এখনও চাহিদার তুলনায় দেশে উৎপাদন খুবই কম। বেশিরভাগ চাহিদা মিটছে আমদানিতে। আর যেসব দেশ থেকে আমদানি হয়, সেসব দেশে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!