রাত ১১:৫৭ | বৃহস্পতিবার | ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আসছে ভারতের পেঁয়াজ, কমছে দাম

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ভারতে আটকে থাকা পেঁয়াজ অবশেষে দেশে আসতে শুরু করেছে। ৫ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার দেশের ৩টি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ১২০০ টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। তবে এই পেঁয়াজের মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়েছে বলে জানান আমদানিকারকরা। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে আসার খবরে রাজধানীসহ দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে। শনিবার পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। আগেও পাইকারিতে কিছুটা দাম কমেছিল। খুচরা বাজারেও শনিবার পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সাতক্ষীরার ভোমরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ এবং দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আসছে। দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় বাজারে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিম। শনিবার রাজধানীর পাইকারি আড়ত শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এবং অন্যান্য বাজার তদারকিতে আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকার কমে বিক্রির পরামর্শ দেয় কমিটি। ব্যবসায়ীরাও ওই দামে বিক্রিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আলবেরুনী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আমদানি পর্যায়ে থাকা পেঁয়াজের মধ্যে মোট ২৫ হাজার টন বাংলাদেশে আসবে। এলসি নিষ্পত্তি হওয়ার পরে বন্দরে আটকে থাকা এবং এলসি নিষ্পত্তি না হওয়া সব ধরনের পেঁয়াজ আসবে। তবে ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বেঁধে দিয়ে ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি নয়াদিল্লি। তিনি বলেন, দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। ভারতে আটকে থাকা পেঁয়াজও দেশে ঢুকছে। এই পেঁয়াজ মজুদ থাকা অবস্থাতেই টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে এক লাখ টন পেঁয়াজ আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। পাশাপাশি সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলমসহ আমদানিকারকরা আরও এক লাখ টনের বেশি আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। এসব পেঁয়াজ দেশে এলে নতুন মৌসুম পর্যন্ত বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে। ফলে বাজারে স্বাভাবিক দামে পেঁয়াজ বেচাকেনা হবে। আলবেরুনী আরও বলেন, পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ট্যারিফ কমিশনসহ সব সংস্থা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিমের জোরদার তদারকি চলছে। এতে সিন্ডিকেট পিছু হটেছে।
শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের বেচাকেনা আগের চেয়ে কমেছে। এর মধ্যে আমদানি পেঁয়াজ দেশে আসছে। ফলে বাড়তি দাম ধরে রাখতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমায় খুচরা বাজারেও কমতে শুরু করেছে। এক দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে মহল্লার দোকানে দামের হেরফের রয়েছে। খুচরায় ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে, যা আগের দিন ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। অপরদিকে ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শ্যামবাজারে শনিবার ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি ৭২ টাকা এবং দেশি ক্রস পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় পাওয়া গেছে, যা আগের দিন ছিল যথাক্রমে ৭৭ টাকা ও ৭০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী রাকিব হোসেন বলেন, বন্দরের পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম আরও কমবে। কারণ, ১০ দিন ট্রাকে আটকা থাকা পেঁয়াজের অনেক অংশ নষ্ট হয়েছে। ওই পেঁয়াজ দ্রুত বাজারে ছাড়তে হবে। ওই পেঁয়াজের কেজি পাইকারিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় নামতে পারে। তবে শেষদিকে এলসি করা আমদানি পর্যায়ে থাকা ভালো পেঁয়াজ বাজারে ৪০ টাকায় বিক্রি হতে পারে। ভারতীয় পেঁয়াজ এলে বাজার আগের দামে ফিরতে পারে। তিনি বলেন, ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আসছে। এতে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সংকট কেটে যাবে।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, রপ্তানি বন্ধের খবরে তিন দিন আগে বাড়তি পেঁয়াজ কিনতে খাতুনগঞ্জে ভিড় জমান অনেকে। এ কারণে দাম একটু বাড়তি ছিল। তবে খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের দাম কমলেও বন্দর নগরীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। অলিগলির ভ্যান গাড়িতেও এই দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।
গত সোমবার হঠাৎ করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে এক দিনেই পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর পাইকারিতে ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০ টাকায় পৌঁছে। সংকটের আশঙ্কায় বাড়তি পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পড়ে। তবে এই দাম পরদিনই আবার কমতে শুরু করে। শুক্রবার নিষেধাজ্ঞার আগে এলসি খোলা ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশকে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে ভারত।
ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভারতে আটকেপড়া ৩২টি ট্রাকে গড়ে ২৫ টন করে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বাকি পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলো পর্যায়ক্রমে আসবে। ভারত থেকে অনুমতি দেওয়া ২৫ হাজার টন পেঁয়াজের মধ্যে আট হাজার টন ভোমরা বন্দর দিয়ে আসবে। ট্রাকগুলো বন্দরে পাঁচ দিন আটকে থাকায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ঝিনাইগাতীতে কৃষকদের প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রশিক্ষণ

» শেরপুরে ছিনতাই-হামলার শিকার আইনজীবী সহকারী

» দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও করোনা পজিটিভ হলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

» চীনের উদ্বেগ বাড়িয়ে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

» তোফায়েল আহমেদ ৭৮তম জন্মদিন আজ

» ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

» শ্রীবরদীতে যুবকের লাশ উদ্ধার

» শেরপুরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান

» শেরপুরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগ খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ

» শারদীয় দুর্গা পূজায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দিলেন মতিয়া চৌধুরী

» করোনামুক্ত হয়ে শেরপুরে ফেরায় হুইপ আতিককে প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

» শেরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

» মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে শেরপুর প্রেসক্লাবে বই প্রদান

» শেরপুরে কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন

» জামালপুরে একদিনে কলেজছাত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১১:৫৭ | বৃহস্পতিবার | ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আসছে ভারতের পেঁয়াজ, কমছে দাম

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ভারতে আটকে থাকা পেঁয়াজ অবশেষে দেশে আসতে শুরু করেছে। ৫ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার দেশের ৩টি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ১২০০ টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। তবে এই পেঁয়াজের মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়েছে বলে জানান আমদানিকারকরা। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে আসার খবরে রাজধানীসহ দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে। শনিবার পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। আগেও পাইকারিতে কিছুটা দাম কমেছিল। খুচরা বাজারেও শনিবার পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সাতক্ষীরার ভোমরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ এবং দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আসছে। দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় বাজারে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিম। শনিবার রাজধানীর পাইকারি আড়ত শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এবং অন্যান্য বাজার তদারকিতে আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকার কমে বিক্রির পরামর্শ দেয় কমিটি। ব্যবসায়ীরাও ওই দামে বিক্রিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আলবেরুনী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আমদানি পর্যায়ে থাকা পেঁয়াজের মধ্যে মোট ২৫ হাজার টন বাংলাদেশে আসবে। এলসি নিষ্পত্তি হওয়ার পরে বন্দরে আটকে থাকা এবং এলসি নিষ্পত্তি না হওয়া সব ধরনের পেঁয়াজ আসবে। তবে ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বেঁধে দিয়ে ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি নয়াদিল্লি। তিনি বলেন, দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। ভারতে আটকে থাকা পেঁয়াজও দেশে ঢুকছে। এই পেঁয়াজ মজুদ থাকা অবস্থাতেই টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে এক লাখ টন পেঁয়াজ আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। পাশাপাশি সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলমসহ আমদানিকারকরা আরও এক লাখ টনের বেশি আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। এসব পেঁয়াজ দেশে এলে নতুন মৌসুম পর্যন্ত বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে। ফলে বাজারে স্বাভাবিক দামে পেঁয়াজ বেচাকেনা হবে। আলবেরুনী আরও বলেন, পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ট্যারিফ কমিশনসহ সব সংস্থা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিমের জোরদার তদারকি চলছে। এতে সিন্ডিকেট পিছু হটেছে।
শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের বেচাকেনা আগের চেয়ে কমেছে। এর মধ্যে আমদানি পেঁয়াজ দেশে আসছে। ফলে বাড়তি দাম ধরে রাখতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমায় খুচরা বাজারেও কমতে শুরু করেছে। এক দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে মহল্লার দোকানে দামের হেরফের রয়েছে। খুচরায় ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে, যা আগের দিন ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। অপরদিকে ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শ্যামবাজারে শনিবার ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি ৭২ টাকা এবং দেশি ক্রস পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় পাওয়া গেছে, যা আগের দিন ছিল যথাক্রমে ৭৭ টাকা ও ৭০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী রাকিব হোসেন বলেন, বন্দরের পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম আরও কমবে। কারণ, ১০ দিন ট্রাকে আটকা থাকা পেঁয়াজের অনেক অংশ নষ্ট হয়েছে। ওই পেঁয়াজ দ্রুত বাজারে ছাড়তে হবে। ওই পেঁয়াজের কেজি পাইকারিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় নামতে পারে। তবে শেষদিকে এলসি করা আমদানি পর্যায়ে থাকা ভালো পেঁয়াজ বাজারে ৪০ টাকায় বিক্রি হতে পারে। ভারতীয় পেঁয়াজ এলে বাজার আগের দামে ফিরতে পারে। তিনি বলেন, ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আসছে। এতে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সংকট কেটে যাবে।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, রপ্তানি বন্ধের খবরে তিন দিন আগে বাড়তি পেঁয়াজ কিনতে খাতুনগঞ্জে ভিড় জমান অনেকে। এ কারণে দাম একটু বাড়তি ছিল। তবে খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের দাম কমলেও বন্দর নগরীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। অলিগলির ভ্যান গাড়িতেও এই দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।
গত সোমবার হঠাৎ করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে এক দিনেই পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর পাইকারিতে ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০ টাকায় পৌঁছে। সংকটের আশঙ্কায় বাড়তি পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পড়ে। তবে এই দাম পরদিনই আবার কমতে শুরু করে। শুক্রবার নিষেধাজ্ঞার আগে এলসি খোলা ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশকে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে ভারত।
ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভারতে আটকেপড়া ৩২টি ট্রাকে গড়ে ২৫ টন করে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বাকি পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলো পর্যায়ক্রমে আসবে। ভারত থেকে অনুমতি দেওয়া ২৫ হাজার টন পেঁয়াজের মধ্যে আট হাজার টন ভোমরা বন্দর দিয়ে আসবে। ট্রাকগুলো বন্দরে পাঁচ দিন আটকে থাকায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!